Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘রোজ মিছিল করুন, কিন্তু ফিরতে পারবেন না!’ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মমতাকুলকে চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

‘রোজ মিছিল করুন, কিন্তু ফিরতে পারবেন না!’ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মমতাকুলকে চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কুর্সিতে বসার পর আজ বিধানসভায় প্রথমবার জবাবি ভাষণ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর প্রথম ভাষণেই বিরোধী আসনে বসা তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁছাছোলা ভাষায় বিঁধলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল ফেলে দিয়ে শুভেন্দু সাফ জানান, তাঁর জমানায় বিরোধীদের কোনো কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হবে না।


 তবে এর পরেই অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, "রোজ মিছিল করুন, কিন্তু ফিরতে পারবেন না।" প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলার রানি রাসমণি সরণীতে ধর্না-অবস্থানের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের বর্তমান সরকারের তরফে তাঁকে রানি রাসমণির বদলে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থানের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, এদিন বিধানসভার অলিন্দে দাঁড়িয়ে সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


তৃণমূল জমানার শেষ পাঁচ বছরে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে যেভাবে প্রতি পদে পদে বাধা দেওয়া হতো, এদিন খোদ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই সেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, তৃণমূল সরকারের আমলে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক সভা বা মিছিলের অনুমতির জন্য আদালতের দরজায় ছুটতে হতো। এমনকি বিধানসভা থেকেও তাঁকে একাধিকবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এদিন নিজের ভাষণে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "তৃণমূল সরকার গত পাঁচ বছরে আমাকে কতবার হাউস থেকে বের করেছে?


 পাঁচ-পাঁচ বার বের করেছে! সাড়ে ১১ মাস আমাকে বিধানসভার বাইরে রাখা হয়েছিল। কত মামলা করা হয়েছে আমার নামে? ১০২টি মামলা দেওয়া হয়েছিল।" এরপরই তৃণমূল জমানার দাপুটে মন্ত্রী-নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে শুভেন্দু যোগ করেন, "আমরা কিন্তু এখনও কাউকে মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগাতে বলিনি।" রাজ্যে গণতন্ত্র বজায় রাখতে বিরোধীদের প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠকে মর্যাদা সহকারে ডাকা হচ্ছে বলেও এদিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিষয় : Mamata Banerjee AssemblyElection2026 TrinamoolCongress SuvenduAdhikari chiefministersuvendu

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


‘রোজ মিছিল করুন, কিন্তু ফিরতে পারবেন না!’ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মমতাকুলকে চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কুর্সিতে বসার পর আজ বিধানসভায় প্রথমবার জবাবি ভাষণ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর প্রথম ভাষণেই বিরোধী আসনে বসা তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁছাছোলা ভাষায় বিঁধলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল ফেলে দিয়ে শুভেন্দু সাফ জানান, তাঁর জমানায় বিরোধীদের কোনো কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হবে না। তবে এর পরেই অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, "রোজ মিছিল করুন, কিন্তু ফিরতে পারবেন না।" প্রসঙ্গত, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলার রানি রাসমণি সরণীতে ধর্না-অবস্থানের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের বর্তমান সরকারের তরফে তাঁকে রানি রাসমণির বদলে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থানের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, এদিন বিধানসভার অলিন্দে দাঁড়িয়ে সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।তৃণমূল জমানার শেষ পাঁচ বছরে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে যেভাবে প্রতি পদে পদে বাধা দেওয়া হতো, এদিন খোদ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই সেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, তৃণমূল সরকারের আমলে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক সভা বা মিছিলের অনুমতির জন্য আদালতের দরজায় ছুটতে হতো। এমনকি বিধানসভা থেকেও তাঁকে একাধিকবার সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এদিন নিজের ভাষণে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "তৃণমূল সরকার গত পাঁচ বছরে আমাকে কতবার হাউস থেকে বের করেছে? পাঁচ-পাঁচ বার বের করেছে! সাড়ে ১১ মাস আমাকে বিধানসভার বাইরে রাখা হয়েছিল। কত মামলা করা হয়েছে আমার নামে? ১০২টি মামলা দেওয়া হয়েছিল।" এরপরই তৃণমূল জমানার দাপুটে মন্ত্রী-নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে শুভেন্দু যোগ করেন, "আমরা কিন্তু এখনও কাউকে মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগাতে বলিনি।" রাজ্যে গণতন্ত্র বজায় রাখতে বিরোধীদের প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠকে মর্যাদা সহকারে ডাকা হচ্ছে বলেও এদিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার