Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘মাস্টারমাইন্ড অভিষেক, সব জানতেন মমতাও!’ পালাবদল হতেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক বোমা ফাটালেন তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
‘মাস্টারমাইন্ড অভিষেক, সব জানতেন মমতাও!’ পালাবদল হতেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক বোমা ফাটালেন তাপস
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক মোড়। এতদিনের আড়ালে থাকা ‘সাহেব’ আদতে কে, তা নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুললেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তথা জামিনে মুক্ত মিডলম্যান তাপস মণ্ডল। একটি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি সরাসরি দাবি করেছেন, গোটা নিয়োগ দুর্নীতির আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! শুধু তাই নয়, রাজ্যের এই বৃহত্তম কেলেঙ্কারির সমস্ত খতিয়ান তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রথম থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তাপস মণ্ডলের এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।

জুলাইয়ের শুরুতেই ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর দুর্যোগ!

বিগত কয়েক বছর ধরে চলা এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক হেভিওয়েট ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক গ্রেপ্তার হলেও, পর্দার পিছনের আসল মাথা কে—তা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। তদন্তে বারবার ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মুখে এক ‘সাহেবে’র নাম শোনা গেলেও এতদিন সরাসরি কেউ সেই নাম নেননি। তবে এবার তাপস মণ্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সুজয়কৃষ্ণের সেই ‘সাহেব’ আর কেউ নন, স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের দাবির সপক্ষে তাপস জানান, তিনি নিজে নগদ ১৯ কোটি টাকারও বেশি দিয়েছিলেন এবং তার একটি নিখুঁত ডায়েরি মেনটেন করতেন। তাঁর অভিযোগ, টাকা দিতে সামান্য দেরি হলেই উপরমহল থেকে ভেরিফিকেশন আটকে দেওয়া হতো। ‘কালীঘাটের কাকু’ তখন বলতেন যে, ‘সাহেব’ টাকার জন্য প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছেন। এরপর কুন্তল ঘোষের মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছে যেত সুজয়কৃষ্ণের কাছে, যার আসল গন্তব্য ছিল অভিষেকের তহবিল।


মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিপুল দুর্নীতির কথা জানতেন না, এটা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন তাপস মণ্ডল। তাঁর সাফ কথা, এত বড় একটি দুর্নীতি শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত ছাড়া বছরের পর বছর ধরে চলতে পারে না। এর পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবিলম্বে গ্রেপ্তারি দাবি করার পাশাপাশি অভিনেত্রী তথা নেত্রী সায়নী ঘোষকে নিয়েও এক নতুন জল্পনা উস্কে দিয়েছেন তিনি। তাপসের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি সায়নী ঘোষকে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট উপহার দিয়েছিলেন, যদিও সেই ফ্ল্যাটটি ঠিক কোথায় অবস্থিত, তা তাঁর জানা নেই। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলার তদন্তে এই প্রথম কোনো অভিযুক্ত সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের নাম নিয়ে এমন দাবি করায়, আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক জল কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার।

বিষয় : BengalPolitics MAMATABANERJEE abhisekbanerjee RECRUITMENTSCAM tapasmondal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


‘মাস্টারমাইন্ড অভিষেক, সব জানতেন মমতাও!’ পালাবদল হতেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক বোমা ফাটালেন তাপস

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক মোড়। এতদিনের আড়ালে থাকা ‘সাহেব’ আদতে কে, তা নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুললেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তথা জামিনে মুক্ত মিডলম্যান তাপস মণ্ডল। একটি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি সরাসরি দাবি করেছেন, গোটা নিয়োগ দুর্নীতির আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! শুধু তাই নয়, রাজ্যের এই বৃহত্তম কেলেঙ্কারির সমস্ত খতিয়ান তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রথম থেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তাপস মণ্ডলের এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।জুলাইয়ের শুরুতেই ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর দুর্যোগ!বিগত কয়েক বছর ধরে চলা এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক হেভিওয়েট ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক গ্রেপ্তার হলেও, পর্দার পিছনের আসল মাথা কে—তা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। তদন্তে বারবার ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মুখে এক ‘সাহেবে’র নাম শোনা গেলেও এতদিন সরাসরি কেউ সেই নাম নেননি। তবে এবার তাপস মণ্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সুজয়কৃষ্ণের সেই ‘সাহেব’ আর কেউ নন, স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের দাবির সপক্ষে তাপস জানান, তিনি নিজে নগদ ১৯ কোটি টাকারও বেশি দিয়েছিলেন এবং তার একটি নিখুঁত ডায়েরি মেনটেন করতেন। তাঁর অভিযোগ, টাকা দিতে সামান্য দেরি হলেই উপরমহল থেকে ভেরিফিকেশন আটকে দেওয়া হতো। ‘কালীঘাটের কাকু’ তখন বলতেন যে, ‘সাহেব’ টাকার জন্য প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছেন। এরপর কুন্তল ঘোষের মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছে যেত সুজয়কৃষ্ণের কাছে, যার আসল গন্তব্য ছিল অভিষেকের তহবিল।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিপুল দুর্নীতির কথা জানতেন না, এটা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন তাপস মণ্ডল। তাঁর সাফ কথা, এত বড় একটি দুর্নীতি শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত ছাড়া বছরের পর বছর ধরে চলতে পারে না। এর পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবিলম্বে গ্রেপ্তারি দাবি করার পাশাপাশি অভিনেত্রী তথা নেত্রী সায়নী ঘোষকে নিয়েও এক নতুন জল্পনা উস্কে দিয়েছেন তিনি। তাপসের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি সায়নী ঘোষকে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট উপহার দিয়েছিলেন, যদিও সেই ফ্ল্যাটটি ঠিক কোথায় অবস্থিত, তা তাঁর জানা নেই। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলার তদন্তে এই প্রথম কোনো অভিযুক্ত সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের নাম নিয়ে এমন দাবি করায়, আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক জল কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার