লখনউ: প্রকৃতির রুদ্ররোষে শ্মশানের নিস্তব্ধতা উত্তর প্রদেশে। বুধবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কার্যত লণ্ডভণ্ড গোটা রাজ্য। মুহূর্তের ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে ঘরবাড়ি, উপড়ে গিয়েছে মহীরূহ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬০ জন, আহত অসংখ্য। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
আচমকা আসা এই দুর্যোগে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রয়াগরাজ, কানপুর, দেহাত ও ফতেহপুরের মতো জেলাগুলি। কোথাও বজ্রপাতে প্রাণহানি ঘটেছে, আবার কোথাও হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল বা গাছের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে সাধারণ মানুষের। ঝড়ের দাপটে ছিঁড়ে পড়েছে বিদ্যুতের তার, উপড়ে গিয়েছে খুঁটি; ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা এখন অন্ধকারে নিমজ্জিত। রেললাইন ও রাস্তার ওপর গাছ পড়ে থাকায় বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জনজীবন। বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হওয়া শিলাবৃষ্টিতে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখে দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আধিকারিকদের। তবে বিপদ এখনই কাটছে না; আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে, যা প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করেছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন