Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Pm Narendra Modi: ভাঙতে হবে ক্ষমতার পিরামিড, ব্রিকসের মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রসংঘের সংস্কার ডাক মোদীর

Pm Narendra Modi: ভাঙতে হবে ক্ষমতার পিরামিড, ব্রিকসের মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রসংঘের সংস্কার ডাক মোদীর
নয়াদিল্লি: বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্য রক্ষায় এবার রাষ্ট্রসংঘ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির আমূল সংস্কারের দাবি তুলে গর্জে উঠলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে বিশ্বনেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে মোদী ঘোষণা করলেন, বিশ্বের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মানচিত্রে বড় অংশজুড়ে থাকা ‘গ্লোবাল সাউথ’-কে আর পেছনের সারিতে ফেলে রাখা যাবে না। তাদের এখন বিশ্ব পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল টেবিলে আনতে হবে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) স্থায়ী সদস্যপদে ভারতের অন্তর্ভুক্তি এবং সময়সীমা-ভিত্তিক সংস্কারের জোরদার সওয়াল করার পাশাপাশি নেপালের সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে প্রতিবেশী চিনকেও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিতে দেখা গেল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে।ব্রিকসের সূচনা বক্তব্যেই মোদী সরাসরি আক্রমণ করেন আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারণের বৈষম্যমূলক মানসিকতাকে। তিনি বলেন, “গ্লোবাল সাউথ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সামনের সারিতে বসে থাকলেও, প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা আজও পেছনের সারিতে পড়ে রয়েছে। আমাদের ক্ষমতার এই ‘পিরামিড অফ প্রিভিলেজ’ বা সুবিধাভেদের পিরামিডকে ভেঙে ফেলে একে ‘প্ল্যাটফর্ম অফ পার্টনারশিপ’ বা অংশীদারিত্বের মঞ্চে রূপান্তর করতেই হবে। যেখানে প্রতিটি দেশের নিজস্ব কণ্ঠস্বর থাকবে, প্রতিটি সদস্যের অংশীদারিত্ব থাকবে এবং মানবতার অগ্রগতিই হবে সমস্ত প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি।”বিশ্ব শাসন ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদী একটি ১০ দফা প্রস্তাবের কথা ঘোষণা করেন, যা আগামী দিনে ‘ব্রিকস রিফর্ম রোডম্যাপ’ নামে পরিচিত হবে। মোদীর মতে, এই সংস্কার তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা উচিত। সঠিক প্রতিনিধিত্ব (Representation), সংবেদনশীলতা (Responsibility), এবং নিরপেক্ষ নিয়ম প্রণয়ন (Rule-making)।বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী সর্বোচ্চ মঞ্চ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারে আর এক মুহূর্তও বিলম্ব সহ্য করা হবে না। এই বিষয়ে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে টেক্সট-ভিত্তিক আলোচনা শুরু করতে হবে এবং দ্রুত দৃশ্যমান ফলাফলের দিকে এগোতে হবে।” ভারত যে বিশ্বমঞ্চে আর দ্বিতীয় সারির অংশীদার থাকতে রাজি নয়, স্থায়ী সদস্যপদের কড়া দাবিতে তা আবারও স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) বা বিশ্বব্যাঙ্কের মতো বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির ভোটিং পাওয়ার, নেতৃত্ব এবং নীতি নির্ধারণে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।চলতি সম্মেলনের আবহে আঞ্চলিক ভৌগোলিক স্থিতিশীলতা এবং প্রতিবেশী নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয় পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে চীনের কৌশলগত ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করে সতর্ক বার্তা দেন মোদী। এশীয় অঞ্চল তথা গ্লোবাল সাউথের সার্বিক সুরক্ষায় সদস্য দেশগুলির দায়িত্বশীল আচরণের ওপর জোর দেন তিনি। নয়াদিল্লির এই ব্রিকস সম্মেলন থেকে মোদীর এই তীব্র সংস্কারের ডাক আদতে উন্নত পরাশক্তিদের প্রতি এক জোরালো চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা।হিডেন স্টোরিজ নিউজ 
১ ঘন্টা আগে
SIR : নির্বাচন কমিশনের 'এসআইআর' সতর্কবার্তার মুখে লক্ষ্মণ-মহেশ বাবু-সামান্থারা!

SIR : নির্বাচন কমিশনের 'এসআইআর' সতর্কবার্তার মুখে লক্ষ্মণ-মহেশ বাবু-সামান্থারা!

হায়দরাবাদ: ভোট ভোটার তালিকা সংশোধন ও নাম যাচাইয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এবার ...
১৯ মিনিট আগে
East Bengal : ইস্টবেঙ্গল বনাম ব্রুজো সংঘাত চরমে! দেবব্রত সরকারকে নিশানা প্রাক্তন কোচের

East Bengal : ইস্টবেঙ্গল বনাম ব্রুজো সংঘাত চরমে! দেবব্রত সরকারকে নিশানা প্রাক্তন কোচের

কলকাতা: লাল-হলুদে দীর্ঘ দুই দশকের খরা কাটিয়ে প্রথম আইএসএল এনে দেওয়া স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের সংঘাত এবার প্রকাশ্য। ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার কে সরাসরি নিশানা করে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন প্রাক্তন কোচ। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, পেশাদার কাজের জায়গায় হস্তক্ষেপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অর্থ দিয়ে পরিচালিত ভুয়ো অ্যাকাউন্ট থেকে সুপরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টার দায় দেবব্রতের উপরই চাপিয়েছেন ব্রুজো। অন্যদিকে, প্রাক্তন কোচের এই তোপ প্রসঙ্গে দেবব্রত সরকার কোনও পাল্টা আক্রমণে না গিয়ে কৌশলে তাঁকে ‘অতীত’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছেন।সমর্থকদের উদ্দেশ্যে লেখা দুই পাতার একটি খোলা চিঠিতে ব্রুজো অভিযোগ করেন, ক্লাব ছাড়ার পর থেকেই কিছু অজ্ঞাতপরিচয় অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে তাঁর এবং তাঁর সাপোর্ট স্টাফদের বিরুদ্ধে কুপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই সমস্ত আক্রমণ তাঁর বর্তমান কর্মস্থল। ইন্দোনেশিয়ার ভায়াংকারা প্রেসিসি লামপুং এফসি পর্যন্ত পৌঁছেছে। ব্রুজোর সরাসরি প্রশ্ন, “একটি অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে অন্য ক্লাবের মধ্যে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এসবের নেপথ্যে নীতুদার নেতৃত্বাধীন ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কাজ করছে। নীতুদা বা ক্লাবের যদি এতে ভূমিকা না থাকে, তবে তাঁদের স্পষ্ট অবস্থান জানানো উচিত এবং ইস্টবেঙ্গলের নাম ব্যবহার করে এই আক্রমণ বন্ধের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”ব্রুজো ক্লাবের অভ্যন্তরীণ পরিচালন ব্যবস্থা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত স্বার্থ, লবি ও অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের কারণে ইস্টবেঙ্গলে কাজ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তাঁর আহ্বান, “যাঁরা ক্লাব ছাড়েন, তাঁদের কেন ‘শত্রু’ বানিয়ে দেওয়া হয়? এই বিরোধ বজায় রেখে কার লাভ হচ্ছে, তা সমর্থকদের নীতুদার কাছে জানতে চাওয়া উচিত।”ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাসে কোচের সঙ্গে কর্তাদের, বিশেষ করে দেবব্রত সরকারের এই সংঘাত অবশ্য নতুন কিছু নয়। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্লাব পরিচালনার নেপথ্যে থাকা দেবব্রত সরকারকে ঘিরে অতীতেও একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সুভাষ ভৌমিকের কোচিং জমানায় সাফল্য পেলেও পরবর্তীকালে কর্তাদের সঙ্গে মতভেদে তাঁর বিদায়, ট্রেভর জেমস মরগ্যানের মতো সফল কোচের সঙ্গে মতপার্থক্য কিংবা আলেসান্দ্রো মেনেন্দেস গার্সিয়ার পেশাদার পরিকাঠামো দাবি করা নিয়ে সংঘাতের ইতিহাস মায়াদানের চেনা ছবি। বারবার অভিযোগ উঠেছে, লাল-হলুদ ব্রিগেডে কোনও কোচ প্রশাসনিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বা ব্যক্তিগত কর্তৃত্বের বাইরে কাজ করতে গেলেই ক্লাবের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব ব্যবহার করে কোচের ওপর চাপ তৈরি করা হয়।ব্রুজোর এই বিস্ফোরক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দেবব্রত সরকার বিতর্ক এড়ানোর পথ বেছে নিয়ে বলেছেন, “উনি আমাদের আইএসএল দিয়েছেন। ওঁকে কোচ করে আনার ক্ষেত্রে আমারও ভূমিকা ছিল। আমি কোনও মন্তব্য করে ওঁকে বা নিজেকে বিব্রত করতে চাই না। ব্রুজো এখন ইস্টবেঙ্গলের কাছে অতীত।”এর আগে ‘মাস্টার’ বিতর্ক তুলে অস্কার দাবি করেছিলেন, আইএসএল ফাইনালের আগে ক্লাবের এক কর্মকর্তা তাঁকে বলেছিলেন রেফারি তাঁদের পক্ষেই থাকবেন। সেই বিতর্কের জের কাটতে না কাটতেই এবার সোশাল মিডিয়ায় 'নীতুদা' নাম তুলে স্প্যানিশ কোচের তোপ লাল-হলুদ রাজনীতিকে ফের উত্তপ্ত করে তুলল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
৪ ঘন্টা আগে
 KIFF 2026: চেনা লোগো এবার অতীত! চলচ্চিত্র উৎসবে নতুন নকশার প্রস্তুতি, বদলাতে চলেছে এতদিনের পরিচিত মুখ?

KIFF 2026: চেনা লোগো এবার অতীত! চলচ্চিত্র উৎসবে নতুন নকশার প্রস্তুতি, বদলাতে চলেছে এতদিনের পরিচিত মুখ?

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচিত লোগোয় এবার আসতে চলেছে বদল। ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ৩২তম চলচ্চিত্র উৎসব। চলবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তারই প্রস্তুতি নিয়ে শুক্রবার নন্দনে বিশেষ বৈঠক হয়। সেখানেই উৎসবের নতুন লোগো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পুরনো লোগো আর থাকছে না। তার জায়গায় আসতে চলেছে নতুন নকশা।নতুন লোগো নিয়ে আপাতত দু’টি প্রস্তাব সামনে এসেছে। একটি গেরুয়া রঙের, অন্যটি নানা রঙে তৈরি। মিঠুন চক্রবর্তীও একটি নতুন লোগোর প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত অন্য সদস্যদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোন নকশা বেছে নেওয়া হবে, তা চূড়ান্ত করবেন পরিচালক সন্দীপ রায়। চূড়ান্ত হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে তা প্রকাশ করা হবে। তবে শুধু লোগো নয়, আসন্ন চলচ্চিত্র উৎসবের কমিটি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এবার কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের নেতৃত্বেও থাকছে নতুন সমীকরণ। উৎসবের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব সামলাবেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মুখ্য উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকছেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুক্রবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ ও জিৎ ছাড়াও ছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, সুদেষ্ণা রায়, অঞ্জনা বসু, হরনাথ চট্টোপাধ্যায়, প্রেমেন্দুবিকাশ চাকি-সহ আরও অনেকে। এ বছরের আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে ‘উত্তম পুরস্কার’। মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের তরফে এই বিশেষ পুরস্কার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
২ ঘন্টা আগে
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

হ্যাঁ
না
মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬৭১জন
Health and Wellness: পুজোর আগে রোগা হওয়ার প্ল্যান? পিৎজা খেয়েও ফিগার ঠিক রাখতে মেনে চলুন ৩ নিয়ম!

Health and Wellness: পুজোর আগে রোগা হওয়ার প্ল্যান? পিৎজা খেয়েও ফিগার ঠিক রাখতে মেনে চলুন ৩ নিয়ম!

পিৎজার নাম শুনলেই অনেকেরই মুখে জল চলে আসে। ইতালির এই খাবার এখন ভারতীয়দেরও বেশ পছন্দের। তাই মেনুতেও এসেছে নানা স্বাদের পিৎজা। কিন্তু ওজন কমানোর পরিকল্পনা শুরু হলেই এই প্রিয় খাবারটিই যেন তালিকা থেকে সবার আগে বাদ পড়ে যায়।পুজো যত এগিয়ে আসছে, ততই অনেকে শরীরচর্চা এবং ডায়েট নিয়ে সচেতন হচ্ছেন। রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলতে হচ্ছে। তবে পছন্দের খাবার একেবারে বন্ধ করে দেওয়াই যে একমাত্র উপায়, তা নয়। মাঝে মধ্যে পিৎজা খেতে চাইলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।পিৎজার সঙ্গে সফট ড্রিঙ্ক নয়পিৎজা সঙ্গে ঠান্ডা সফট ড্রিঙ্ক বা অন্য কোনও মিষ্টি পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা আগে বদলান। পিৎজা থেকেই যথেষ্ট ক্যালোরি আসে, তার সঙ্গে সফট ড্রিঙ্ক যোগ হলে ক্যালোরির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।শুধু পিৎজা নয়, সঙ্গে রাখুন স্যালাডনৈশভোজে পিৎজা খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শুধু একের পর এক স্লাইস খেয়ে পেট ভরাবেন না। সঙ্গে ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ স্যালাড রাখুন। আগে স্যালাড খেলে তুলনামূলক দ্রুত পেট ভরা অনুভূতি আসতে পারে। অতিরিক্ত চিজে লাগাম দিনপিৎজার অন্যতম আকর্ষণই হল তার চিজ। কিন্তু ডায়েটের মধ্যে খেতে চাইলে অতিরিক্ত চিজ যোগ করার অভ্যাসটি এড়িয়ে চলাই ভাল। অর্ডার করার সময় এক্সট্রা চিজ় বাদ দিন এবং তুলনামূলক হালকা টপিং বেছে নিতে পারেন।
২১ ঘন্টা আগে
Sumit Roy : শালবনী কাণ্ডে সুমিতের স্বীকারোক্তি! রাজসাক্ষী হওয়ার ইঙ্গিতে অভিষেকের গলায় কি এবার সিআইডি-র ফাঁস?

Sumit Roy : শালবনী কাণ্ডে সুমিতের স্বীকারোক্তি! রাজসাক্ষী হওয়ার ইঙ্গিতে অভিষেকের গলায় কি এবার সিআইডি-র ফাঁস?

মেদিনীপুর: শালবনী সরকারি জমি জালিয়াতি কাণ্ডে তদন্তকারীদের সামনে কোটি কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের নেপথ্যে এক ‘প্রভাবশালী বড় মাথার’ চাঞ্চল্যকর উপস্থিতি দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়। শুধু তা-ই নয়, ওই কোটি কোটি টাকার বিপুল বেআইনি ফান্ড উদ্ধারে সিআইডি-কে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। মেদিনীপুর মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে জমা দেওয়া নথিপত্রে এই বিস্ফোরক তথ্য দাবি করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। স্বাভাবিকভাবেই সুমিতের মুখ খোলার পর ময়দানে জল্পনা তুঙ্গে। তবে কি সুমিতের এই স্বীকারোক্তিই শেষ পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আইনি জালে গ্রেফতারির ফাঁস আরও কষে বসিয়ে দিল?শালবনী থানার অন্তর্গত বিস্তীর্ণ সরকারি জমি বেআইনিভাবে জালিয়াতি ও জাল নথিপত্র তৈরি করে ছোট ছোট প্লটে বিক্রি ও হস্তান্তরের মারাত্মক অভিযোগে মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা-সহ দু’জনকে আগেই সিআইডি গ্রেফতার করেছিল। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, এই বিশাল চক্রে একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার প্রত্যক্ষ মদত ছিল। একই সঙ্গে সুমিত রায়ের সক্রিয় ভূমিকা ও কোটি কোটি টাকার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অকাট্য তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে আসে। এক নামজাদা প্রোমোটার এবং এক প্রভাবশালী হোটেল মালিক-সহ একাধিক ব্যক্তির নাম এখন সিআইডি-র স্ক্যানারে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আইনি রক্ষাকবচ থাকায় ভবানী ভবনে ডেকে সুমিতকে দফায় দফায় জেরা করা হলেও তদন্তে তিনি অসহযোগিতা করছেন বলে অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। গত বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালত তাঁর আইনি রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ার পরই তড়িঘড়ি সুমিতকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। শুক্রবার সকালে ভবানী ভবন থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে মেদিনীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অতনু মণ্ডলের এজলাসে হাজির করানো হয়। সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব সুমিতের অসংলগ্ন বয়ান ও আর্থিক লেনদেনের গভীরে পৌঁছাতে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতের আবেদন জানালে আদালত তা পূর্ণ মঞ্জুর করে।আদালতে সিআইডি দাবি করেছে, জেরা চলাকালীন সুমিত নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকারের পাশাপাশি সাফ জানিয়েছেন যে নির্দেশ আসত অনেক ওপরের ‘বড় নাম’-এর কাছ থেকে। এই টাকা আদতে কার কাছে পৌঁছাত এবং কার নির্দেশে সুমিত এই সমস্ত কাজ পরিচালনা করতেন, তা বের করাই এখন সিআইডি-র মূল লক্ষ্য। শালবনী জমি কাণ্ড ছাড়াও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ও তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত আর্থিক মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর স্ক্যানারেও ছিলেন সুমিত।আইনি মহলের মতে, সিআইডি-র জমা দেওয়া নথিতে সুমিতের এই স্বীকারোক্তি এবং 'টাকা উদ্ধারে সাহায্যের’ আশ্বাস আদতে সুমিতের রাজসাক্ষী হওয়ার সলতে পাকানোর নির্দেশক। আর সুমিত যদি সত্যিই 'বড় নাম'-এর তথ্য প্রকাশ্যে এনে টাকা উদ্ধারে সাহায্য করেন, তবে অভিষেকের ক্যামাট স্ট্রিটের অফিস ও তাঁর চারপাশের রাজনৈতিক বৃত্তে সিআইডি-র তদন্তের আঁচ এবং চূড়ান্ত বিপদের ফাঁস যে কয়েক গুণ শক্ত হলো, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
এখনই
TMC : প্রতীক যুদ্ধে আজ কমিশনের দরবারে দুই তৃণমূল! নন্দীগ্রামে প্রার্থী খুঁজতেই কালঘাম জোড়াফুলের

TMC : প্রতীক যুদ্ধে আজ কমিশনের দরবারে দুই তৃণমূল! নন্দীগ্রামে প্রার্থী খুঁজতেই কালঘাম জোড়াফুলের

এখনই
SIR : নির্বাচন কমিশনের 'এসআইআর' সতর্কবার্তার মুখে লক্ষ্মণ-মহেশ বাবু-সামান্থারা!

SIR : নির্বাচন কমিশনের 'এসআইআর' সতর্কবার্তার মুখে লক্ষ্মণ-মহেশ বাবু-সামান্থারা!

হায়দরাবাদ: ভোট ভোটার তালিকা সংশোধন ও নাম যাচাইয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এবার সমান খড়্গ নেমে এলো সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের অতি-বিশিষ্ট ব্যক্তিদের (VIP) ওপর। হায়দরাবাদের বিলাসবহুল জুবিলি হিলস এলাকার বাসিন্দা একের পর এক তারকা ক্রিকেটার, অভিনেতা, পরিচালক এবং শিল্পপতিকে স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার আওতায় নোটিস পাঠালো তেলেঙ্গানার নির্বাচন কমিশন। তালিকায় প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণ, মিতালি রাজ থেকে শুরু করে সুপারস্টার মহেশ বাবু, সামান্থা রুথ প্রভু, চিত্রপরিচালক এস এস রাজামৌলি কিংবা ব্যাডমিন্টন গুরু পুলেল্লা গোপীচান্দের মতো খ্যাতনামা ব্যক্তিরা রয়েছেন।তেলেঙ্গানার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম বা বাবা-মায়ের নামের বানানে অসঙ্গতি, ঠিকানা পরিবর্তন অথবা ২০০৪ সালের পূর্ববর্তী এসআইআর তালিকার সঙ্গে পুরনো তথ্য না মেলার (Unmapped Data) কারণেই এই প্রশাসনিক নোটিশ জারি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্র অনুযায়ী, ভিভিএস লক্ষ্মণ ও অভিনেত্রী সামান্থার ক্ষেত্রে বানানের গরমিল ধরা পড়েছে। আবার 'বাহুবলী' খ্যাত পরিচালক এস এস রাজামৌলি এবং প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেট অধিনায়ক মিতালি রাজের নাম পুরনো নথির সঙ্গে ম্যাপিং না হওয়ায় নোটিশ জারি হয়েছে। এছাড়া তালিকায় স্থান পেয়েছেন অভিনেতা ভেঙ্কটেশ দাগ্গুবাটি, বিজয় দেবরাকোন্ডা, ব্যাডমিন্টন তারকা সাইনা নেহওয়াল, পারুপল্লি কাশ্যপ, অ্যাপোলোর উপাসনা কোনিডেলা এবং প্রখ্যাত ফার্মা ট্রাইকুন মুরালি কৃষ্ণা ডিবির মতো ব্যক্তিত্বরা।বিষয়টি সামনে আসতেই জল্পনা তুঙ্গে উঠলে হায়দরাবাদের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) আর ভি কর্নন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এটি কোনও অপরাধমূলক নোটিশ নয়, বরং ভোটার তালিকা নিখুঁত করার এক সাধারণ আইনি প্রক্রিয়া। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে নোটিস প্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে নামের ভুল বা অসঙ্গতি সংশোধন করে নিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, “তারকাদের ব্যস্ত সূচির কথা মাথায় রেখে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য তারকাদের সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না; তাঁদের হয়ে পরিবারের প্রতিনিধি বা অনুমোদিত ব্যক্তি নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তার (ERO) কাছে কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।”ভোটার তালিকার এই বিশাল সংস্কার অভিযান কেবল তেলেঙ্গানাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ২০১৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা বিভাজনের পর এই প্রথম প্রায় ৩.৩ কোটি ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের এত বড় উদ্যোগ শুরু হয়েছে, যার মধ্যে কেবল হায়দরাবাদেই সাড়ে ১২ লক্ষেরও বেশি নাগরিককে ফর্ম দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের এসআইআর সংশোধন ড্রাইভ চলছে পার্শ্ববর্তী কর্ণাটকেও। সেখানে বেঙ্গালুরু দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে ইনফোসিস সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানি এবং জেরোধা (Zerodha) প্রতিষ্ঠাতা নিখিল ও নিখিন কামাথকেও বাবা-মায়ের নামের ভুল বা আনম্যাপড ক্যাটগরিতে একই ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নোটিশ পাওয়ার অর্থ এই নয় যে কারও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বা ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। এটি স্রেফ তথ্য সংশোধনের একটি ধাপ। আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় দাবি ও আপত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলবে এবং আগামী ৯ নভেম্বর রাজ্যজুড়ে চূড়ান্ত নিখুঁত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
১৯ মিনিট আগে
Harmanpreet Kaur: ব্যাকফ্লিপ মেরে হরমনপ্রীতের অভাবনীয় ক্যাচ! সোশাল মিডিয়ার ভিডিও কি আদৌ সত্যি ?

Harmanpreet Kaur: ব্যাকফ্লিপ মেরে হরমনপ্রীতের অভাবনীয় ক্যাচ! সোশাল মিডিয়ার ভিডিও কি আদৌ সত্যি ?

মুম্বই: সোশ্যাল মিডিয়ার পাতা খুললেই আজকাল এমন কিছু ভেসে ওঠে যা দেখে চোখে সর্ষে ফুল দেখতে হয়। সম্প্রতি নেটিজেনদের চোখ ছানাবড়া করে দিয়েছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউরের একটি ক্যাচের ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বাউন্ডারি লাইনের দিকে ছুটতে ছুটতে শূন্যে লাফিয়ে, শূন্যেই অলৌকিক ব্যাকফ্লিপ বা ‘সমারসল্ট’ মেরে এক অসম্ভব ক্যাচ তালুবন্দি করছেন হরমনপ্রীত! অবিশ্বাস্য এই ভিডিওটি সামনে আসতেই মুহূর্তের মধ্যে তা দাবানলের মতো ভাইরাল হয়ে যায়। ক্রিকেটপ্রেমী থেকে শুরু করে নেটিজেনদের একাংশ এই ‘অভাবনীয়’ ক্যাচ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, হরমনপ্রীত কউরের এই ক্যাচের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি কি সত্যি, নাকি এর নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনো সত্য?অনুসন্ধানে নেমে সত্যটা সামনে আসতেই ভেঙেছে ভুল। ভিডিওটি ১০০ শতাংশ ভুয়ো এবং এআই (Artificial Intelligence) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা এক ডিপফেক (Deepfake) ভিডিও। সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমীদের বিনোদনের খাতিরে কেউ এটি পোস্ট করলেও, অজান্তেই সাধারণ মানুষ এটিকে সত্যি বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন।বর্তমান ডিজিটাল যুগে ডিপফেক প্রযুক্তি এক মারাত্মক আশঙ্কার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সেলিব্রিটি ও পরিচিত মুখেরা প্রায়শই এর শিকার হচ্ছেন। মানুষের মুখমণ্ডল ও গলার আওয়াজ হুবহু নকল করে এভাবে কাল্পনিক ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে, যা আসল আর নকলের সূক্ষ্ম ফারাককে মুছে দিচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্রেফ বিনোদনের জন্য এগুলো তৈরি হলেও, অনেক সময়ই অপপ্রচার, কারোর সুনাম নষ্ট করা বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার হচ্ছে।নিজের ছবি ও ডেটা ডিপফেক থেকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?ডিজিটাল দুনিয়ায় এই ডিপফেক জালিয়াতি থেকে ১০০ শতাংশ রেহাই পাওয়ার কোনো জাদুকাঠি না থাকলেও, কিছু নিয়ম মেনে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব:সোশ্যাল মিডিয়ার প্রাইভেসি: সামাজিক মাধ্যমে নিজের বা পরিবারের ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও যত্রতত্র পোস্ট করা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস সবচেয়ে শক্তপোক্ত রাখুন।শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার: ডিজিটাল অ্যাকাউন্টগুলির নিরাপত্তার জন্য কঠিন ও ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, যাতে কোনো হ্যাকার আপনার মিডিয়া ফাইল সহজে হাতিয়ে নিতে না পারে।অ্যান্টিভাইরাস ও সাইবার সুরক্ষা: ডিভাইস সুরক্ষায় ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন, যা ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে ফোনের বা কম্পিউটারের ডেটা চুরি আটকাবে।সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণ: সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ভিডিও দৃশ্যত ‘অবিশ্বাস্য’ বা অতিরিক্ত নিখুঁত মনে হলে তা সত্যি বলে বিশ্বাস করার আগে যাচাই করুন এবং শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।ওয়াটারমার্ক ও মেটাডেটা: নিজের ছবি বা ভিডিওতে ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যোগ করুন এবং ফাইল মেটাডেটায় মালিকানার তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত করে রাখুন, যা অপব্যবহার রোধে আইনি ঢাল হিসেবে কাজ করতে পারে।সব মিলিয়ে হরমনপ্রীতের ক্যাচটি যতই রোমাঞ্চকর লাগুক না কেন, তা কেবল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার খেল মাত্র। তাই সোশাল মিডিয়ায় চোখ বুজে সবকিছু বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে নেওয়াটাই এখন সবথেকে বড় বুদ্ধিমানের কাজ।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
এখনই
Social Media Trap:‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেব!’ দিল্লি থেকে বিহারে ডেকে ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণ, জালে এসএসবি জওয়ান

Social Media Trap:‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেব!’ দিল্লি থেকে বিহারে ডেকে ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণ, জালে এসএসবি জওয়ান

মুজফফরপুর: সমাজমাধ্যমে রিলে লাইক আর ফলোয়ার বাড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে দিল্লির এক তরুণী ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণের মারাত্মক অভিযোগ উঠল সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) এক এএসআই-এর বিরুদ্ধে। শুধু ধর্ষণই নয়, সেই নারকীয় ঘটনার গোপন ভিডিও তুলে তরুণীকে লাগাতার ব্ল্যাকমেল করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং মুখ খুললে দু’বছরের সন্তানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত এসএসবি এএসআই বিকাশ কুমার এবং তাঁর সহযোগী রাজীব রাইয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ ও এসএসবি সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা।দিল্লির বাসিন্দা ওই তরুণীর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার সূত্র ধরেই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় মুজফফরপুরে কর্মরত এএসআই বিকাশ কুমারের। বিকাশ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিল, আকর্ষণীয় রিল তৈরি এবং ডিজিটাল কৌশলের মাধ্যমে তাঁর সমাজমাধ্যমের অনুগামীর সংখ্যা হু হু করে বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে সে। সেই সূত্রেই পেশাগত আলোচনার নাম করে তরুণীকে বিহারে আসার প্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত। আশ্বাস পেয়ে নিজের মাত্র দু’বছরের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে গত বছর দিল্লি থেকে মুজফফরপুরে পৌঁছান ওই তরুণী এবং স্টেশন রোডের একটি হোটেলে ওঠেন। অভিযোগ, সেখানেই ছক কষে তাঁকে একা পেয়ে প্রথমে এএসআইয়ের সঙ্গী রাজীব রাই ধর্ষণ করে এবং পুরো কুকীর্তির ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করে রাখে। এরপর সেই আপত্তিকর ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীর থেকে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এর কিছু পরই সেই ভিডিও এবং কোলের শিশুকে খুনের হুমকি দেখিয়ে তরুণীকে বিকাশ কুমারের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন নির্যাতিতা।ঘটনার পর কোনওমতে দিল্লি ফিরে গিয়ে এসএসবি সদর দপ্তরে অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। পরে সশস্ত্র সীমা বলের তলবে গিয়ে বয়ানও রেকর্ড করান। কিন্তু এর পর থেকেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাঁর ওপর লাগাতার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এদিকে মুজফফরপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগের গভীরতা বুঝে এসএসবি কর্তৃপক্ষও ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত চলাকালীন জানা গিয়েছে, কেবল এই তরুণীই নন, অভিযুক্ত এএসআই বিকাশের বিরুদ্ধে এর আগেও অন্তত আরও দুই তরুণীকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে, যা গোটা বাহিনীতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
নিজস্ব প্রতিবেদক