Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গুন্ডা দমনে কড়া আইন আনছে রাজ্য! বিধানসভায় পেশ হচ্ছে নতুন জন নিরাপত্তা বিল

গুন্ডা দমনে কড়া আইন আনছে রাজ্য! বিধানসভায় পেশ হচ্ছে নতুন জন নিরাপত্তা বিল
এ আই নির্মিত ছবি

রাজ্যে সংগঠিত অপরাধ, তোলাবাজি ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আরও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে সরকার। সোমবার বিধানসভায় পেশ হতে চলেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ জন নিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬’। পাশাপাশি ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেনেন্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিল-ও আনা হচ্ছে।


সরকারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা গুন্ডাবাজি, তোলাবাজি, বেআইনি দখল, সিন্ডিকেটরাজ ও সংগঠিত অপরাধে লাগাম টানতেই এই নতুন আইন আনা হচ্ছে। গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে এবার পশ্চিমবঙ্গেও কড়া আইনি কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


 প্রস্তাবিত বিলে ‘সমাজবিরোধী কার্যকলাপ’-এর সংজ্ঞাও স্পষ্ট করা হয়েছে। এমন কোনও কাজ, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে, জনশৃঙ্খলা নষ্ট করে, বৈধ ব্যবসা বা জীবিকায় বাধা দেয়, জোর করে সম্পত্তি দখল করে কিংবা সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির বড় ক্ষতি করে—সেগুলিকে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে ধরা হবে। বেআইনি খনি, বালি তোলা, বনজ সম্পদ বা বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত অপরাধও এই আইনের আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে।


বিলে ‘গুন্ডা’-র সংজ্ঞাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি যদি নিজে বা কোনও গ্যাং, সিন্ডিকেট বা অপরাধচক্রের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, অপরাধে অর্থ জোগান দেন, উসকানি দেন বা সহায়তা করেন, তাহলে তাঁকে এই আইনের আওতায় আনা যেতে পারে। এছাড়া ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন, মাদক আইন, বিস্ফোরক আইন বা অনৈতিক পাচার বিরোধী আইনে গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী ব্যক্তিদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।


ফুঁসছে তিস্তা-তোর্সা! উত্তরবঙ্গে রেড অ্যালার্ট, বন্যা আতঙ্কে নদীতীরবাসী


 কাউকে আটক করার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে। পুলিশ সুপার বা তার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার আটক করার নির্দেশ দিতে পারবে। গত সাত বছরে অন্তত একবার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া, অথবা একই ঘটনার বাইরে তিন বা তার বেশি পৃথক মামলায় চার্জশিটভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও এই আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এছাড়া পুলিশ কমিশনার বা জেলাশাসক আটক করার নির্দেশ দিলে তার সমস্ত তথ্যপ্রমাণ রাজ্যের ডিজিপিকে জানানো বাধ্যতামূলক থাকবে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BengalPolitics lawandorder SuvenduAdhikari westbengalassembly publicsafetybill crimecontrol

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


গুন্ডা দমনে কড়া আইন আনছে রাজ্য! বিধানসভায় পেশ হচ্ছে নতুন জন নিরাপত্তা বিল

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image
রাজ্যে সংগঠিত অপরাধ, তোলাবাজি ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আরও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে সরকার। সোমবার বিধানসভায় পেশ হতে চলেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ জন নিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬’। পাশাপাশি ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেনেন্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিল-ও আনা হচ্ছে।সরকারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা গুন্ডাবাজি, তোলাবাজি, বেআইনি দখল, সিন্ডিকেটরাজ ও সংগঠিত অপরাধে লাগাম টানতেই এই নতুন আইন আনা হচ্ছে। গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে এবার পশ্চিমবঙ্গেও কড়া আইনি কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বিলে ‘সমাজবিরোধী কার্যকলাপ’-এর সংজ্ঞাও স্পষ্ট করা হয়েছে। এমন কোনও কাজ, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে, জনশৃঙ্খলা নষ্ট করে, বৈধ ব্যবসা বা জীবিকায় বাধা দেয়, জোর করে সম্পত্তি দখল করে কিংবা সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির বড় ক্ষতি করে—সেগুলিকে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে ধরা হবে। বেআইনি খনি, বালি তোলা, বনজ সম্পদ বা বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত অপরাধও এই আইনের আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে।বিলে ‘গুন্ডা’-র সংজ্ঞাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি যদি নিজে বা কোনও গ্যাং, সিন্ডিকেট বা অপরাধচক্রের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, অপরাধে অর্থ জোগান দেন, উসকানি দেন বা সহায়তা করেন, তাহলে তাঁকে এই আইনের আওতায় আনা যেতে পারে। এছাড়া ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন, মাদক আইন, বিস্ফোরক আইন বা অনৈতিক পাচার বিরোধী আইনে গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী ব্যক্তিদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।ফুঁসছে তিস্তা-তোর্সা! উত্তরবঙ্গে রেড অ্যালার্ট, বন্যা আতঙ্কে নদীতীরবাসী  কাউকে আটক করার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে। পুলিশ সুপার বা তার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার আটক করার নির্দেশ দিতে পারবে। গত সাত বছরে অন্তত একবার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া, অথবা একই ঘটনার বাইরে তিন বা তার বেশি পৃথক মামলায় চার্জশিটভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও এই আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এছাড়া পুলিশ কমিশনার বা জেলাশাসক আটক করার নির্দেশ দিলে তার সমস্ত তথ্যপ্রমাণ রাজ্যের ডিজিপিকে জানানো বাধ্যতামূলক থাকবে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার