কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার বিজেপির লক্ষ্য বাংলার পুরসভা ও পুরনিগমগুলিও দখল। সামনেই ১২১টি পুরসভা ও সাতটি পুরনিগমের মেগা ফাইট! আর এই লড়াইয়ে জয়ের ধারা বজায় রাখতে দিল্লির বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভরসা রাখছে বাংলার ‘চার মূর্তি’র উপর — মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য দিলীপ ঘোষ। এই চার নেতার রসায়নেই এবার জেলায় জেলায় সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করতে চাইছে পদ্ম শিবির।
বিজেপি সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের কাছে এখন এই চার নেতাই বঙ্গ জয়ের প্রধান কারিগর। বিশেষ করে রাজ্য সভাপতি হিসাবে শমীক ভট্টাচার্যের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হাইকমান্ড। তাঁকে দলের ‘সফলতম সভাপতি’ বলা হচ্ছে! কারণ, তাঁর নেতৃত্বেই প্রথমবার বাংলায় ক্ষমতায় এল বিজেপি। শমীকের গ্রহণযোগ্যতা এবং পুরনো-নতুন কর্মীদের এক সুতোয় বাঁধার ক্ষমতা দলের মোমেন্টাম ধরে রেখেছে।
এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখন রাজ্য রাজনীতির মধ্যমণি। ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটকে হারিয়ে ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসাবে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। নন্দীগ্রামেও নিজের জয় নিশ্চিত করেছেন তিনি। তবে, শুভেন্দু ভবানীপুর থেকে শপথ নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনে ফের উপ-নির্বাচন হবে। বিজেপির আত্মবিশ্বাস, নন্দীগ্রামে ফের পদ্মই ফুটবে।
বিধানসভার জয়ের রেশ ধরে রাখতে জেলায় জেলায় ‘অভিনন্দন কর্মসূচি’র পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সল্টলেক পার্টি অফিসে ফলতার উপ-নির্বাচন নিয়েও রণকৌশল ঠিক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। লক্ষ্য একটাই — বিধায়ক সংখ্যা আরও বাড়ানো। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সুকান্ত মজুমদারের সাংগঠনিক সফর এবং দিলীপ ঘোষের জনসভাগুলি কর্মীদের মনোবল দ্বিগুণ করে দিয়েছে।
পুরভোটের আগে দলকে আরও সুশৃঙ্খল ও আমজনতার কাছের দল হিসাবে তুলে ধরতে চায় বিজেপি। আর, সেই লক্ষ্যে শুভেন্দু-শমীক-সুকান্ত-দিলীপ এই চার নেতার মিলিত নেতৃত্বকেই সামনে রাখা হচ্ছে। দিল্লির নেতাদের বিশ্বাস, এই চার নেতার রসায়নেই বাংলার পুরসভা ও পুরনিগমগুলিতেও গেরুয়া ঝড় উঠবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন