আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক-পড়ুয়া তরুণীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ নিয়ে এবার অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। চলতি মাসে দেওয়া নতুন তদন্তের নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় বৃহস্পতিবার কড়া মন্তব্য করে বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিচারপতিদের মতে, সিবিআই ডিরেক্টর কি নতুন তদন্তের নির্দেশ বুঝতে পারেননি, নাকি পুরনো তদন্তই অনুসরণ করা হচ্ছে - এই প্রশ্নও তোলা হয় এজলাসে। এ দিন আদালতে সিবিআই একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেয়।
সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, চার্জশিট জমা পড়ার পর থেকে তদন্ত কার্যত থমকে রয়েছে। আদালতের মন্তব্য, তদন্তে একচুলও অগ্রগতি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আদালত সিট (Special Investigation Team) গঠন সংক্রান্ত আগের নির্দেশের পর নতুন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। আদালতের তরফে তদন্তকারী অফিসার (IO)-কে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ডিভিশন বেঞ্চ আরও নির্দেশ দেয়, আগামী ৬ অগস্টের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতির বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে সিবিআইকে।
১০ লক্ষের কেলেঙ্কারি নয়, ৩০০ প্লটের জাল বিছিয়েছিলেন অভিষেকের পিএ!
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুম থেকে ওই চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশ, পরে মামলা যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে শিয়ালদহ আদালত আজীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, তদন্তে একাধিক গাফিলতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই হাইকোর্টে পুনরায় তদন্তের আবেদন জানানো হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে SIT গঠন ও তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন