Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভারতের হেঁশেল বাঁচাতে মোদীর ‘মাস্টারস্ট্রোক’! আমিরশাহীর সঙ্গে বড় চুক্তিতে কি সস্তা হবে গ্যাস-তেল?

ভারতের হেঁশেল বাঁচাতে মোদীর ‘মাস্টারস্ট্রোক’! আমিরশাহীর সঙ্গে বড় চুক্তিতে কি সস্তা হবে গ্যাস-তেল?
ছবি: সংগৃহীত

আবু ধাবি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির জোগান নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। দেশের বাজারে পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে যখন আমজনতা উদ্বিগ্ন, ঠিক তখনই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (UAE) পৌঁছে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক চাল দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সফরের প্রথম দিনেই আবু ধাবিতে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজোড়া বড় চুক্তিতে সিলমোহর দিলেন তিনি।


শুক্রবার দুপুরে আবু ধাবি বিমানবন্দরে নামার পর প্রধানমন্ত্রী মোদীকে রাজকীয় ‘গার্ড অফ অনার’ দিয়ে স্বাগত জানান আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাইয়ান। এরপরই দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন। বিশ্ববাজারে ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি আমদানিকারী দেশ। তাই, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশের রান্নার গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক রাখতে আমিরশাহীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি এলপিজি সরবরাহের চুক্তি সই করেছে ভারত। এই চুক্তির ফলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও ভারতের হেঁশেল সচল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।


রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি ভারতের ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ বা জরুরি তেল মজুতব্যবস্থা নিয়ে একটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে বা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জোগান বিঘ্নিত হলে আমিরশাহী ভারতকে তেলের জোগান সচল রাখতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি ভারতের অর্থনীতির জন্য একটি বড় রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করবে।


জ্বালানি ছাড়াও গুজরাটের ভাদিনারে একটি অত্যাধুনিক ‘শিপ রিপেয়ার ক্লাস্টার’ তৈরির বিষয়েও চুক্তি হয়েছে। এখানে বড় তেলবাহী জাহাজ মেরামত করা সম্ভব হবে, যা ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় সাফল্য। পাশাপাশি, সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে যৌথ রূপরেখা তৈরি করে দুই দেশ নিজেদের কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকেও আরও মজবুত করল।


মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে মোদীর এই ‘এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি’ দেশের বাজারে জ্বালানির ঊর্ধ্বগতিতে কতটা লাগাম টানতে পারে, এখন সেটাই দেখার।

বিষয় : indiaenergysecurity MiddleEastConflict modiinuae

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভারতের হেঁশেল বাঁচাতে মোদীর ‘মাস্টারস্ট্রোক’! আমিরশাহীর সঙ্গে বড় চুক্তিতে কি সস্তা হবে গ্যাস-তেল?

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image
আবু ধাবি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির জোগান নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। দেশের বাজারে পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে যখন আমজনতা উদ্বিগ্ন, ঠিক তখনই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (UAE) পৌঁছে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক চাল দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সফরের প্রথম দিনেই আবু ধাবিতে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজোড়া বড় চুক্তিতে সিলমোহর দিলেন তিনি।শুক্রবার দুপুরে আবু ধাবি বিমানবন্দরে নামার পর প্রধানমন্ত্রী মোদীকে রাজকীয় ‘গার্ড অফ অনার’ দিয়ে স্বাগত জানান আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাইয়ান। এরপরই দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন। বিশ্ববাজারে ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি আমদানিকারী দেশ। তাই, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশের রান্নার গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক রাখতে আমিরশাহীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি এলপিজি সরবরাহের চুক্তি সই করেছে ভারত। এই চুক্তির ফলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও ভারতের হেঁশেল সচল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি ভারতের ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ বা জরুরি তেল মজুতব্যবস্থা নিয়ে একটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে বা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জোগান বিঘ্নিত হলে আমিরশাহী ভারতকে তেলের জোগান সচল রাখতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি ভারতের অর্থনীতির জন্য একটি বড় রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করবে।জ্বালানি ছাড়াও গুজরাটের ভাদিনারে একটি অত্যাধুনিক ‘শিপ রিপেয়ার ক্লাস্টার’ তৈরির বিষয়েও চুক্তি হয়েছে। এখানে বড় তেলবাহী জাহাজ মেরামত করা সম্ভব হবে, যা ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় সাফল্য। পাশাপাশি, সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে যৌথ রূপরেখা তৈরি করে দুই দেশ নিজেদের কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকেও আরও মজবুত করল।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে মোদীর এই ‘এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি’ দেশের বাজারে জ্বালানির ঊর্ধ্বগতিতে কতটা লাগাম টানতে পারে, এখন সেটাই দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার