Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দীর্ঘদিনের অভ্যাসেই লুকিয়ে বড় বিপদ! খাবার মোড়াতে সংবাদপত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

দীর্ঘদিনের অভ্যাসেই লুকিয়ে বড় বিপদ! খাবার মোড়াতে সংবাদপত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
ছবি সংগৃহীত

রাস্তার ধারের দোকানে শিঙাড়া, চপ কিংবা তেলেভাজা খবরের কাগজে মুড়ে দেওয়ার দৃশ্য অত্যন্ত পরিচিত। কিন্তু বহু বছরের এই অভ্যাসই ডেকে আনতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (FSSAI) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, খাবার প্যাকেট করা, পরিবেশন করা বা সংরক্ষণের জন্য কোনওভাবেই সংবাদপত্র ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবাদপত্র ছাপার জন্য ব্যবহৃত কালিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, মিনারেল অয়েল এবং ভারী ধাতু থাকে। গরম বা তেলযুক্ত খাবার কাগজের সংস্পর্শে এলে এই ক্ষতিকর উপাদানগুলি ধীরে ধীরে খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াকেই বিজ্ঞানীরা ‘কেমিক্যাল মাইগ্রেশন’ বলে উল্লেখ করেন।


স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে কিডনি, স্নায়ুতন্ত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি কিছু রাসায়নিক ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু রাসায়নিক নয়, সংবাদপত্রের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও রয়েছে। ছাপাখানা থেকে পাঠকের হাতে পৌঁছনোর আগে সংবাদপত্র বহু মানুষের সংস্পর্শে আসে। ফলে কাগজে জমতে পারে ধুলো, ময়লা এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।


FSSAI এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খাবার পরিবেশন বা প্যাকেট করার ক্ষেত্রে ফুড-গ্রেড বাটার পেপার, ফুড-গ্রেড কাগজ, কলাপাতা, শালপাতা বা আখের ছোবড়া থেকে তৈরি পরিবেশবান্ধব পাত্র ব্যবহার করাই নিরাপদ। পুনর্ব্যবহৃত কাগজও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, কারণ তাতেও পুরনো কালি ও রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। তাই পরের বার খবরের কাগজে মোড়া কোনও খাবার হাতে পাওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাদের সঙ্গে যাতে অজান্তেই শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক না ঢুকে পড়ে, সেদিকে নজর রাখাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

বিষয় : Health FoodAwareness #PackagedFood #HealthyLifestyle

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


দীর্ঘদিনের অভ্যাসেই লুকিয়ে বড় বিপদ! খাবার মোড়াতে সংবাদপত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image
রাস্তার ধারের দোকানে শিঙাড়া, চপ কিংবা তেলেভাজা খবরের কাগজে মুড়ে দেওয়ার দৃশ্য অত্যন্ত পরিচিত। কিন্তু বহু বছরের এই অভ্যাসই ডেকে আনতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (FSSAI) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, খাবার প্যাকেট করা, পরিবেশন করা বা সংরক্ষণের জন্য কোনওভাবেই সংবাদপত্র ব্যবহার করা উচিত নয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবাদপত্র ছাপার জন্য ব্যবহৃত কালিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ, মিনারেল অয়েল এবং ভারী ধাতু থাকে। গরম বা তেলযুক্ত খাবার কাগজের সংস্পর্শে এলে এই ক্ষতিকর উপাদানগুলি ধীরে ধীরে খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াকেই বিজ্ঞানীরা ‘কেমিক্যাল মাইগ্রেশন’ বলে উল্লেখ করেন।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে কিডনি, স্নায়ুতন্ত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি কিছু রাসায়নিক ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু রাসায়নিক নয়, সংবাদপত্রের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও রয়েছে। ছাপাখানা থেকে পাঠকের হাতে পৌঁছনোর আগে সংবাদপত্র বহু মানুষের সংস্পর্শে আসে। ফলে কাগজে জমতে পারে ধুলো, ময়লা এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।FSSAI এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খাবার পরিবেশন বা প্যাকেট করার ক্ষেত্রে ফুড-গ্রেড বাটার পেপার, ফুড-গ্রেড কাগজ, কলাপাতা, শালপাতা বা আখের ছোবড়া থেকে তৈরি পরিবেশবান্ধব পাত্র ব্যবহার করাই নিরাপদ। পুনর্ব্যবহৃত কাগজও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, কারণ তাতেও পুরনো কালি ও রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। তাই পরের বার খবরের কাগজে মোড়া কোনও খাবার হাতে পাওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাদের সঙ্গে যাতে অজান্তেই শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক না ঢুকে পড়ে, সেদিকে নজর রাখাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার