Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হাইকোর্টের রক্ষাকবচের মাঝেই নতুন ধাক্কা! ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে গুরুতর ধারায় মামলা!

হাইকোর্টের রক্ষাকবচের মাঝেই নতুন ধাক্কা! ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে গুরুতর ধারায় মামলা!
FILE IMAGE

কলকাতা: আইনি জটিলতা এবং অস্বস্তি কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পর এবার খোদ কলকাতার ভবানীপুর থানায় দায়ের হলো ডায়মন্ডহারবারের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে এক নতুন এবং গুরুতর অভিযোগ। অর্ণবকান্তি দাস নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা এই নতুন অভিযোগের জেরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।


 অভিযোগকারীর দাবি, সমাজমাধ্যমে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে এমন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য পোস্ট করেছেন অভিষেক, যা বাংলার বুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় সংহতিকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করতে পারে। অভিযোগের সপক্ষে সংশ্লিষ্ট সোশাল মিডিয়া পোস্টের একটি ডিজিটাল কপিও ভবানীপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।


এই গোটা বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল গত ২ মে, যখন নির্বাচন চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অফিসিয়াল সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন। অভিযোগকারী অর্ণবকান্তি দাসের বক্তব্য, একজন দায়িত্বশীল সাংসদ পদে থেকে কীভাবে তিনি এমন উসকানিমূলক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন পোস্ট করতে পারেন, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে। 


উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন রাজ্যজুড়ে একাধিক জনসভা থেকে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে লাগাতার কড়া ও আক্রমণাত্মক ভাষায় সুর চড়িয়েছিলেন অভিষেক। বিশেষ করে গত ২৭ এপ্রিল একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে বিজেপিকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি দেখব, ৪ তারিখ রাত ১২টার পরে কে তাদের বাঁচাতে আসে। এই জল্লাদদের কত ক্ষমতা আছে, আর দিল্লি থেকে কোন বাবা তাদের উদ্ধার করতে আসে, সেটাও দেখব।’ এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেই কয়েকদিন আগে প্রথম পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার, যার ভিত্তিতে বিধাননগর সাইবার থানায় মোট ৫টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল।


যদিও বিধাননগর থানার সেই এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তড়িঘড়ি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আদালত থেকে আইনি রক্ষাকবচও আদায় করতে সমর্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাইকোর্টের সেই স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুর থানায় নতুন করে দায়ের হওয়া এই অপরাধমূলক অভিযোগের জেরে জোড়াফুল শিবিরের এই হেভিওয়েট নেতার আইনি জটিলতা যে এক ধাক্কায় বহুগুণ বেড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বদলের বাংলায় পুলিশ যেভাবে এখন গুরুত্ব সহকারে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে, তাতে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই কোন মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা রাজ্যের।

বিষয় : ABHISEKH BANERJEE BengalPolitics CalcuttaHighCourt bhowaniporepolice firagainstabhisekh

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


হাইকোর্টের রক্ষাকবচের মাঝেই নতুন ধাক্কা! ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে গুরুতর ধারায় মামলা!

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আইনি জটিলতা এবং অস্বস্তি কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পর এবার খোদ কলকাতার ভবানীপুর থানায় দায়ের হলো ডায়মন্ডহারবারের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে এক নতুন এবং গুরুতর অভিযোগ। অর্ণবকান্তি দাস নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা এই নতুন অভিযোগের জেরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, সমাজমাধ্যমে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে এমন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য পোস্ট করেছেন অভিষেক, যা বাংলার বুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় সংহতিকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করতে পারে। অভিযোগের সপক্ষে সংশ্লিষ্ট সোশাল মিডিয়া পোস্টের একটি ডিজিটাল কপিও ভবানীপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।এই গোটা বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল গত ২ মে, যখন নির্বাচন চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অফিসিয়াল সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন। অভিযোগকারী অর্ণবকান্তি দাসের বক্তব্য, একজন দায়িত্বশীল সাংসদ পদে থেকে কীভাবে তিনি এমন উসকানিমূলক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন পোস্ট করতে পারেন, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন রাজ্যজুড়ে একাধিক জনসভা থেকে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে লাগাতার কড়া ও আক্রমণাত্মক ভাষায় সুর চড়িয়েছিলেন অভিষেক। বিশেষ করে গত ২৭ এপ্রিল একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে বিজেপিকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি দেখব, ৪ তারিখ রাত ১২টার পরে কে তাদের বাঁচাতে আসে। এই জল্লাদদের কত ক্ষমতা আছে, আর দিল্লি থেকে কোন বাবা তাদের উদ্ধার করতে আসে, সেটাও দেখব।’ এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেই কয়েকদিন আগে প্রথম পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার, যার ভিত্তিতে বিধাননগর সাইবার থানায় মোট ৫টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল।যদিও বিধাননগর থানার সেই এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তড়িঘড়ি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আদালত থেকে আইনি রক্ষাকবচও আদায় করতে সমর্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাইকোর্টের সেই স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুর থানায় নতুন করে দায়ের হওয়া এই অপরাধমূলক অভিযোগের জেরে জোড়াফুল শিবিরের এই হেভিওয়েট নেতার আইনি জটিলতা যে এক ধাক্কায় বহুগুণ বেড়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বদলের বাংলায় পুলিশ যেভাবে এখন গুরুত্ব সহকারে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত শুরু করছে, তাতে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই কোন মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা রাজ্যের।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার