Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রক্ষকই ভক্ষক! কম্পিউটার ক্লাস থেকে ফেরার পথে কলেজছাত্রীকে চরম হেনস্থা, ধরা পড়ল খোদ পুলিশ কনস্টেবল

রক্ষকই ভক্ষক! কম্পিউটার ক্লাস থেকে ফেরার পথে কলেজছাত্রীকে চরম হেনস্থা, ধরা পড়ল খোদ পুলিশ কনস্টেবল
ছবি--প্রতীকী

মেদিনীপুর: কম্পিউটার ক্লাস শেষে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এক কলেজছাত্রী। কিন্তু রাস্তার অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাঁর পথ আটকে দাঁড়ালেন এক ব্যক্তি এবং শুরু করলেন চরম অশালীন আচরণ ও শারীরিক হেনস্থা। তরুণীর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে অভিযুক্তকে ধরে ফেলতেই চড়ল বিস্ময়ের পারদ। জানা গেল, ধৃত ব্যক্তি আর কেউ নন— খোদ তমলুক পুলিশ লাইনে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবল! পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থানার এই হাড়হিম করা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জেলাজুড়ে। সোমবার অভিযুক্তকে মেদিনীপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় পিংলার বাসিন্দা ওই কলেজছাত্রী যখন সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই নির্জন রাস্তার অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাঁর পথ আটকায় ওই ব্যক্তি। তরুণীর ওপর চড়াও হয়ে অভব্যতা শুরু করতেই তিনি চিৎকার করে ওঠেন। তাঁর চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং আটকে রাখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এলাকার বিধায়িকা স্বাগতা মান্না।


 ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয় পুলিশের পরিচয়পত্র, উর্দি এবং কিছু ওষুধপত্র। জানা যায়, অভিযুক্তের বাড়ি পিংলা থানা এলাকাতেই এবং সে তমলুক পুলিশ লাইনে কর্মরত। পরিচয় জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। বিধায়িকা স্বাগতা মান্না নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে পিংলা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন এবং সাফ জানান, অপরাধী পুলিশ হোক বা সাধারণ মানুষ, কোনো রেয়াত করা হবে না; দোষ প্রমাণিত হলে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে।


দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে পুজো ও প্রার্থনা শিশির অধিকারীর


সোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ধৃত পুলিশকর্মীকে মেদিনীপুর জেলা আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং খাগড়া চটি বা কোনো বড় চক্র জড়িয়ে রয়েছে কি না তা জানতে ধৃতের হেফাজত চাওয়া হয়। বিচারক সব শুনে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনা খবরের শিরোনামে আসতেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের একাংশের নৈতিকতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। খোদ খাকি উর্দির আড়ালে থাকা এক ব্যক্তির এমন পৈশাচিক মানসিকতার জেরে ক্ষুব্ধ মেদিনীপুরের আপামর জনতা।

বিষয় : WOMENSAFETY bengalcrime POLICECONSTABLEARRESTED MEDINIPURCOURT

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


রক্ষকই ভক্ষক! কম্পিউটার ক্লাস থেকে ফেরার পথে কলেজছাত্রীকে চরম হেনস্থা, ধরা পড়ল খোদ পুলিশ কনস্টেবল

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image
মেদিনীপুর: কম্পিউটার ক্লাস শেষে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এক কলেজছাত্রী। কিন্তু রাস্তার অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাঁর পথ আটকে দাঁড়ালেন এক ব্যক্তি এবং শুরু করলেন চরম অশালীন আচরণ ও শারীরিক হেনস্থা। তরুণীর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে অভিযুক্তকে ধরে ফেলতেই চড়ল বিস্ময়ের পারদ। জানা গেল, ধৃত ব্যক্তি আর কেউ নন— খোদ তমলুক পুলিশ লাইনে কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবল! পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থানার এই হাড়হিম করা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জেলাজুড়ে। সোমবার অভিযুক্তকে মেদিনীপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় পিংলার বাসিন্দা ওই কলেজছাত্রী যখন সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই নির্জন রাস্তার অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাঁর পথ আটকায় ওই ব্যক্তি। তরুণীর ওপর চড়াও হয়ে অভব্যতা শুরু করতেই তিনি চিৎকার করে ওঠেন। তাঁর চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং আটকে রাখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এলাকার বিধায়িকা স্বাগতা মান্না। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয় পুলিশের পরিচয়পত্র, উর্দি এবং কিছু ওষুধপত্র। জানা যায়, অভিযুক্তের বাড়ি পিংলা থানা এলাকাতেই এবং সে তমলুক পুলিশ লাইনে কর্মরত। পরিচয় জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। বিধায়িকা স্বাগতা মান্না নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে পিংলা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন এবং সাফ জানান, অপরাধী পুলিশ হোক বা সাধারণ মানুষ, কোনো রেয়াত করা হবে না; দোষ প্রমাণিত হলে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে।দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে পুজো ও প্রার্থনা শিশির অধিকারীরসোমবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ধৃত পুলিশকর্মীকে মেদিনীপুর জেলা আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং খাগড়া চটি বা কোনো বড় চক্র জড়িয়ে রয়েছে কি না তা জানতে ধৃতের হেফাজত চাওয়া হয়। বিচারক সব শুনে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনা খবরের শিরোনামে আসতেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের একাংশের নৈতিকতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। খোদ খাকি উর্দির আড়ালে থাকা এক ব্যক্তির এমন পৈশাচিক মানসিকতার জেরে ক্ষুব্ধ মেদিনীপুরের আপামর জনতা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার