Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিধানসভায় এবার 'মাছে-ভাতে' বিজেপি! বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে বিধায়কদের ভুরিভোজ প্রোটেম স্পিকারের

 বিধানসভায় এবার 'মাছে-ভাতে' বিজেপি! বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে বিধায়কদের ভুরিভোজ  প্রোটেম স্পিকারের
ছবি সংগৃহীত

বিধানসভার অন্দরে এবার ষোলোআনা বাঙালিয়ানা! শপথ নিতে আসা বিজেপি বিধায়কদের জন্য দুপুরের মেনুতে সাজানো হলো ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত আর মাছের ঝোল। প্রোটেম স্পিকার তথা মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজ ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা।


 ভোটের প্রচারে বারবার অভিযোগ উঠেছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে, বন্ধ হয়ে যাবে মাছ-মাংস খাওয়া। কিন্তু বিধানসভার অন্দরে এই ‘মাছে-ভাতে’ আয়োজন করে সেই সমস্ত জল্পনা ও বিরোধীদের প্রচারকে কার্যত মুচকি হেসেই উড়িয়ে দিলেন তাপস রায়। বুঝিয়ে দিলেন, নতুন জমানাতেও বাঙালির অস্মিতা আর হেঁশেলের স্বাদ দুই-ই থাকছে অটুট।


আসলে এই মাছ-ভাত কেবল খাওয়া-দাওয়া নয়, এর পিছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক বার্তা। সল্টলেকে দলীয় দফতরে জয়ের উৎসব থেকে শুরু করে বিধানসভার টেবিল— বিজেপি বারবার প্রমাণ করতে মরিয়া যে তারা কোনোভাবেই বাঙালি সংস্কৃতি বা খাদ্যাভ্যাসের বিরোধী নয়।


 খোদ প্রধানমন্ত্রীও প্রচারে এসে মাছের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন, আর এবার সরকার গঠনের পর সেই মাছে-ভাতেই মজেছেন গেরুয়া শিবিরের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের ‘নিরামিষাশী বিজেপি’ তকমাকে ধুয়ে মুছে সাফ করতেই এই রাজকীয় আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থাৎ শাসন বদলে গেলেও বাঙালির পাতে মাছের ঝোল যে নিয়মিত থাকছে, প্রোটেম স্পিকারের এই আতিথেয়তা যেন সেই গ্যারান্টিই দিয়ে দিল।

বিষয় : BengalPolitics BJPBengal bengaliculture fishandrice

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বিধানসভায় এবার 'মাছে-ভাতে' বিজেপি! বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে বিধায়কদের ভুরিভোজ প্রোটেম স্পিকারের

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image
বিধানসভার অন্দরে এবার ষোলোআনা বাঙালিয়ানা! শপথ নিতে আসা বিজেপি বিধায়কদের জন্য দুপুরের মেনুতে সাজানো হলো ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত আর মাছের ঝোল। প্রোটেম স্পিকার তথা মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজ ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। ভোটের প্রচারে বারবার অভিযোগ উঠেছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে, বন্ধ হয়ে যাবে মাছ-মাংস খাওয়া। কিন্তু বিধানসভার অন্দরে এই ‘মাছে-ভাতে’ আয়োজন করে সেই সমস্ত জল্পনা ও বিরোধীদের প্রচারকে কার্যত মুচকি হেসেই উড়িয়ে দিলেন তাপস রায়। বুঝিয়ে দিলেন, নতুন জমানাতেও বাঙালির অস্মিতা আর হেঁশেলের স্বাদ দুই-ই থাকছে অটুট।আসলে এই মাছ-ভাত কেবল খাওয়া-দাওয়া নয়, এর পিছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক বার্তা। সল্টলেকে দলীয় দফতরে জয়ের উৎসব থেকে শুরু করে বিধানসভার টেবিল— বিজেপি বারবার প্রমাণ করতে মরিয়া যে তারা কোনোভাবেই বাঙালি সংস্কৃতি বা খাদ্যাভ্যাসের বিরোধী নয়। খোদ প্রধানমন্ত্রীও প্রচারে এসে মাছের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন, আর এবার সরকার গঠনের পর সেই মাছে-ভাতেই মজেছেন গেরুয়া শিবিরের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের ‘নিরামিষাশী বিজেপি’ তকমাকে ধুয়ে মুছে সাফ করতেই এই রাজকীয় আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থাৎ শাসন বদলে গেলেও বাঙালির পাতে মাছের ঝোল যে নিয়মিত থাকছে, প্রোটেম স্পিকারের এই আতিথেয়তা যেন সেই গ্যারান্টিই দিয়ে দিল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার