কলকাতা: ভোটের মরশুমে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিতৎপরতা নিয়ে সরগরম বাংলার রাজনীতি। কলকাতার রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বর্ষীয়ান নেতা দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় আয়কর দফতরের ম্যারাথন তল্লাশিকে ‘বেআইনি’ আখ্যা দিয়ে এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। আদর্শ আচরণবিধি (MCC) লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির।
শুক্রবার দিনভর দক্ষিণ কলকাতায় দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয় কার্যত দখলে রেখেছিলেন আয়কর আধিকারিকরা! বাইরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারা। প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে চলা এই তল্লাশিকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ ও ‘হেনস্থা’ হিসাবেই দেখছে শাসকদল। তৃণমূলের দাবি, ভোটের মুখে একজন জনপ্রতিনিধিকে এভাবে আটকে রাখা কেবল বেআইনিই নয়, বরং নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘনও!
এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো চিঠিতে তৃণমূল কংগ্রেস একাধিক ইস্যু তুলেছে। তাদের বক্তব্য হল - আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে হেনস্থা করা আইনত অপরাধ। তৃণমূলের প্রশ্ন, প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের সম্পত্তির খতিয়ান হলফনামা আকারে কমিশনে জমা দেন। দেবাশিস কুমারও তা করেছেন। তা সত্ত্বেও কেন এই জরুরি তল্লাশি? তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তৃণমূল প্রার্থীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের হেনস্থা করাই এদের একমাত্র লক্ষ্য। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বাংলা একই ছবি দেখেছিল। এবারও কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ঢাল করে রাজনৈতিক জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আমরা এই চক্রান্তের শেষ দেখে ছাড়ব।”

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন