Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মহিলা বিল ও রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’কে হাতিয়ার করে বাঁকুড়ায় তৃণমূলকে তোপ মোদীর, পাল্টা জবাব শাসক শিবিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মহিলা বিল ও রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’কে হাতিয়ার করে বাঁকুড়ায় তৃণমূলকে তোপ মোদীর, পাল্টা জবাব শাসক শিবিরের
FILE IMAGE

বাঁকুড়া: প্রথম দফা ভোটের আগে শেষ রবিবারের নির্বাচনী প্রচারে মেগা ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার জনসভা থেকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি অভিযোগ তোলেন, বাংলার মেয়েদের বারংবার ধোঁকা দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সংসদে মহিলা বিল পাশ না হওয়া এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ। 


মোদি দাবি করেন, তৃণমূল চায় না রাজনীতিতে মহিলাদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পাক কিংবা বাংলার সাধারণ পরিবারের মেয়েরা বিধায়ক-সাংসদ হয়ে উঠে আসুক। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ আইন তৈরি করতে বাধা দিয়েছে। আদিবাসী আবেগকে ছুঁয়ে তিনি আরও বলেন যে, এদেশের গর্ব আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি যখন বাংলায় আসেন, তখন তৃণমূল তাঁকে অপমান করেছে— যা এদেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না।


নির্বাচনী ময়দানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা ফ্রি রেশন, মাসিক আর্থিক সাহায্য এবং 'লাখপতি দিদি'র মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির পূর্ণ সুবিধা পাবেন। বিজেপির দাবি, তাদের শাসিত রাজ্যগুলিতে মহিলাদের মর্যাদা বাংলার তুলনায় অনেক বেশি। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তৃণমূল কংগ্রেসও। 


শাসক শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মহিলাদের অগ্রগতি নিয়ে বিজেপি ডাহা মিথ্যাচার করছে। তৃণমূলের যুক্তি, ছাব্বিশের নির্বাচনে তাদের প্রার্থী তালিকায় ৫০ জনেরও বেশি মহিলা জায়গা পেয়েছেন এবং বর্তমানে লোকসভায় দলের ২৯ জন সাংসদের মধ্যে ১১ জনই মহিলা— যা দেশের অন্যান্য দলের তুলনায় অনেক বেশি উদাহরণযোগ্য।


ভোটের মুখে একদিকে মোদির মুখে নারী সুরক্ষা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, আর অন্যদিকে তৃণমূলের নিজস্ব পরিসংখ্যান তুলে ধরে পালটা আক্রমণ— সব মিলিয়ে বাংলার মেয়েদের মন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে ঘোরে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর বাঁকুড়া-সহ জঙ্গলমহলের আদিবাসী প্রধান জেলাগুলিতে নতুন করে রাজনীতির সমীকরণ তৈরি হতে শুরু করেছে। ভোটারদের দরবারে কার দেওয়া 'গ্যারান্টি' বেশি গ্রহণযোগ্য হবে, তার উত্তর পাওয়া যাবে আগামী ৪ মে।

বিষয় : WESTBENGAL TMC POLITICAL CHAOS NarendraModi TMCVSBJP BANKURAELECTION WOMENRESERVATIONBILL

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


মহিলা বিল ও রাষ্ট্রপতির ‘অপমান’কে হাতিয়ার করে বাঁকুড়ায় তৃণমূলকে তোপ মোদীর, পাল্টা জবাব শাসক শিবিরের

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বাঁকুড়া: প্রথম দফা ভোটের আগে শেষ রবিবারের নির্বাচনী প্রচারে মেগা ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার জনসভা থেকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি অভিযোগ তোলেন, বাংলার মেয়েদের বারংবার ধোঁকা দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সংসদে মহিলা বিল পাশ না হওয়া এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ। মোদি দাবি করেন, তৃণমূল চায় না রাজনীতিতে মহিলাদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পাক কিংবা বাংলার সাধারণ পরিবারের মেয়েরা বিধায়ক-সাংসদ হয়ে উঠে আসুক। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ আইন তৈরি করতে বাধা দিয়েছে। আদিবাসী আবেগকে ছুঁয়ে তিনি আরও বলেন যে, এদেশের গর্ব আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি যখন বাংলায় আসেন, তখন তৃণমূল তাঁকে অপমান করেছে— যা এদেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না।নির্বাচনী ময়দানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা ফ্রি রেশন, মাসিক আর্থিক সাহায্য এবং 'লাখপতি দিদি'র মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির পূর্ণ সুবিধা পাবেন। বিজেপির দাবি, তাদের শাসিত রাজ্যগুলিতে মহিলাদের মর্যাদা বাংলার তুলনায় অনেক বেশি। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তৃণমূল কংগ্রেসও। শাসক শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মহিলাদের অগ্রগতি নিয়ে বিজেপি ডাহা মিথ্যাচার করছে। তৃণমূলের যুক্তি, ছাব্বিশের নির্বাচনে তাদের প্রার্থী তালিকায় ৫০ জনেরও বেশি মহিলা জায়গা পেয়েছেন এবং বর্তমানে লোকসভায় দলের ২৯ জন সাংসদের মধ্যে ১১ জনই মহিলা— যা দেশের অন্যান্য দলের তুলনায় অনেক বেশি উদাহরণযোগ্য।ভোটের মুখে একদিকে মোদির মুখে নারী সুরক্ষা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, আর অন্যদিকে তৃণমূলের নিজস্ব পরিসংখ্যান তুলে ধরে পালটা আক্রমণ— সব মিলিয়ে বাংলার মেয়েদের মন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে ঘোরে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর বাঁকুড়া-সহ জঙ্গলমহলের আদিবাসী প্রধান জেলাগুলিতে নতুন করে রাজনীতির সমীকরণ তৈরি হতে শুরু করেছে। ভোটারদের দরবারে কার দেওয়া 'গ্যারান্টি' বেশি গ্রহণযোগ্য হবে, তার উত্তর পাওয়া যাবে আগামী ৪ মে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার