Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মাঠে ফুটবল, টিভিতে বিজ্ঞাপন! আমেরিকার ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে রেগে আগুন স্কালোনি-টুখেলরা, সাফাই গাইলেন ইনফানতিনো

মাঠে ফুটবল, টিভিতে বিজ্ঞাপন! আমেরিকার ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে রেগে আগুন স্কালোনি-টুখেলরা, সাফাই গাইলেন ইনফানতিনো
ফাইল ছবি

নিউ ইয়র্ক: ফুটবল কি তবে তার চিরাচরিত কৌলিন্য হারিয়ে আমেরিকান বাস্কেটবল বা রাগবির মতো বিজ্ঞাপনী ব্যবসার হাতিয়ার হয়ে উঠছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ পা রাখতেই এই চরম বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌজন্যে—ম্যাচের মাঝে বাধ্যতামূলক ‘হাইড্রেশন ব্রেক’। 


ফুটবলের ৯০ মিনিটের যে নিজস্ব রোমান্টিকতা এবং গতি রয়েছে, অভিযোগ উঠছে যে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নামক শব্দের আড়ালে আর্থিক ঝনঝনানি আর কর্পোরেট মুনাফার চাপে তা একেবারে ধামাচাপা পড়ে গিয়েছে। খেলা বন্ধ হতেই মাঠের উত্তেজনার বদলে দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে উঠছে মার্কিন বিজ্ঞাপনের পসার, যা নিয়ে এবার ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিশ্বখ্যাত কোচেরা।


ফুটবলে বাস্কেটবল, আমেরিকান ফুটবল কিংবা ক্রিকেটের মতো বারবার স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউটের কোনো সুযোগ থাকে না। কিন্তু আমেরিকার এই ‘হাইড্রেশন ব্রেক’-এর চক্করে পড়ে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হচ্ছে বলে সোচ্চার হয়েছেন খোদ বিশ্বজয়ী আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। 


অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, এই হাইড্রেশন ব্রেকের কোনো অর্থই হয় না। যখন প্রতিপক্ষকে দল চেপে ধরছে, ঠিক সেই গতিময় মোমেন্টাম নষ্ট করে প্রতিপক্ষ এই ব্রেকের অন্যায্য সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুহেলও কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন এই নিয়মের বিরুদ্ধে। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এই হাইড্রেশন ব্রেক যেভাবে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দকে মাঠের মধ্যেই গলা টিপে হত্যা করছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।


২১ জুলাই নিয়ে কলকাতা পুলিশের বার্তা, কী বললেন সিপি?


বিশ্বকাপের মাঝেই চারিদিকে যখন এই বাণিজ্যকরণ নিয়ে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, তখন বাধ্য হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলেছেন খোদ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফানতিনো। তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে সাফাই গেয়েছেন যে, এই হাইড্রেশন ব্রেকের বিজ্ঞাপন থেকে ফিফা নাকি অতিরিক্ত কোনো অর্থ পকেটে পুরছে না। 


কিন্তু ফুটবল বিশেষজ্ঞদের দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। এবারের বিশ্বকাপকে আমেরিকা আর ফিফা হাত ধরাধরি করে আর্থিক মুনাফা ঘরে তোলার এক বিশাল বৈশ্বিক মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছে, যেখানে সর্বত্র শুধু ডলারের খেলা। আর সেখানে ফুটবল নামক কোটি কোটি মানুষের আবেগ ও ধর্মকে জোর করে বিজ্ঞাপনী মোড়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলায় ফুটবল ভক্তদের ক্ষোভের আগুন যে আরও জ্বলবে, তা বলাই বাহুল্য।

বিষয় : footballbuisness hydrationbreak fifa lionelscaloni

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


মাঠে ফুটবল, টিভিতে বিজ্ঞাপন! আমেরিকার ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে রেগে আগুন স্কালোনি-টুখেলরা, সাফাই গাইলেন ইনফানতিনো

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image
নিউ ইয়র্ক: ফুটবল কি তবে তার চিরাচরিত কৌলিন্য হারিয়ে আমেরিকান বাস্কেটবল বা রাগবির মতো বিজ্ঞাপনী ব্যবসার হাতিয়ার হয়ে উঠছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ পা রাখতেই এই চরম বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌজন্যে—ম্যাচের মাঝে বাধ্যতামূলক ‘হাইড্রেশন ব্রেক’। ফুটবলের ৯০ মিনিটের যে নিজস্ব রোমান্টিকতা এবং গতি রয়েছে, অভিযোগ উঠছে যে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নামক শব্দের আড়ালে আর্থিক ঝনঝনানি আর কর্পোরেট মুনাফার চাপে তা একেবারে ধামাচাপা পড়ে গিয়েছে। খেলা বন্ধ হতেই মাঠের উত্তেজনার বদলে দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে উঠছে মার্কিন বিজ্ঞাপনের পসার, যা নিয়ে এবার ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিশ্বখ্যাত কোচেরা।ফুটবলে বাস্কেটবল, আমেরিকান ফুটবল কিংবা ক্রিকেটের মতো বারবার স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউটের কোনো সুযোগ থাকে না। কিন্তু আমেরিকার এই ‘হাইড্রেশন ব্রেক’-এর চক্করে পড়ে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হচ্ছে বলে সোচ্চার হয়েছেন খোদ বিশ্বজয়ী আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, এই হাইড্রেশন ব্রেকের কোনো অর্থই হয় না। যখন প্রতিপক্ষকে দল চেপে ধরছে, ঠিক সেই গতিময় মোমেন্টাম নষ্ট করে প্রতিপক্ষ এই ব্রেকের অন্যায্য সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুহেলও কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন এই নিয়মের বিরুদ্ধে। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এই হাইড্রেশন ব্রেক যেভাবে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দকে মাঠের মধ্যেই গলা টিপে হত্যা করছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।২১ জুলাই নিয়ে কলকাতা পুলিশের বার্তা, কী বললেন সিপি?বিশ্বকাপের মাঝেই চারিদিকে যখন এই বাণিজ্যকরণ নিয়ে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, তখন বাধ্য হয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলেছেন খোদ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফানতিনো। তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে সাফাই গেয়েছেন যে, এই হাইড্রেশন ব্রেকের বিজ্ঞাপন থেকে ফিফা নাকি অতিরিক্ত কোনো অর্থ পকেটে পুরছে না। কিন্তু ফুটবল বিশেষজ্ঞদের দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। এবারের বিশ্বকাপকে আমেরিকা আর ফিফা হাত ধরাধরি করে আর্থিক মুনাফা ঘরে তোলার এক বিশাল বৈশ্বিক মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছে, যেখানে সর্বত্র শুধু ডলারের খেলা। আর সেখানে ফুটবল নামক কোটি কোটি মানুষের আবেগ ও ধর্মকে জোর করে বিজ্ঞাপনী মোড়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলায় ফুটবল ভক্তদের ক্ষোভের আগুন যে আরও জ্বলবে, তা বলাই বাহুল্য।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার