Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোট মিটলেও মিটছে না লড়াই! গোটা ফলতায় নতুন করে ভোটের নজিরবিহীন নির্দেশ কমিশনের, কবে ফলপ্রকাশ?

ভোট মিটলেও মিটছে না লড়াই! গোটা ফলতায় নতুন করে ভোটের নজিরবিহীন নির্দেশ কমিশনের, কবে ফলপ্রকাশ?
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: ৩ মে, ২০২৬: বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই নতুন করে নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হলো। শনিবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, আগামী ৪ মে রাজ্যের বাকি ২৯৩টি আসনের ফলপ্রকাশ হলেও ফলতার ভাগ্য ঝুলে থাকবে। আগামী ২১ মে এই বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথেই পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফলপ্রকাশ হবে ২৪ মে। সাম্প্রতিক অতীতে কোনো নির্দিষ্ট একটি বুথ নয়, বরং সম্পূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে পুনর্নির্বাচনের এমন ঘটনা কার্যত দেখেনি রাজ্যবাসী।


গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ফলতা। ইভিএমে বিরোধী দলের প্রতীকে টেপ মারা থেকে শুরু করে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের ভুরিভুরি অভিযোগ জমা পড়েছিল কমিশনে। বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের স্ক্রুটিনি রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।


 ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৫৮-এ ধারা প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন করানোর ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের হাতে। মূলত রক্তপাতহীন ও ১০০ শতাংশ স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই বড় চাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ৪ মে যখন বাকি রাজ্য জয়ের উৎসবে মাতবে, ফলতা তখন ফের একবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নেবে।

বিষয় : West Bengal Election 2026 BengalPolitics ELECTIONCOMMISION jahangirkhan flataelection

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভোট মিটলেও মিটছে না লড়াই! গোটা ফলতায় নতুন করে ভোটের নজিরবিহীন নির্দেশ কমিশনের, কবে ফলপ্রকাশ?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ৩ মে, ২০২৬: বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই নতুন করে নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হলো। শনিবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, আগামী ৪ মে রাজ্যের বাকি ২৯৩টি আসনের ফলপ্রকাশ হলেও ফলতার ভাগ্য ঝুলে থাকবে। আগামী ২১ মে এই বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথেই পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফলপ্রকাশ হবে ২৪ মে। সাম্প্রতিক অতীতে কোনো নির্দিষ্ট একটি বুথ নয়, বরং সম্পূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে পুনর্নির্বাচনের এমন ঘটনা কার্যত দেখেনি রাজ্যবাসী।গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ফলতা। ইভিএমে বিরোধী দলের প্রতীকে টেপ মারা থেকে শুরু করে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের ভুরিভুরি অভিযোগ জমা পড়েছিল কমিশনে। বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের স্ক্রুটিনি রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৫৮-এ ধারা প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন করানোর ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের হাতে। মূলত রক্তপাতহীন ও ১০০ শতাংশ স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই বড় চাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ৪ মে যখন বাকি রাজ্য জয়ের উৎসবে মাতবে, ফলতা তখন ফের একবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নেবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার