রাজ্যে পালাবদলের পরেই এবার দুর্নীতির ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙতে কোমর বেঁধে নামল নতুন সরকার। সাদা খাতা জমা দিয়ে কিংবা অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য উপায়ে যারা শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের জন্য ঘনিয়ে এল বিপদের মেঘ।
২০১৬ সালের এসএসসির প্যানেলে থাকা সেই সমস্ত অযোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের এবার সুদ-সহ বেতন ফেরত দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর। এই মর্মে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দপ্তরের সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারির পাঠানো এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই কার্যত ঘুম উড়েছে হাজার হাজার অযোগ্য চাকরিপ্রাপকের।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্যদের বেতন ফেরানোর রায় দিলেও এতদিন তা কার্যকর হয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসতেই সেই থমকে থাকা প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রায় ২৫ হাজার ৭৩৫ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশের মধ্যে ১৮০৬ জনকে সুনির্দিষ্টভাবে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
ওএমআর শিট কারচুপি থেকে শুরু করে মাত্র কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মেধাতালিকায় নাম তোলার মতো চাঞ্চল্যকর সব তথ্য সামনে এসেছিল তদন্তে। এবার সেই সমস্ত অযোগ্যদের কাছ থেকে জনগণের ট্যাক্সের টাকা কড়ায়-গণ্ডায় উসুল করতে জেলাশাসকদের ময়দানে নামাল শিক্ষা দপ্তর। কারচুপি করে পাওয়া বেতনের টাকা কীভাবে আদায় করা হবে, তা নিয়ে এখন চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন