সিকিমের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সান্দাকফুতে প্রায় শতাধিক পর্যটক তুষারঝড়ের কারণে আটকা পড়েছেন। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজ়ম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্ন্যাল জানান, “সঠিক সংখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি, তবে ইতিমধ্যেই জিটিএ থেকে কর্মীরা বরফ সরানোর কাজ শুরু করেছেন। ন্যাশনাল পার্ক হওয়ায় প্রযুক্তি ব্যবহার সীমিত, তাই হাতে-কলমে যতটা সম্ভব বরফ সরিয়ে পর্যটকদের সুরক্ষিতভাবে নিচে নামানোর চেষ্টা চলছে।”[TECHTARANGA-POST:7480]উত্তর ও পূর্ব সিকিমের অন্যান্য অঞ্চলেও তুষারপাত অব্যাহত রয়েছে। লাচেন থেকে থাঙ্গু এবং থাঙ্গু থেকে গুরুদোংমার যাওয়া রাস্তা বন্ধ রয়েছে। ইউমথাং থেকে জ়িরো পয়েন্ট পর্যন্ত পথও তুষারপাতের কারণে বন্ধ। তবে চুংথাং থেকে লাচুং ও মঙ্গন যাওয়ার বেশ কয়েকটি রাস্তা খোলা রয়েছে। হালকা যানবাহন চলাচলে সমস্যা নেই, তবে বড় গাড়ির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7481]সিকিম আবহাওয়া দফতের পরিচালক ডক্টর গোপীনাথ রাহা জানান, “উঁচু পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত চলবে। সান্দাকফুসহ সিকিমের অন্যান্য অংশেও তুষারপাত এবং ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পাহাড় ও সমতলে একসাথে বৃষ্টি হবে। রবিবার থেকে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে।”[TECHTARANGA-POST:7477]এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ২৮ মার্চ পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহে ২৪ মার্চ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে, এরপর আকাশ পরিষ্কার হবে। তাই ২৪ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের চার জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেও ২৪ মার্চ পর্যন্ত বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে।