রাজ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তপ্ত আইনি ময়দান। একদিকে যখন নবান্নে নতুন সরকার প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনই রাজ্যে ‘বিজেপি আশ্রিত’ দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব ও ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলপন্থী আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা এই জনস্বার্থ মামলায় দাবি করা হয়েছে যে, গত ৪ঠা মে ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। প্রায় ২,০০০ সমর্থক শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছেন এবং অন্তত ৩৬৫টি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটেছে। ঘরছাড়া বহু কর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার উচ্চ আদালতের সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কোনো নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে এই হিংসার তদন্ত করানোর আর্জি জানানো হয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবারই এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যখন রাজ্যে একের পর এক তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হচ্ছেন, তখন পুলিশ ও আদালত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। একদিকে অভিষেকের রাজনৈতিক আক্রমণ আর অন্যদিকে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা— জোড়া ফলায় নতুন সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। এখন দেখার, বৃহস্পতিবার আদালত এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যকে কী নির্দেশ দেয়।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন