Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হাইকোর্টের চরম ঝটকায় ফুরোল জামিনের মেয়াদ! শেষমেশ যোধপুর জেলে মাথা নোয়াতেই হলো আশারাম বাপুকে

হাইকোর্টের চরম ঝটকায় ফুরোল জামিনের মেয়াদ! শেষমেশ যোধপুর জেলে মাথা নোয়াতেই হলো আশারাম বাপুকে
ছবি সংগৃহীত

নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় স্বঘোষিত বিতর্কিত ধর্মগুরু আশারাম বাপুর সাজা নিয়ে এবার চূড়ান্ত রায় দিল রাজস্থান হাইকোর্ট। শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে দীর্ঘদিন জেলের বাইরে থাকলেও, শেষরক্ষা আর হলো না। পকসো আদালতের দেওয়া আমৃত্যু কারাবাসের ঐতিহাসিক সাজা বহাল রেখে রাজস্থান হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলেই কাটাতে হবে ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধকে। আদালতের সেই কড়া নির্দেশের পর আর কোনও উপায় না পেয়ে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন আশারাম বাপু।


এই চরম বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৩ সালে, যখন যোধপুরের একটি আশ্রমে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ওঠে এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। সেই বছরই আগস্ট মাসে ইন্দোর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘ টানাপড়েনের পর ২০১৮ সালে যোধপুরের বিশেষ পকসো আদালত আশারামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনায়। নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তও ছিলেন আশারাম, এমনকি তাঁর জামিনের মেয়াদ আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়টা উত্তরাখণ্ডের একটি আশ্রমে বহাল তবিয়তে কাটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু হাইকোর্টের যোধপুর বেঞ্চ তাঁর করা সমস্ত আবেদন ও আপিল খারিজ করে দিয়ে অবিলম্বে জেলে ফেরার নির্দেশ দেয়।


ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং জীবনের একটা বড় অংশ জেলে কাটানো সত্ত্বেও এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর অন্ধ ভক্তের সংখ্যা যে কমেনি, তা জেলের পথে আরও একবার প্রমাণিত হলো। আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময়েও গাড়ির ভিতর থেকে হাত নেড়ে বাইরে অপেক্ষারত অনুগামীদের অভিবাদন ও আশীর্বাদ জানাতে দেখা যায় তাঁকে। তবে ভক্তদের এই উন্মাদনাও আইনের হাত থেকে বাঁচাতে পারল না তাঁকে। হাইকোর্টের এই অনড় সিদ্ধান্তের পর এবার আমৃত্যু কারাবাসের ঘেরাটোপে যোধপুর জেলের চার দেওয়ালের অন্ধকারেই কাটতে চলেছে আশারাম বাপুর বাকি জীবন।

বিষয় : asarambapu rajasthanhighcourt pocsoart legalverdict

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


হাইকোর্টের চরম ঝটকায় ফুরোল জামিনের মেয়াদ! শেষমেশ যোধপুর জেলে মাথা নোয়াতেই হলো আশারাম বাপুকে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image
নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় স্বঘোষিত বিতর্কিত ধর্মগুরু আশারাম বাপুর সাজা নিয়ে এবার চূড়ান্ত রায় দিল রাজস্থান হাইকোর্ট। শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে দীর্ঘদিন জেলের বাইরে থাকলেও, শেষরক্ষা আর হলো না। পকসো আদালতের দেওয়া আমৃত্যু কারাবাসের ঐতিহাসিক সাজা বহাল রেখে রাজস্থান হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলেই কাটাতে হবে ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধকে। আদালতের সেই কড়া নির্দেশের পর আর কোনও উপায় না পেয়ে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন আশারাম বাপু।এই চরম বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৩ সালে, যখন যোধপুরের একটি আশ্রমে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ওঠে এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। সেই বছরই আগস্ট মাসে ইন্দোর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘ টানাপড়েনের পর ২০১৮ সালে যোধপুরের বিশেষ পকসো আদালত আশারামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনায়। নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তও ছিলেন আশারাম, এমনকি তাঁর জামিনের মেয়াদ আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়টা উত্তরাখণ্ডের একটি আশ্রমে বহাল তবিয়তে কাটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু হাইকোর্টের যোধপুর বেঞ্চ তাঁর করা সমস্ত আবেদন ও আপিল খারিজ করে দিয়ে অবিলম্বে জেলে ফেরার নির্দেশ দেয়।ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং জীবনের একটা বড় অংশ জেলে কাটানো সত্ত্বেও এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর অন্ধ ভক্তের সংখ্যা যে কমেনি, তা জেলের পথে আরও একবার প্রমাণিত হলো। আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময়েও গাড়ির ভিতর থেকে হাত নেড়ে বাইরে অপেক্ষারত অনুগামীদের অভিবাদন ও আশীর্বাদ জানাতে দেখা যায় তাঁকে। তবে ভক্তদের এই উন্মাদনাও আইনের হাত থেকে বাঁচাতে পারল না তাঁকে। হাইকোর্টের এই অনড় সিদ্ধান্তের পর এবার আমৃত্যু কারাবাসের ঘেরাটোপে যোধপুর জেলের চার দেওয়ালের অন্ধকারেই কাটতে চলেছে আশারাম বাপুর বাকি জীবন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার