Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

'চলো সংসদ' হিংসার ৪ দিন আগেই মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা! কাকতালীয়, নাকি আরও বড় কোনও ইঙ্গিত?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬
 'চলো সংসদ' হিংসার ৪ দিন আগেই মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা! কাকতালীয়, নাকি আরও বড় কোনও ইঙ্গিত?
ছবি সংগৃহীত

রাজধানী দিল্লিতে তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে উত্তেজনা এখনও থামেনি। আন্দোলনের জেরে সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। এই আবহেই প্রকাশ্যে এসেছে আরও একটি তথ্য, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, ২০ জুলাইয়ের 'চলো সংসদ' কর্মসূচির চার দিন আগে, অর্থাৎ ১৭ জুলাই, ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল।


সেই সতর্কবার্তায় আমেরিকান নাগরিকদের দিল্লির বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ঠিক চার দিন পরই রাজধানীর রাস্তায় দেখা যায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস, এমনকি অস্ত্র হাতে কিছু ব্যক্তির উপস্থিতির অভিযোগও সামনে আসে। ফলে প্রশ্ন উঠছে যে এত আগে থেকেই সম্ভাব্য অশান্তির বিষয়ে দূতাবাসের কাছে কী ধরনের তথ্য ছিল? ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিদেশি দূতাবাসগুলি সাধারণত নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন সূত্র থেকে আগাম তথ্য সংগ্রহ করে সতর্কতা জারি করে। তবে এই সতর্কবার্তার সময় এবং পরবর্তী ঘটনাক্রম অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে।


প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের প্রতিবাদে মৌলালিতে বিজেপির বিক্ষোভ


এদিকে, আন্দোলনের মাঝেই বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামির সমর্থনসূচক চিঠি সামনে আসার দাবিও নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। ফলে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে যে শিক্ষা ইস্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের মধ্যে কীভাবে হিংসাত্মক উপাদান ঢুকে পড়ল? কারা পরিস্থিতিকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিল? 


এর নেপথ্যে শুধুই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, নাকি অন্য কোনও শক্তিও সক্রিয় ছিল? NEET-সহ বিভিন্ন শিক্ষা সংক্রান্ত দাবি নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনে ছাত্র-যুবকদের ক্ষোভ ছিল বাস্তব। কিন্তু আন্দোলনের একটি অংশে হিংসা, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নতুন করে তদন্তের দাবি তুলেছে। বিভিন্ন মহলের দাবি, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিল এবং কোনও সংগঠিত বা বহিরাগত প্রভাব কাজ করেছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই সামনে আসা উচিত।

বিষয় : DELHIPROTEST StudentProtest paarliamentmarch usembassayalert

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


'চলো সংসদ' হিংসার ৪ দিন আগেই মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা! কাকতালীয়, নাকি আরও বড় কোনও ইঙ্গিত?

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image
রাজধানী দিল্লিতে তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে উত্তেজনা এখনও থামেনি। আন্দোলনের জেরে সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। এই আবহেই প্রকাশ্যে এসেছে আরও একটি তথ্য, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, ২০ জুলাইয়ের 'চলো সংসদ' কর্মসূচির চার দিন আগে, অর্থাৎ ১৭ জুলাই, ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল।সেই সতর্কবার্তায় আমেরিকান নাগরিকদের দিল্লির বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ঠিক চার দিন পরই রাজধানীর রাস্তায় দেখা যায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস, এমনকি অস্ত্র হাতে কিছু ব্যক্তির উপস্থিতির অভিযোগও সামনে আসে। ফলে প্রশ্ন উঠছে যে এত আগে থেকেই সম্ভাব্য অশান্তির বিষয়ে দূতাবাসের কাছে কী ধরনের তথ্য ছিল? ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিদেশি দূতাবাসগুলি সাধারণত নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন সূত্র থেকে আগাম তথ্য সংগ্রহ করে সতর্কতা জারি করে। তবে এই সতর্কবার্তার সময় এবং পরবর্তী ঘটনাক্রম অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে।প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের প্রতিবাদে মৌলালিতে বিজেপির বিক্ষোভএদিকে, আন্দোলনের মাঝেই বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামির সমর্থনসূচক চিঠি সামনে আসার দাবিও নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। ফলে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে যে শিক্ষা ইস্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের মধ্যে কীভাবে হিংসাত্মক উপাদান ঢুকে পড়ল? কারা পরিস্থিতিকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিল? এর নেপথ্যে শুধুই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, নাকি অন্য কোনও শক্তিও সক্রিয় ছিল? NEET-সহ বিভিন্ন শিক্ষা সংক্রান্ত দাবি নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনে ছাত্র-যুবকদের ক্ষোভ ছিল বাস্তব। কিন্তু আন্দোলনের একটি অংশে হিংসা, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নতুন করে তদন্তের দাবি তুলেছে। বিভিন্ন মহলের দাবি, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিল এবং কোনও সংগঠিত বা বহিরাগত প্রভাব কাজ করেছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই সামনে আসা উচিত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত