Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ঋতব্রতর চালে মমতার পাল্টা চাল! নির্বাচন কমিশনে ‘আসল’ তৃণমূলের তালিকা পাঠালেন দিদি, বাদ পড়লেন কারা?

ঋতব্রতর চালে মমতার পাল্টা চাল! নির্বাচন কমিশনে ‘আসল’ তৃণমূলের তালিকা পাঠালেন দিদি, বাদ পড়লেন কারা?
এ আই নির্মিত ছবি

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের আসল রাশ কার হাতে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাকি 'বিদ্রোহী' নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের? এই প্রশ্ন ঘিরেই এখন বাংলার রাজনীতিতে এক চরম নাটকীয় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সোমবারই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী মমতার নাম বাদ দিয়ে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করে এক নতুন ‘জাতীয় কর্মসমিতি’ গঠন করেছিল, যার চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। 


সূত্রের খবর, আজই এই নতুন কমিটির নথিপত্র দিল্লির নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে যাওয়ার কথা ছিল ঋতব্রতদের। কিন্তু তারা পৌঁছানোর আগেই আসরে নেমে মোক্ষম চাল চাললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রতদের টেক্কা দিয়ে তড়িঘড়ি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজের ২৪ জনের আসল জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা সংবলিত চিঠি পাঠিয়ে দিলেন তিনি।


মেসি নাকি এমবাপ্পে? ক্লোজের রেকর্ড ভাঙায় তোলপাড়!


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো এই পাল্টা তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসেবে স্বভাবতই তাঁর নিজের নাম রয়েছে এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। এছাড়া যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দোলা সেন ও ডেরেক ও'ব্রায়েন, সহ-সভাপতি হিসেবে সুব্রত বক্সী এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে শুভাশিসের নাম পাঠানো হয়েছে। বিশেষ বিষয় হলো, এই তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামের পাশে তাঁকে ‘লিডার অব অ্যাসেম্বলি’ বা বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে দরবার করার আগেই যেভাবে তৃণমূলপন্থী দুই সাংসদ কীর্তি আজ়াদ ও সাগরিকা ঘোষ স্পিকারকে চিঠি দিয়ে রেখেছিলেন, ঠিক সেই একই স্ট্র্যাটেজি মেনে এবার নির্বাচন কমিশনের দরবারেও ঋতব্রতদের চেয়ে এক কদম এগিয়ে থাকলেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেতৃত্ব।

এই নজিরবিহীন ক্ষমতা দখলের লড়াই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র জানিয়েছেন, দলের নাম, প্রতীক এবং সংবিধানের আইনি লড়াইটা সম্পূর্ণ আদালতের বিচার্য বিষয় হলেও, আসল পরীক্ষা হবে আমজনতার দরবারে। সাধারণ তৃণমূল ভোটার ও সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত মমতা নাকি ঋতব্রত কার দিকে ঝুঁকে পড়েন, তা কোনো নির্বাচন ছাড়া স্পষ্ট হওয়া সম্ভব নয়। 


সংসদীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে আইনি লড়াই—সব ক্ষেত্রেই মমতাপন্থী তৃণমূল যেভাবে ঘুঁটি সাজাচ্ছে, তাতে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষে দলের প্রতীক বা নাম ছিনিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। এখন দেখার, নির্বাচন কমিশন ও আদালতের জল আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায় এবং কার হাতে থাকে জোড়াফুলের শেষ নিয়ন্ত্রণ।

বিষয় : Mamata Banerjee ABHISEKH BANERJEE ElectionCommission ritabratabanerjee PoliticalCrisis

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


ঋতব্রতর চালে মমতার পাল্টা চাল! নির্বাচন কমিশনে ‘আসল’ তৃণমূলের তালিকা পাঠালেন দিদি, বাদ পড়লেন কারা?

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের আসল রাশ কার হাতে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাকি 'বিদ্রোহী' নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের? এই প্রশ্ন ঘিরেই এখন বাংলার রাজনীতিতে এক চরম নাটকীয় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সোমবারই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী মমতার নাম বাদ দিয়ে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করে এক নতুন ‘জাতীয় কর্মসমিতি’ গঠন করেছিল, যার চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সূত্রের খবর, আজই এই নতুন কমিটির নথিপত্র দিল্লির নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে যাওয়ার কথা ছিল ঋতব্রতদের। কিন্তু তারা পৌঁছানোর আগেই আসরে নেমে মোক্ষম চাল চাললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রতদের টেক্কা দিয়ে তড়িঘড়ি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজের ২৪ জনের আসল জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা সংবলিত চিঠি পাঠিয়ে দিলেন তিনি।মেসি নাকি এমবাপ্পে? ক্লোজের রেকর্ড ভাঙায় তোলপাড়! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো এই পাল্টা তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসেবে স্বভাবতই তাঁর নিজের নাম রয়েছে এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। এছাড়া যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দোলা সেন ও ডেরেক ও'ব্রায়েন, সহ-সভাপতি হিসেবে সুব্রত বক্সী এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে শুভাশিসের নাম পাঠানো হয়েছে। বিশেষ বিষয় হলো, এই তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামের পাশে তাঁকে ‘লিডার অব অ্যাসেম্বলি’ বা বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে দরবার করার আগেই যেভাবে তৃণমূলপন্থী দুই সাংসদ কীর্তি আজ়াদ ও সাগরিকা ঘোষ স্পিকারকে চিঠি দিয়ে রেখেছিলেন, ঠিক সেই একই স্ট্র্যাটেজি মেনে এবার নির্বাচন কমিশনের দরবারেও ঋতব্রতদের চেয়ে এক কদম এগিয়ে থাকলেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেতৃত্ব।এই নজিরবিহীন ক্ষমতা দখলের লড়াই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র জানিয়েছেন, দলের নাম, প্রতীক এবং সংবিধানের আইনি লড়াইটা সম্পূর্ণ আদালতের বিচার্য বিষয় হলেও, আসল পরীক্ষা হবে আমজনতার দরবারে। সাধারণ তৃণমূল ভোটার ও সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত মমতা নাকি ঋতব্রত কার দিকে ঝুঁকে পড়েন, তা কোনো নির্বাচন ছাড়া স্পষ্ট হওয়া সম্ভব নয়। সংসদীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে আইনি লড়াই—সব ক্ষেত্রেই মমতাপন্থী তৃণমূল যেভাবে ঘুঁটি সাজাচ্ছে, তাতে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষে দলের প্রতীক বা নাম ছিনিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। এখন দেখার, নির্বাচন কমিশন ও আদালতের জল আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায় এবং কার হাতে থাকে জোড়াফুলের শেষ নিয়ন্ত্রণ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার