Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ধর্মতলায় দাঙ্গা বাঁধানোর উস্কানি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর, এবার কি গ্রেফতার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী?

কলকাতা: ভোটে হারের পর একের পর এক আইনি বিপাকে জেরবার ঘাসফুল শিবির। এবার খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের হলো গুরুতর এফআইআর। ধর্মতলার এক হাই-প্রোফাইল সভা থেকে জনসমক্ষে ‘উস্কানিমূলক’, ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার মতো মারাত্মক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। নবগঠিত ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ বা বিএনএস-এর একাধিক জামিন অযোগ্য ও চরম ধারা প্রয়োগ করে এই মামলা রুজু করায় রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।পুলিশের এফআইআর কপি থেকে জানা গিয়েছে, তুষার কান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি গত ৭ জুন হেয়ার স্ট্রিট থানায় এই লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন। ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের গত ৯ মার্চ। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের সামনে তৃণমূলের তরফ থেকে একটি বিশাল ‘ধরনা মঞ্চ’ তৈরি করা হয়েছিল। অভিযোগকারীর দাবি, সেই সভা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কিছু মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছিলেন যা সরাসরি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে বুড়ো আঙুল দেখায় এবং দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ছড়াতে প্ররোচিত করে।অভিযোগকারীর বয়ান খতিয়ে দেখে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩’-এর অধীনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মোট ৩টি অত্যন্ত গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৬(১) ধারা, যা মূলত বিভিন্ন গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা এবং সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এ ছাড়া রয়েছে ৩৫১(২) ধারা অর্থাৎ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা উস্কানি এবং ৩৫২ ধারা, যার অর্থ শান্তিভঙ্গ করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো পক্ষকে অপমান করা। এই ধারাগুলি যুক্ত হওয়ায় আইনি দিক থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অস্বস্তি যে বহুগুণ বেড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।ইতিমধ্যেই এই অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে হেয়ার স্ট্রিট থানা কোমর বেঁধে তদন্তে নেমে পড়েছে। এই হাই-প্রোফাইল মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে থানার অত্যন্ত দক্ষ সাব-ইন্সপেক্টর হিমাদ্রি কাঞ্জিলালকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যজুড়ে চলতে থাকা রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে এই এফআইআর শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে। তবে এই এফআইআর ও তদন্ত নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
১৯ ঘন্টা আগে
‘কালীঘাটে ‘অপারেশন অভিষেক?’ রাতভর তল্লাশিতে চড়ল রাজনৈতিক পারদ

‘কালীঘাটে ‘অপারেশন অভিষেক?’ রাতভর তল্লাশিতে চড়ল রাজনৈতিক পারদ

কালীঘাটে ভোররাতের অভিযানে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্...
২১ মিনিট আগে

আমাদের ফেসবুক পেজ

বিশ্বকাপের মহারণ শুরু: বর্ণাঢ্য উদ্বোধন, প্রথম গোলেই ইতিহাস, জয়ে উড়ল আয়োজক মেক্সিকো

বিশ্বকাপের মহারণ শুরু: বর্ণাঢ্য উদ্বোধন, প্রথম গোলেই ইতিহাস, জয়ে উড়ল আয়োজক মেক্সিকো

স্পোর্টস ডেস্ক: অবশেষে শুরু হলো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর। চার বছর অপেক্ষার পর কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ এখন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দিকে।তিন দেশ—মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর্দা উঠেছে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। ফুটবল, সংস্কৃতি, সঙ্গীত এবং আবেগের এক অনন্য মিশেলে বিশ্বকাপের প্রথম দিনই হয়ে উঠেছে স্মরণীয়।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে তুলে ধরা হয় অত্যাধুনিক আলোকসজ্জা, ড্রোন শো এবং নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে। স্টেডিয়ামজুড়ে উপস্থিত হাজারো দর্শক এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখা কোটি দর্শক উপভোগ করেন এক মনোমুগ্ধকর আয়োজন। অনুষ্ঠানে অংশ নেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীরা। সুর, তাল ও রঙের মিশেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেন ফুটবল উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।এরপরই শুরু হয় প্রতীক্ষিত উদ্বোধনী ম্যাচ। আয়োজক দেশ মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজেদের সমর্থকদের সামনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। ম্যাচের নবম মিনিটেই আসে বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম গোল। ডান দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ থেকে বল পেয়ে জুলিয়ান কুইনোনেস জালে বল জড়িয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখে ফেলেন। বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা হিসেবে তিনি হয়ে ওঠেন প্রথম দিনের সবচেয়ে আলোচিত ফুটবলার।প্রথম গোলের পর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে মেক্সিকো। দক্ষিণ আফ্রিকাও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়, তবে মেক্সিকোর সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের সফল হতে দেয়নি। প্রথমার্ধে ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বাড়ে। গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আক্রমণে গিয়ে বারবার ধরা পড়ে মেক্সিকোর দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ দুর্দান্ত এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তার গোলে কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় মেক্সিকোর হাতে।ম্যাচের শেষভাগে দক্ষিণ আফ্রিকার হতাশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একের পর এক ফাউলের কারণে দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে দলটি ৯ জনে পরিণত হয়। যোগ করা সময়ে মেক্সিকোর একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখলেও ফলাফলে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে আজতেকা স্টেডিয়াম। ২-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে আয়োজক দেশ মেক্সিকো।ম্যাচের  ফলাফল মেক্সিকো ২-০ দক্ষিণ আফ্রিকা। গোলদাতা জুলিয়ান কুইনোনেস (৯'),রাউল হিমেনেজ (৬৭')লাল কার্ড স্পেফেলো সিথোলে (দক্ষিণ আফ্রিকা),থেম্বা জোয়ানে (দক্ষিণ আফ্রিকা),সিজার মন্টেস (মেক্সিকো)এদিকে  দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ কোরিয়া ও চেকিয়া। গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে দুই দলের লক্ষ্য ছিল শুভসূচনা করা। ম্যাচটি ঘিরেও দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। ২-০ গোলের জয় নিয়ে শুভ সূচনা করে দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই দুটি ম্যাচ ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছে উন্মাদনা।এবারের বিশ্বকাপ একাধিক কারণে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে এই আসরে। মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি দেশে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় আয়োজন। আগামী এক মাস ধরে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের লড়াইয়ে মুখর থাকবে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহর।বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই প্রমাণ মিলেছে, ফুটবলের এই মহারণ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি বিশ্বের কোটি মানুষের আবেগের নাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জৌলুস আর মেক্সিকোর জয় দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত কোন দেশের হাতে সোনালি ট্রফি তুলে দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা ফুটবল বিশ্ব।
১২ জুন ২০২৬
টলিউড অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে নামী প্রযোজনা সংস্থা? এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মোদী সরকারের, কাঁপছে স্টুডিওপাড়া!

টলিউড অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে নামী প্রযোজনা সংস্থা? এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ মোদী সরকারের, কাঁপছে স্টুডিওপাড়া!

কলকাতা: আউটডোরে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে সলিল সমাধি হয়েছিল জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়। কিন্তু রাহুলের মৃত্যু নিয়ে দানা বাঁধা একাধিক রহস্যের জট আজও খোলেনি। শুটিং ইউনিটের সদস্যদের বয়ানের সঙ্গে পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজের আকাশ-পাতাল অসঙ্গতি প্রথম থেকেই এই মৃত্যুকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। রাহুলের মৃত্যুর সুবিচারের দাবিতে এক মাস ধরে বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতে তীব্র ঝড় বয়ে গেলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ইস্যু অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছিল। কিন্তু এবার এই হাইপ্রোফাইল মামলায় ঘটল এক অভাবনীয় মোড়। টলিউড অভিনেতার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করল দিল্লির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (PMO)। ওড়িশা সরকারকে এই বিষয়ে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে মোদি সরকার, যা নিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় শুরু হয়েছে স্টুডিওপাড়ায়।রাহুলের মৃত্যুর ঠিক পরেই শুটিং সেটে তারকা ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে সরব হয়েছিল 'অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন' (AICWA)। সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা এবং মৃতের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিল এই সর্বভারতীয় সংগঠন। টলিউডের এই ইস্যু ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে দেখে সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সর্বভারতীয় এই সিনে সংগঠনের স্পষ্ট অভিযোগ, ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়নি এবং একাধিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখানোর জেরেই অকালে প্রাণ হারাতে হয়েছে টলিউডের এই প্রতিভাবান অভিনেতাকে।বিশ্বকাপে কতটা প্রস্তুত আর্জেন্টিনা? দুর্ঘটনার আসল সত্য সামনে আনতে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে ইতিমধ্যেই একটি 'স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম' বা সিট (SIT) গঠনের দাবি তুলেছে অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। শুধু তাই নয়, কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে নামী প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’-কে। সংগঠনের তরফে এই সংস্থার কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) ও ফৌজদারি মামলা রুজু করে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। তাঁদের সাফ কথা, নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার চরম খেসারত দিতে হয়েছে রাহুলকে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিল্পী বা টেকনিশিয়ানের সঙ্গে এমন মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে, তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় সংগঠন। দিল্লির এই সরাসরি হস্তক্ষেপের পর ওড়িশা সরকার এখন কী পদক্ষেপ নেয় এবং টলিউডের এই প্রভাবশালী প্রযোজকদের ভবিষ্যৎ কী হয়, সেটাই এখন দেখার।
১১ জুন ২০২৬
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬৭১ জন
দীর্ঘদিনের অভ্যাসেই লুকিয়ে বড় বিপদ! খাবার মোড়াতে সংবাদপত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

দীর্ঘদিনের অভ্যাসেই লুকিয়ে বড় বিপদ! খাবার মোড়াতে সংবাদপত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

রাস্তার ধারের দোকানে শিঙাড়া, চপ কিংবা তেলেভাজা খবরের কাগজে মুড়ে দেওয়ার দৃশ্য অত্যন্ত পরিচিত। কিন্তু বহু বছরের এই অভ্যাসই ডেকে আনতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (FSSAI) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, খাবার প্যাকেট করা, পরিবেশন করা বা সংরক্ষণের জন্য কোনওভাবেই সংবাদপত্র ব্যবহার করা উচিত নয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবাদপত্র ছাপার জন্য ব্যবহৃত কালিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, মিনারেল অয়েল এবং ভারী ধাতু থাকে। গরম বা তেলযুক্ত খাবার কাগজের সংস্পর্শে এলে এই ক্ষতিকর উপাদানগুলি ধীরে ধীরে খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াকেই বিজ্ঞানীরা ‘কেমিক্যাল মাইগ্রেশন’ বলে উল্লেখ করেন।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে কিডনি, স্নায়ুতন্ত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি কিছু রাসায়নিক ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু রাসায়নিক নয়, সংবাদপত্রের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও রয়েছে। ছাপাখানা থেকে পাঠকের হাতে পৌঁছনোর আগে সংবাদপত্র বহু মানুষের সংস্পর্শে আসে। ফলে কাগজে জমতে পারে ধুলো, ময়লা এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।FSSAI এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খাবার পরিবেশন বা প্যাকেট করার ক্ষেত্রে ফুড-গ্রেড বাটার পেপার, ফুড-গ্রেড কাগজ, কলাপাতা, শালপাতা বা আখের ছোবড়া থেকে তৈরি পরিবেশবান্ধব পাত্র ব্যবহার করাই নিরাপদ। পুনর্ব্যবহৃত কাগজও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, কারণ তাতেও পুরনো কালি ও রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। তাই পরের বার খবরের কাগজে মোড়া কোনও খাবার হাতে পাওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাদের সঙ্গে যাতে অজান্তেই শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক না ঢুকে পড়ে, সেদিকে নজর রাখাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
১১ জুন ২০২৬
‘কালীঘাটে ‘অপারেশন অভিষেক?’ রাতভর তল্লাশিতে চড়ল রাজনৈতিক পারদ

‘কালীঘাটে ‘অপারেশন অভিষেক?’ রাতভর তল্লাশিতে চড়ল রাজনৈতিক পারদ

কালীঘাটে ভোররাতের অভিযানে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ শনিবার গভীর রাতে পুলিশের প্রবেশকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, বাড়ির একটি অংশের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায় শালবনি থানার পুলিশ। শালবনি থানায় দায়ের হওয়া একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, এক আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ার পরই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়। সূত্রের দাবি, আর্থিক তছরুপের মামলায় খোঁজ করা হচ্ছে অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে। তদন্তকারীদের হাতে আসে তাঁর মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন - যা দেখাচ্ছিল অভিষেকের বাড়ি। সেই সূত্র ধরেই রাত ৩টের অভিযানে নামে পুলিশ।অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ দরজা না খোলায় বাড়ির বাইরের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন তদন্তকারীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েও সুমিতের খোঁজ মেলেনি। সকাল ৮টার পর বাড়ি ছাড়ে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির স্বার্থে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি ও অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে অভিযোগের প্রকৃতি এবং তদন্তের বিস্তারিত বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পুলিশ। তদন্তকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সূত্রের দাবি। প্রসঙ্গত, চলমান সই-জালিয়াতি তদন্ত এবং নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিছু মন্তব্য নিয়ে তদন্তের প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ। এর আগেই সিআইডি টানা কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে অভিষেককে এবং তাঁকে ফের হাজিরার নোটিসও পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বেশ কিছু প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি, তাই আরও তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে।রাতের এই তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে চাপে রাখতেই তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, চলমান মামলার স্বার্থেই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
এখনই
শ্রীভূমির ক্লাবের গোপন গুদামে কোটি কোটি টাকার সরকারি লুঠ! গঙ্গাসাগর মেলার রাশি রাশি উপহার আর ত্রাণ উদ্ধার হতেই হুলস্থুল লেকটাউনে

শ্রীভূমির ক্লাবের গোপন গুদামে কোটি কোটি টাকার সরকারি লুঠ! গঙ্গাসাগর মেলার রাশি রাশি উপহার আর ত্রাণ উদ্ধার হতেই হুলস্থুল লেকটাউনে

এখনই
বারবার সার্ভার সমস্যা ও বুকিং জটিলতায় ক্ষোভের জেরে বড় সিদ্ধান্ত রেলের, যাত্রীদের জন্য আসছে আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

বারবার সার্ভার সমস্যা ও বুকিং জটিলতায় ক্ষোভের জেরে বড় সিদ্ধান্ত রেলের, যাত্রীদের জন্য আসছে আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে ওয়েবসাইট হ্যাং, সার্ভার ডাউন কিংবা বুকিংয়ের মাঝপথে সমস্যায় পড়ার অভিযোগ নতুন নয়। এবার সেই ভোগান্তি দূর করতে বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় রেল। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন, আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে চালু হবে সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক IRCTC ওয়েবসাইট। যাত্রীদের টিকিট বুকিংয়ের অভিজ্ঞতা আরও দ্রুত, সহজ এবং নির্ভরযোগ্য করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জয়পুরের এমএনআইটি-তে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাঝে এক ছাত্রী আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইটে টিকিট বুকিংয়ের নানা সমস্যার কথা জানান। তিনি রেলমন্ত্রীকে বলেন, ‘টিকিট বুকিংয়ের সময়ে ক্যাপচার সমস্যা হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ এটা ব্যবহার করেন। এটা যদি ঠিক করা হয়, ভালো হয় খুব।’  ওয়েবসাইটের ধীর গতি, অতিরিক্ত ট্রাফিকের সময়ে সিস্টেম ক্র্যাশ এবং বুকিং সংক্রান্ত জটিলতার কথা শুনেই দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী। এরপরই নতুন ওয়েবসাইট তৈরির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। রেল মন্ত্রকের দাবি, নতুন প্ল্যাটফর্মে টিকিট বুকিং আরও দ্রুত হবে। পাশাপাশি রিয়েল-টাইম তৎকাল বুকিং স্ট্যাটাস, উন্নত সিট নির্বাচন ব্যবস্থা এবং আরও নতুন ইন্টারফেস যুক্ত করা হবে। ফলে বিশেষ করে তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের সময় যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রী পরিষেবাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যেই এই আধুনিকীকরণ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ IRCTC প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন। তাই ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে এবং আরও নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দিতে নতুন ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখন যাত্রীদের নজর ১৫ জুলাইয়ের দিকে। 
১৯ ঘন্টা আগে
এবার কি ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে মদন মিত্র? মাঝরাতে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট কামারহাটির বিধায়কের!

এবার কি ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে মদন মিত্র? মাঝরাতে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট কামারহাটির বিধায়কের!

কলকাতা: রাজ্য রাজনীতিতে যখন একের পর এক হেভিওয়েট দলবদল আর ভাঙনের খেলা চলছে, ঠিক তখনই ঘি ঢাললেন খোদ তৃণমূলের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সৈনিক মদন মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর একটি ইঙ্গিতবাহী এবং রহস্যময় পোস্ট ঘিরে আচমকাই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি এবার মদন মিত্রও ‘বেসুরো’ গাইছেন? নাকি তিনিও মমতার হাত ছেড়ে অন্য কোনও শিবিরে পা বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন? গতকাল কামারহাটির এই তৃণমূল বিধায়ক নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে একটি বার্তা পোস্ট করেন, যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়— নিজের অতীতকে আনইনস্টল করো এবং ভবিষ্যৎকে আপডেট করো। পুরোনোকে মুছে ফেলে নতুনকে স্বাগত জানানোর এই ডিজিটাল বার্তা ঘিরে এখন তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে বাংলার রাজনীতির অন্দরে।রাজ্যে ঘটে চলা একাধিক রাজনৈতিক ঝোড়ো ঘটনার মাঝেই মদন মিত্র কেন হঠাত এমন পোস্ট করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই হাজারো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের ধারণা, শাসকদলের অন্দরে যে বিদ্রোহী শিবির তৈরি হয়েছে, মদন মিত্র হয়তো এবার সেই শিবিরে নিজের নাম লেখাতে চলেছেন। এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্যে। গতকালই ঋতব্রতবাবু ঘটা করে ঘোষণা করেছেন যে, তাঁদের বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যাটা ৫৮ থেকে বেড়ে একধাক্কায় ৬৪ হয়েছে। যদিও তিনি নতুন করে কারও নাম প্রকাশ করেননি। কাকতালীয়ভাবে, গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফর সেরে কলকাতায় ফিরেছেন এবং সেই সময় নেত্রীর কালীঘাটের বাড়ির ঠিক পাশেই তৃণমূল পার্টি অফিসে উপস্থিত ছিলেন মদন মিত্র।ইস্টার হামলার মাস্টারমাইন্ড কে? তৃণমূলের এই চরম সংকটের দিনেও যাঁরা এতদিন ঢাল হয়ে মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বয়ং মদন মিত্র। সম্প্রতি মমতার কালীঘাটের বাড়ির সংলগ্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে সিআইডি তল্লাশি অভিযান চালালে, সেখানে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সামনের সারি থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছিল মদনকে। কিন্তু রাজ্য রাজনীতিতে চারপাশ থেকে ধেয়ে আসা এই সাঁড়াশি চাপের মধ্যে আগামী দিনে এই মমতাপন্থী বিশ্বস্ত নেতাদের অবস্থান ঠিক কী হবে, তা নিয়ে বড়সড় সংশয় তৈরি হয়েছে। আর মদন মিত্রের এই রহস্যময় পোস্ট সেই জল্পনার আগুনে যেন নতুন করে পেট্রোল ঢেলে দিল। যদিও বিতর্কিত এই পোস্টের বিষয়ে খোদ বিধায়ক এখনও পর্যন্ত নিজে মুখ খোলেননি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অন্য একটি অংশের আবার ধারণা, এই পোস্টের পেছনে ভিন্ন কোনও সমীকরণ থাকতে পারে। দলের এই চরম ভাঙনের আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে গিয়ে কংগ্রেসের হাত ধরতে পারেন বলে যে জোরদার গুঞ্জন ছড়িয়েছে, মদন মিত্রের এই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা হয়তো সেই জাতীয় রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই করা। পুরোনো রাজনৈতিক শত্রুতা ভুলে দিল্লির হাত ধরা বা ভবিষ্যৎ আপডেট করার বিষয়টি তিনি দলের কর্মীদের বোঝাতে চেয়েছেন কি না, তা নিয়েও চর্চা চলছে। তবে এই তীব্র রাজনৈতিক দোলাচলের মাঝে আগামী দিনে তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতাদের আসল অবস্থান কী দাঁড়ায় এবং মদনের এই ‘আনইনস্টল’ তত্ত্বের আসল রহস্য কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।
এখনই
লেডি ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু! পরকীয়া আড়াল করতে কি খুন? নার্সের সঙ্গে জামাইয়ের কীর্তি ফাঁস করলেন শাশুড়ি!

লেডি ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু! পরকীয়া আড়াল করতে কি খুন? নার্সের সঙ্গে জামাইয়ের কীর্তি ফাঁস করলেন শাশুড়ি!

জালন্ধর: পাঞ্জাবের জালন্ধরে এক প্রতিভাবান মহিলা চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। মৃত চিকিৎসকের নাম মীনাক্ষী সুদ। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁর নিজের ঘর থেকেই দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এই মৃত্যুকে নিছক আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ মীনাক্ষীর পরিবার। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, মীনাক্ষীকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন তাঁর স্বামী, যিনি নিজেও পেশায় একজন নামী চিকিৎসক। ইতিমধ্যেই মীনাক্ষীর স্বামী পীযূষ সুদের বিরুদ্ধে পরকীয়া এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ এনে সরব হয়েছেন নিহতের মা-বাবা। এই হাইপ্রোফাইল চিকিৎসক দম্পতির অন্দরের এমন কঙ্কালসার চেহারা সামনে আসতেই শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে চিকিৎসক পীযূষ সুদের সঙ্গে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল মীনাক্ষীর। প্রথম দিকে সব ঠিকঠাক থাকলেও, গত কয়েক বছর ধরে তাঁদের সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়। মীনাক্ষীর বাবা প্রমোদবাবু জানিয়েছেন, বিয়ের পর লোন নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলেন মীনাক্ষী এবং নিজের বেতনের টাকা থেকেই সেই ঋণের ইএমআই মেটাচ্ছিলেন তিনি। অন্যদিকে তাঁর স্বামী পীযূষও আড়াই কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছিলেন। তবে অশান্তির মূল কারণ কেবল টাকা-পয়সা ছিল না। মীনাক্ষীর মায়ের অভিযোগ, যে হাসপাতালে পীযূষ কাজ করেন, সেখানকারই এক নার্সের সঙ্গে তাঁর জামাইয়ের অবৈধ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আর এই পরকীয়ার কথা জেনে যাওয়ার পর থেকেই মীনাক্ষীর ওপর নেমে আসত অকথ্য অত্যাচার। প্রায় প্রতিদিন এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি হতো এবং মীনাক্ষীকে নৃশংসভাবে মারধর করা হতো বলে অভিযোগ।স্বামীর এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে শেষ পর্যন্ত চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন মীনাক্ষী। ২০২৩ সাল থেকে তিনি পীযূষের বাড়ি ছেড়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। এমনকি তাঁদের মধ্যে আইনি বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। মীনাক্ষীর মায়ের দাবি, তাঁর মেয়ে মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্ত মনের মানুষ ছিলেন। তিনি কোনো অবস্থাতেই আত্মহত্যা করতে পারেন না। পরকীয়া ও ঋণের জাল আড়াল করতেই মীনাক্ষীকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। এই রহস্যজনক মৃত্যুর পর পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী চিকিৎসক পীযূষ সুদকে আটক করেছে। মীনাক্ষীর মৃত্যুর পেছনে আসল সত্য কী, তা জানতে পীযূষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।
নিজস্ব প্রতিবেদক

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার