Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কালবৈশাখীর তাণ্ডব শেষ, শুরু বর্ষার শাসন! মেঘের উচ্চতা থেকে ধ্বংসক্ষমতা— কোন বৃষ্টি কত খতরনাক?

কালবৈশাখীর তাণ্ডব শেষ, শুরু বর্ষার শাসন! মেঘের উচ্চতা থেকে ধ্বংসক্ষমতা— কোন বৃষ্টি কত খতরনাক?
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাঙালির মনে এখন একটাই প্রশ্ন— তবে কি এ বছরের মতো কালবৈশাখীর দাপট শেষ? শুরু হলো একটানা বর্ষার বৃষ্টি? আকাশ কালো করে যখন মেঘ জমে, তখন সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে যে কোনটা কালবৈশাখী আর কোনটা মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি।

ছুটির দিনে রেজিস্ট্রি অফিসে আগুন


বাস্তবে আবহবিজ্ঞানের নিয়মে এই দুই বৃষ্টির মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল ফারাক। সময়, মেঘের চরিত্র থেকে শুরু করে ধ্বংসক্ষমতা— সব দিক থেকেই এই দুই সিস্টেম একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আসুন জেনে নেওয়া যাক এদের ভেতরের আসল বিজ্ঞান।


সময়ের ফারাক: গ্রীষ্মের বিদায় বনাম বর্ষার আগমন

কালবৈশাখী: এটি মূলত প্রাক-বর্ষা বা গ্রীষ্মকালীন ঝড়। মার্চ থেকে শুরু করে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এর দাপট থাকে। চৈত্র-বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের পর এই ঝড় তৈরি হয়।

বর্ষার বৃষ্টি: জুনের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর হাত ধরে এই বৃষ্টির সূচনা হয় এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। অর্থাৎ, গ্রীষ্মের বিদায়লগ্নে বর্ষার স্থায়ী আসন তৈরি হয়।


দাপটে এগিয়ে কোনটি?

যদি আপনি আকস্মিক তীব্রতা এবং ধ্বংসক্ষমতার কথা বলেন, তবে কালবৈশাখী অনেক বেশি মারাত্মক। এর আকাশ কাঁপানো বজ্রপাত, কালান্তক ঝড় আর শিলাবৃষ্টি নিমেষের মধ্যে ঘরবাড়ি বা গাছপালা উপড়ে ফেলতে পারে।

অন্য দিকে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং জলসংকটের নিরিখে বর্ষার দাপট অনেক বেশি। বর্ষা কোনো সাময়িক তাণ্ডব নয়, বরং এটি মাসের পর মাস ধরে নদী-নালা ভরিয়ে তোলে এবং ভারতের কৃষিকাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

জুন মাসের এই সময়ে কালবৈশাখীর পার্ট চুকে গেছে বললেই চলে। এখন কিউমুলোনিম্বাস মেঘের জায়গা নিয়েছে মৌসুমি বায়ুর চাদর। ফলে এখন ঝড়ের দাপট কমলেও, মেঘলা আকাশ আর দফায় দফায় বৃষ্টিই হবে বাংলার চেনা ছবি।

বিষয় : Kolkata WEATHER UPDATE RAINALERT moonsoonupdate STORM

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


কালবৈশাখীর তাণ্ডব শেষ, শুরু বর্ষার শাসন! মেঘের উচ্চতা থেকে ধ্বংসক্ষমতা— কোন বৃষ্টি কত খতরনাক?

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাঙালির মনে এখন একটাই প্রশ্ন— তবে কি এ বছরের মতো কালবৈশাখীর দাপট শেষ? শুরু হলো একটানা বর্ষার বৃষ্টি? আকাশ কালো করে যখন মেঘ জমে, তখন সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে যে কোনটা কালবৈশাখী আর কোনটা মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি।ছুটির দিনে রেজিস্ট্রি অফিসে আগুনবাস্তবে আবহবিজ্ঞানের নিয়মে এই দুই বৃষ্টির মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল ফারাক। সময়, মেঘের চরিত্র থেকে শুরু করে ধ্বংসক্ষমতা— সব দিক থেকেই এই দুই সিস্টেম একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আসুন জেনে নেওয়া যাক এদের ভেতরের আসল বিজ্ঞান।সময়ের ফারাক: গ্রীষ্মের বিদায় বনাম বর্ষার আগমনকালবৈশাখী: এটি মূলত প্রাক-বর্ষা বা গ্রীষ্মকালীন ঝড়। মার্চ থেকে শুরু করে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এর দাপট থাকে। চৈত্র-বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের পর এই ঝড় তৈরি হয়।বর্ষার বৃষ্টি: জুনের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর হাত ধরে এই বৃষ্টির সূচনা হয় এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। অর্থাৎ, গ্রীষ্মের বিদায়লগ্নে বর্ষার স্থায়ী আসন তৈরি হয়।দাপটে এগিয়ে কোনটি?যদি আপনি আকস্মিক তীব্রতা এবং ধ্বংসক্ষমতার কথা বলেন, তবে কালবৈশাখী অনেক বেশি মারাত্মক। এর আকাশ কাঁপানো বজ্রপাত, কালান্তক ঝড় আর শিলাবৃষ্টি নিমেষের মধ্যে ঘরবাড়ি বা গাছপালা উপড়ে ফেলতে পারে।অন্য দিকে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং জলসংকটের নিরিখে বর্ষার দাপট অনেক বেশি। বর্ষা কোনো সাময়িক তাণ্ডব নয়, বরং এটি মাসের পর মাস ধরে নদী-নালা ভরিয়ে তোলে এবং ভারতের কৃষিকাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।জুন মাসের এই সময়ে কালবৈশাখীর পার্ট চুকে গেছে বললেই চলে। এখন কিউমুলোনিম্বাস মেঘের জায়গা নিয়েছে মৌসুমি বায়ুর চাদর। ফলে এখন ঝড়ের দাপট কমলেও, মেঘলা আকাশ আর দফায় দফায় বৃষ্টিই হবে বাংলার চেনা ছবি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার