নিজস্ব প্রতিনিধি: ক্যালেন্ডারের পাতায় বসন্ত চললেও সিকিমে এখন অকাল শীতের দাপট। গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার তুষারপাতের জেরে সাদা বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে ছাঙ্গু লেক ও নাথু লা। উত্তর সিকিমের লাচুং এবং লাচেনও এখন কার্যত বরফপুরী। সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা জানিয়েছেন, আগামী দু-তিনদিন উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত অব্যাহত থাকবে। আর এই তুষারপাতের টানেই ডুয়ার্স ও দার্জিলিংয়ে আসা পর্যটকরা এখন দলে দলে ভিড় জমাচ্ছেন সিকিমে।
২০২৩-এর হ্রদ বিপর্যয় এবং গত বছরের হড়পাবানের ক্ষত কাটিয়ে দীর্ঘ সময় পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলো উত্তর সিকিমের লাচেন ও গুরুদংমার লেক যাওয়ার পথ। তারাম চু নদীর ওপর নতুন বেইলি সাসপেনশন ব্রিজ চালু হতেই পর্যটকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ হয়েছে। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত নীল জলের গুরুদংমার লেক এখন পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ।
পর্যটন দপ্তর লাচেন যাওয়ার অনুমতি দিলেও জারি করেছে একগুচ্ছ নিয়ম। একনজরে দেখে নিন কী কী মানতে হবে:
পারমিট: উত্তর সিকিমে যাওয়ার জন্য এখন আর দিনের দিন পারমিট পাওয়া যাবে না। অন্তত একদিন আগে আবেদন করতে হবে।
ভ্রমণের সময়সীমা: পর্যটকদের জন্য ন্যূনতম ৩ দিন ২ রাত এবং সর্বোচ্চ ৬ দিন ৫ রাতের পারমিট দেওয়া হচ্ছে।
সময়সীমা: যাওয়ার সময় বা ফেরার সময়, বিকেল ৪টের মধ্যে টুং চেক পোস্ট পার করতে হবে সব পর্যটকবাহী গাড়িকে।
জরুরি ঘোষণা: পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ফিরতে চাইলে টুং চেক পোস্টে আগাম জানাতে হবে।
সতর্কতা: সিকিমের পর্যটন সচিব সি এস রাও জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে ঘোরাঘুরি করলে পর্যটকদের জরিমানা করা হবে।
হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানিয়েছেন, বরফের টানে সিকিমে এখন পর্যটনের নতুন জোয়ার এসেছে। রাস্তা খুলে যাওয়ায় হাসি ফুটেছে পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ভ্রমণপিপাসু মানুষ—সবার মুখে।চলাচল করতে পারবে না। ভার কমাতে গাড়িতে বাড়তি ট্যুরিস্ট বহন করা যাবে না এবং পর্যটকরা যাতে যথাসম্ভব কম লাগেজ বহন করেন, সেব্যাপারেও জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন