Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সরকারি নথিতে 'মৃত' দেখিয়ে দু'বছর ধরে বন্ধ প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রশাসনের দ্বারে অসহায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
সরকারি নথিতে 'মৃত' দেখিয়ে দু'বছর ধরে বন্ধ প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রশাসনের দ্বারে অসহায় পরিবার
ছবি সংগৃহীত

সরকারি নথির এক মারাত্মক ভুলে চরম দুর্ভোগের মুখে নদিয়ার এক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন যুবক ও তাঁর পরিবার। জীবিত থাকা সত্ত্বেও সরকারি খাতায় তাঁকে 'মৃত' দেখানো হয়েছে, আর সেই কারণেই গত দু'বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে তাঁর প্রতিবন্ধী ভাতা। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের সত্যনগর এলাকার। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যনগরের বাসিন্দা অশোক বিশ্বাস ও সুষমা বিশ্বাসের একমাত্র ছেলে রাজকুমার বিশ্বাস জন্ম থেকেই ১০০ শতাংশ বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন। পরিবারের দাবি, রাজকুমার সম্পূর্ণ জীবিত, এমনকি ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে এবং তিনি ভোটও দিয়েছেন। 


কিন্তু সরকারি নথিতে ভুলবশত তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে। সেই ভুলের জেরেই দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে তাঁর প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা। ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। বয়সের ভারে বাবা অশোক বিশ্বাস আর আগের মতো দিনমজুরের কাজ করতে পারেন না। সংসার চালানোর পাশাপাশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ছেলের চিকিৎসা ও দেখভালের খরচ বহন করাও তাঁদের পক্ষে ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে।

১১২ হেল্পলাইন, দুর্গা স্কোয়াড, মহিলা হেল্প ডেস্ক - নারী নিরাপত্তায় একগুচ্ছ বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর


পরিবারের অভিযোগ, সমস্যার সমাধানের আশায় তাঁরা একাধিকবার কৃষ্ণগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে গিয়েছেন। প্রতিবারই প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি রাজকুমারের লাইফ সার্টিফিকেটও প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। 


তবুও আজ পর্যন্ত সরকারি নথির ভুল সংশোধন হয়নি, ফের চালু হয়নি প্রতিবন্ধী ভাতাও। এ বিষয়ে কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী কাকলি দাসের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তিনি ক্যামেরার সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। এখন পরিবারের একটাই দাবি, যত দ্রুত সম্ভব সরকারি নথির ভুল সংশোধন করে রাজকুমার বিশ্বাসের প্রতিবন্ধী ভাতা পুনরায় চালু করা হোক।

বিষয় : WestBengalNews NadiaNews KRISHNAGANJ DISABITYPENSION GOVERNMENTERROR

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


সরকারি নথিতে 'মৃত' দেখিয়ে দু'বছর ধরে বন্ধ প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রশাসনের দ্বারে অসহায় পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
সরকারি নথির এক মারাত্মক ভুলে চরম দুর্ভোগের মুখে নদিয়ার এক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন যুবক ও তাঁর পরিবার। জীবিত থাকা সত্ত্বেও সরকারি খাতায় তাঁকে 'মৃত' দেখানো হয়েছে, আর সেই কারণেই গত দু'বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে তাঁর প্রতিবন্ধী ভাতা। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের সত্যনগর এলাকার। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সত্যনগরের বাসিন্দা অশোক বিশ্বাস ও সুষমা বিশ্বাসের একমাত্র ছেলে রাজকুমার বিশ্বাস জন্ম থেকেই ১০০ শতাংশ বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন। পরিবারের দাবি, রাজকুমার সম্পূর্ণ জীবিত, এমনকি ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে এবং তিনি ভোটও দিয়েছেন। কিন্তু সরকারি নথিতে ভুলবশত তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে। সেই ভুলের জেরেই দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে তাঁর প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা। ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। বয়সের ভারে বাবা অশোক বিশ্বাস আর আগের মতো দিনমজুরের কাজ করতে পারেন না। সংসার চালানোর পাশাপাশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ছেলের চিকিৎসা ও দেখভালের খরচ বহন করাও তাঁদের পক্ষে ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে।১১২ হেল্পলাইন, দুর্গা স্কোয়াড, মহিলা হেল্প ডেস্ক - নারী নিরাপত্তায় একগুচ্ছ বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরপরিবারের অভিযোগ, সমস্যার সমাধানের আশায় তাঁরা একাধিকবার কৃষ্ণগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত সমিতির দপ্তরে গিয়েছেন। প্রতিবারই প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি রাজকুমারের লাইফ সার্টিফিকেটও প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবুও আজ পর্যন্ত সরকারি নথির ভুল সংশোধন হয়নি, ফের চালু হয়নি প্রতিবন্ধী ভাতাও। এ বিষয়ে কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী কাকলি দাসের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তিনি ক্যামেরার সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। এখন পরিবারের একটাই দাবি, যত দ্রুত সম্ভব সরকারি নথির ভুল সংশোধন করে রাজকুমার বিশ্বাসের প্রতিবন্ধী ভাতা পুনরায় চালু করা হোক।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার