Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বাংলার জঙ্গলে এবার রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেদার গর্জন! একাধিক জেলায় বাঘ ছাড়ার মেগা প্ল্যান দিল্লির

বাংলার জঙ্গলে এবার রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেদার গর্জন! একাধিক জেলায় বাঘ ছাড়ার মেগা প্ল্যান দিল্লির
এ আই নির্মিত ছবি

কলকাতা: বাংলার জঙ্গলপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের জন্য এক রোমাঞ্চকর খবর! সুন্দরবনের বাইরেও এবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক উপযুক্ত বনাঞ্চলে বাঘ ছাড়ার এক মহাপরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র সরকার। আজ মঙ্গলবার কলকাতায় এসে এই চাঞ্চল্যকর ও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। কলকাতায় জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (ZSI)-র ১১১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘অ্যানিমেল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৬’-এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এই বড় বার্তা দেন তিনি। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই বন্যপ্রাণী ও পরিবেশবিদদের মধ্যে তুমুল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।


কলকাতার মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখার সময় রাজস্থানের বিখ্যাত সারিস্কা টাইগার রিজার্ভের এক অভাবনীয় সাফল্যের উদাহরণ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০০৮ সালে চোরাশিকার ও নানা কারণে সারিস্কায় বাঘের সংখ্যা সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রের পরিকল্পিত বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ এবং বাঘ পুনর্বাসন কর্মসূচির ম্যাজিকে বর্তমানে সেই সারিস্কাতেই বাঘের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬-তে। 

রাম লালার দরবারে ঢোকার আগেই বন্দী ‘হাত’ শিবির


ভূপেন্দ্র যাদব স্পষ্ট জানান, রাজস্থানের সেই সফল মডেলকে সামনে রেখেই সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, বিশেষজ্ঞদের নিখুঁত পরামর্শ এবং পরিবেশগত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গের উপযুক্ত জঙ্গলগুলিতে নতুন করে বাঘ পুনঃপ্রবর্তনের (Reintroduction) সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে, ২০২৬ সালের এই আধুনিক সময়ে দাঁড়িয়ে পরিবেশ বা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আর কোনো পৃথক বিষয় নয়; এটি আসলে দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার অন্যতম মূল ভিত্তি। ২০১৪ সালের পর থেকে ভারতের পরিবেশ-সংক্রান্ত নীতি ও শাসন ব্যবস্থায় যে উল্লেখযোগ্য এবং ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তার সুফল আজ দেশবাসী পাচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসঙ্গে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই মোদী সরকারের মূল লক্ষ্য। 


এই প্রসঙ্গে তিনি মিশন লাইফ, আন্তর্জাতিক সৌর জোট, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স এবং গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্সের মতো ভারতের বৈশ্বিক উদ্যোগগুলির খতিয়ান পেশ করে বলেন, ভারত আজ শুধু নিজের পরিবেশ রক্ষা করছে না, বরং বিশ্বমঞ্চেও পরিবেশ সংরক্ষণের নীতি নির্ধারণে ছড়ি ঘোরাচ্ছে। আর সেই বৃহত্তর সংরক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এবার বাংলার উপযুক্ত বনাঞ্চলগুলি বাঘের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে।

বিষয় : BHUPENDRA YADAV ROYALBENGALTIGER wildlifeconservation ecobalance

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


বাংলার জঙ্গলে এবার রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেদার গর্জন! একাধিক জেলায় বাঘ ছাড়ার মেগা প্ল্যান দিল্লির

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলার জঙ্গলপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের জন্য এক রোমাঞ্চকর খবর! সুন্দরবনের বাইরেও এবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক উপযুক্ত বনাঞ্চলে বাঘ ছাড়ার এক মহাপরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র সরকার। আজ মঙ্গলবার কলকাতায় এসে এই চাঞ্চল্যকর ও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। কলকাতায় জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (ZSI)-র ১১১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘অ্যানিমেল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৬’-এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এই বড় বার্তা দেন তিনি। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই বন্যপ্রাণী ও পরিবেশবিদদের মধ্যে তুমুল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।কলকাতার মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখার সময় রাজস্থানের বিখ্যাত সারিস্কা টাইগার রিজার্ভের এক অভাবনীয় সাফল্যের উদাহরণ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০০৮ সালে চোরাশিকার ও নানা কারণে সারিস্কায় বাঘের সংখ্যা সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রের পরিকল্পিত বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ এবং বাঘ পুনর্বাসন কর্মসূচির ম্যাজিকে বর্তমানে সেই সারিস্কাতেই বাঘের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬-তে। রাম লালার দরবারে ঢোকার আগেই বন্দী ‘হাত’ শিবিরভূপেন্দ্র যাদব স্পষ্ট জানান, রাজস্থানের সেই সফল মডেলকে সামনে রেখেই সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, বিশেষজ্ঞদের নিখুঁত পরামর্শ এবং পরিবেশগত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গের উপযুক্ত জঙ্গলগুলিতে নতুন করে বাঘ পুনঃপ্রবর্তনের (Reintroduction) সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে, ২০২৬ সালের এই আধুনিক সময়ে দাঁড়িয়ে পরিবেশ বা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আর কোনো পৃথক বিষয় নয়; এটি আসলে দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার অন্যতম মূল ভিত্তি। ২০১৪ সালের পর থেকে ভারতের পরিবেশ-সংক্রান্ত নীতি ও শাসন ব্যবস্থায় যে উল্লেখযোগ্য এবং ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তার সুফল আজ দেশবাসী পাচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসঙ্গে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই মোদী সরকারের মূল লক্ষ্য। এই প্রসঙ্গে তিনি মিশন লাইফ, আন্তর্জাতিক সৌর জোট, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স এবং গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্সের মতো ভারতের বৈশ্বিক উদ্যোগগুলির খতিয়ান পেশ করে বলেন, ভারত আজ শুধু নিজের পরিবেশ রক্ষা করছে না, বরং বিশ্বমঞ্চেও পরিবেশ সংরক্ষণের নীতি নির্ধারণে ছড়ি ঘোরাচ্ছে। আর সেই বৃহত্তর সংরক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এবার বাংলার উপযুক্ত বনাঞ্চলগুলি বাঘের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার