Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সংসদীয় নিয়ম মেনেই বড় পদক্ষেপ, পিএম কেয়ার্স ও ত্রাণ তহবিল নিয়ে অযথা বিতর্কে জল ঢালল পিএমও

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংসদীয় নিয়ম মেনেই বড় পদক্ষেপ, পিএম কেয়ার্স ও ত্রাণ তহবিল নিয়ে অযথা বিতর্কে জল ঢালল পিএমও

নয়াদিল্লি: সংসদের অলিন্দে দাঁড়িয়ে স্রেফ রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছেন বিরোধীরা? জনসেবার কাজে ব্যবহৃত স্বেচ্ছাসেবী তহবিল নিয়ে অযথা প্রশ্ন তুলে কি সময় নষ্টের রাজনীতি চলছে? এই সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটাতে এবার সংসদীয় রুলবুক বা কার্যবিধি মেনেই কড়া অবস্থান নিল প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় (PMO)। সংসদের সচিবালয়কে দেওয়া এক বার্তায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, পিএম কেয়ার্স ফান্ড (PM CARES Fund), প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) এবং জাতীয় সামরিক তহবিল (NDF) নিয়ে সংসদে কোনও প্রশ্ন তোলা যাবে না।


প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বিরোধীরা সব কিছুতেই সরকারের নিয়ন্ত্রণ খোঁজার চেষ্টা করলেও, এই তহবিলগুলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। গত ৩০ জানুয়ারি পিএমও-র তরফে সংসদের সচিবালয়কে জানানো হয়েছে, লোকসভার কার্যবিধির অনুচ্ছেদ ৪১(২) (৮) এবং ৪১(২) (১৭) অনুযায়ী এই বিষয়ে কোনও আলোচনা বা প্রশ্ন করার অবকাশ নেই।


কেন এই তহবিলগুলি নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না? প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, এই তিনটি তহবিলই তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থে। সরকারের সঞ্চিত তহবিল (Consolidated Fund of India) থেকে এই বাবদ একটি পয়সাও নেওয়া হয়নি।


তাছাড়া, যেহেতু এখানে সরকারি খাতের টাকা ব্যবহৃত হয় না, তাই নিয়মানুযায়ী ভারত সরকারের সরাসরি দায়বদ্ধতা নেই এমন বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনা করা যায় না। ৪১(২) (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যেসব বিষয়ের সাথে ভারত সরকারের প্রাথমিক সম্পর্ক নেই, সেগুলি সংসদীয় প্রশ্নের ঊর্ধ্বে।


উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা অতিমারির ভয়াবহ সময়ে আর্তমানুষের পাশে দাঁড়াতে স্বচ্ছতার সাথে তৈরি হয়েছিল পিএম কেয়ার্স ফান্ড। ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই তহবিলে জমা পড়েছিল ৬,২৮৩.৭ কোটি টাকা। যা দিয়ে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু, একদল বিরোধী নেতা শুরু থেকেই এই উন্নয়নমূলক কাজে বাধা সৃষ্টি করতে এবং জনগণের দান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে তৎপর হয়েছেন।


রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন নিয়মবহির্ভূত প্রশ্ন তুলে সংসদীয় সময় নষ্ট করার বিরোধীদের যে অপচেষ্টা চলছিল, পিএমও-র এই অবস্থান সেই পথ বন্ধ দিল। এক্ষেত্রে নিয়ম মেনেই এই তহবিলগুলিকে রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি থেকে মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে , নিয়ম ভাঙার কোনও সুযোগ নেই। সংসদীয় বিধি সামনে রেখেই এবার বিরোধীদের জবাব দিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর।

বিষয় : narendra modi PMCares ModiCares

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


সংসদীয় নিয়ম মেনেই বড় পদক্ষেপ, পিএম কেয়ার্স ও ত্রাণ তহবিল নিয়ে অযথা বিতর্কে জল ঢালল পিএমও

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: সংসদের অলিন্দে দাঁড়িয়ে স্রেফ রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছেন বিরোধীরা? জনসেবার কাজে ব্যবহৃত স্বেচ্ছাসেবী তহবিল নিয়ে অযথা প্রশ্ন তুলে কি সময় নষ্টের রাজনীতি চলছে? এই সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটাতে এবার সংসদীয় রুলবুক বা কার্যবিধি মেনেই কড়া অবস্থান নিল প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় (PMO)। সংসদের সচিবালয়কে দেওয়া এক বার্তায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, পিএম কেয়ার্স ফান্ড (PM CARES Fund), প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) এবং জাতীয় সামরিক তহবিল (NDF) নিয়ে সংসদে কোনও প্রশ্ন তোলা যাবে না।প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বিরোধীরা সব কিছুতেই সরকারের নিয়ন্ত্রণ খোঁজার চেষ্টা করলেও, এই তহবিলগুলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। গত ৩০ জানুয়ারি পিএমও-র তরফে সংসদের সচিবালয়কে জানানো হয়েছে, লোকসভার কার্যবিধির অনুচ্ছেদ ৪১(২) (৮) এবং ৪১(২) (১৭) অনুযায়ী এই বিষয়ে কোনও আলোচনা বা প্রশ্ন করার অবকাশ নেই।কেন এই তহবিলগুলি নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না? প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, এই তিনটি তহবিলই তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থে। সরকারের সঞ্চিত তহবিল (Consolidated Fund of India) থেকে এই বাবদ একটি পয়সাও নেওয়া হয়নি।তাছাড়া, যেহেতু এখানে সরকারি খাতের টাকা ব্যবহৃত হয় না, তাই নিয়মানুযায়ী ভারত সরকারের সরাসরি দায়বদ্ধতা নেই এমন বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনা করা যায় না। ৪১(২) (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যেসব বিষয়ের সাথে ভারত সরকারের প্রাথমিক সম্পর্ক নেই, সেগুলি সংসদীয় প্রশ্নের ঊর্ধ্বে।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা অতিমারির ভয়াবহ সময়ে আর্তমানুষের পাশে দাঁড়াতে স্বচ্ছতার সাথে তৈরি হয়েছিল পিএম কেয়ার্স ফান্ড। ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই তহবিলে জমা পড়েছিল ৬,২৮৩.৭ কোটি টাকা। যা দিয়ে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু, একদল বিরোধী নেতা শুরু থেকেই এই উন্নয়নমূলক কাজে বাধা সৃষ্টি করতে এবং জনগণের দান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে তৎপর হয়েছেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন নিয়মবহির্ভূত প্রশ্ন তুলে সংসদীয় সময় নষ্ট করার বিরোধীদের যে অপচেষ্টা চলছিল, পিএমও-র এই অবস্থান সেই পথ বন্ধ দিল। এক্ষেত্রে নিয়ম মেনেই এই তহবিলগুলিকে রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি থেকে মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে , নিয়ম ভাঙার কোনও সুযোগ নেই। সংসদীয় বিধি সামনে রেখেই এবার বিরোধীদের জবাব দিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার