Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নজিরবিহীন সংঘাত! পদত্যাগ করতে নারাজ মমতা, সংবিধান মেনে বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল!

নজিরবিহীন সংঘাত! পদত্যাগ করতে নারাজ মমতা, সংবিধান মেনে বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল!
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: রবীন্দ্রজয়ন্তীর আবহে তিলোত্তমায় নজিরবিহীন সাংবিধানিক সঙ্কট। একদিকে ক্ষমতা হারানো সত্ত্বেও গদি ছাড়তে নারাজ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে সরাসরি হস্তক্ষেপ রাজভবনের। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ভারতীয় সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। এর ফলে ১৭তম বিধানসভার কার্যকাল আজই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেল।


আজই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদের শেষ দিন। প্রথা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়ার কথা থাকলেও, তিনি তা করেননি। এই অচলবস্থা কাটাতে রাজ্যপাল সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা অনুযায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। রাজভবন থেকে এই নির্দেশ আসার পরই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা সরকারি বিবৃতি জারি করে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। আগামী দু’দিন অর্থাৎ শপথগ্রহণের আগে পর্যন্ত রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন খোদ রাজ্যপাল।


কেন তিনি পদত্যাগ করছেন না, তা নিয়ে সোজাসাপ্টা যুক্তি দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, “আমরা হারিনি। আমাদের ১০০টি আসন লুট করা হয়েছে।” পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অনড় অবস্থান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে। তবে, বিধানসভা ভেঙে যাওয়ায় এখন ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথে আর কোনও আইনি বাধা রইল না।


আগামী শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীর বিশেষ লগ্নে ব্রিগেডে শপথ নিতে চলেছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। জনতাকে সাক্ষী রেখে শুরু হতে চলেছে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ শাসনের পথচলা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। নিরাপত্তার খাতিরে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে মুড়ে ফেলা হয়েছে এসপিজি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে।


পুরনো সরকারের বিদায় আর নতুন সরকারের আগমনের এই সন্ধিক্ষণে বাংলা এখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী!

বিষয় : BengalPolitics MAMATABANERJEE bjpvictory governordecision

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


নজিরবিহীন সংঘাত! পদত্যাগ করতে নারাজ মমতা, সংবিধান মেনে বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল!

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রবীন্দ্রজয়ন্তীর আবহে তিলোত্তমায় নজিরবিহীন সাংবিধানিক সঙ্কট। একদিকে ক্ষমতা হারানো সত্ত্বেও গদি ছাড়তে নারাজ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে সরাসরি হস্তক্ষেপ রাজভবনের। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ভারতীয় সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। এর ফলে ১৭তম বিধানসভার কার্যকাল আজই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেল।আজই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদের শেষ দিন। প্রথা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়ার কথা থাকলেও, তিনি তা করেননি। এই অচলবস্থা কাটাতে রাজ্যপাল সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা অনুযায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। রাজভবন থেকে এই নির্দেশ আসার পরই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা সরকারি বিবৃতি জারি করে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। আগামী দু’দিন অর্থাৎ শপথগ্রহণের আগে পর্যন্ত রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন খোদ রাজ্যপাল।কেন তিনি পদত্যাগ করছেন না, তা নিয়ে সোজাসাপ্টা যুক্তি দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, “আমরা হারিনি। আমাদের ১০০টি আসন লুট করা হয়েছে।” পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অনড় অবস্থান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে। তবে, বিধানসভা ভেঙে যাওয়ায় এখন ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথে আর কোনও আইনি বাধা রইল না।আগামী শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীর বিশেষ লগ্নে ব্রিগেডে শপথ নিতে চলেছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। জনতাকে সাক্ষী রেখে শুরু হতে চলেছে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ শাসনের পথচলা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। নিরাপত্তার খাতিরে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে মুড়ে ফেলা হয়েছে এসপিজি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে।পুরনো সরকারের বিদায় আর নতুন সরকারের আগমনের এই সন্ধিক্ষণে বাংলা এখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী!

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার