Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রক্তে ভাসছে স্বামীর লাশ, পাশে শুয়ে মোবাইল ঘাঁটছেন স্ত্রী! কর্নাটকের এই হাড়হিম করা ঘটনার রহস্য কী?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬
রক্তে ভাসছে স্বামীর লাশ, পাশে শুয়ে মোবাইল ঘাঁটছেন স্ত্রী! কর্নাটকের এই হাড়হিম করা ঘটনার রহস্য কী?
ছবি সংগৃহীত

ধারওয়াড়: বিছানার একপাশে পড়ে রয়েছে চিকিৎসক স্বামীর নিথর ও রক্তাক্ত দেহ, রক্তে ভিজে লাল হয়ে গিয়েছে বিছানার চাদর। মেঝের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছে আট বছরের নিষ্পাপ সন্তান, যার শরীর থেকে অনবরত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তখনও চলছে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার শেষ লড়াই। আর ঠিক এই গা শিউরে ওঠা বীভৎসতার মাঝেই, স্বামীর লাশের পাশে বিছানায় শুয়ে পরম শান্তিতে মোবাইলের স্ক্রিনে আঙুল ঘষে চলেছেন এক মহিলা। বুধবার সন্ধ্যায় কর্নাটকের ধারওয়াড়ের একটি আবাসনে ঘটে যাওয়া এই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ। নিজের চিকিৎসক স্বামীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার পর খোদ সন্তানকেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার এই রোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে পেশায় চিকিৎসক স্ত্রী প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধারওয়াড়ের একটি ফ্ল্যাটে চিকিৎসক কিরণ হোনান্নাভার তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা এবং তাঁদের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার রাতে, যখন কিরণের এক আত্মীয় তাঁকে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। সেই সময় ফোন ধরেন প্রিয়ঙ্কা এবং অত্যন্ত স্বাভাবিক গলায় জানান যে কিরণ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। বুধবার সকালেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে এবং সারাদিন কিরণের কোনো খোঁজ না মেলায় সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁরা সরাসরি ওই ফ্ল্যাটে পৌঁছাতেই ঘরের ভেতরের দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন। কিরণকে নিথর অবস্থায় বিছানায় এবং সন্তানকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলেও, প্রিয়ঙ্কাকে অত্যন্ত নির্বিকারভাবে মোবাইল ঘেঁটে যেতে দেখেন তাঁরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশে।


পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিরণের মৃতদেহ উদ্ধার করার পাশাপাশি গুরুতর জখম শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভরতি করে, যেখানে সে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত চিকিৎসক স্ত্রী প্রিয়ঙ্কাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হুব্বলি-ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন শশীকুমার জানিয়েছেন, ধৃত প্রিয়ঙ্কাকে হেফাজতে নিয়ে ম্যারাথন জেরা করা হবে। ঠিক কী কারণে নিজের স্বামীকে এভাবে খুন হতে হলো, কেনই বা আট বছরের নিজের সন্তানকে কুপিয়ে মারার চেষ্টা করলেন এই মহিলা চিকিৎসক, তার নেপথ্যে কোনো গভীর পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনো মানসিক বিকার বা রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে সবদিক থেকে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বিষয় : CrimeNews KARNATAKAHORROR DOCTORMURDER

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


রক্তে ভাসছে স্বামীর লাশ, পাশে শুয়ে মোবাইল ঘাঁটছেন স্ত্রী! কর্নাটকের এই হাড়হিম করা ঘটনার রহস্য কী?

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image
ধারওয়াড়: বিছানার একপাশে পড়ে রয়েছে চিকিৎসক স্বামীর নিথর ও রক্তাক্ত দেহ, রক্তে ভিজে লাল হয়ে গিয়েছে বিছানার চাদর। মেঝের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছে আট বছরের নিষ্পাপ সন্তান, যার শরীর থেকে অনবরত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তখনও চলছে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার শেষ লড়াই। আর ঠিক এই গা শিউরে ওঠা বীভৎসতার মাঝেই, স্বামীর লাশের পাশে বিছানায় শুয়ে পরম শান্তিতে মোবাইলের স্ক্রিনে আঙুল ঘষে চলেছেন এক মহিলা। বুধবার সন্ধ্যায় কর্নাটকের ধারওয়াড়ের একটি আবাসনে ঘটে যাওয়া এই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ। নিজের চিকিৎসক স্বামীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার পর খোদ সন্তানকেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার এই রোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে পেশায় চিকিৎসক স্ত্রী প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধারওয়াড়ের একটি ফ্ল্যাটে চিকিৎসক কিরণ হোনান্নাভার তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা এবং তাঁদের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার রাতে, যখন কিরণের এক আত্মীয় তাঁকে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। সেই সময় ফোন ধরেন প্রিয়ঙ্কা এবং অত্যন্ত স্বাভাবিক গলায় জানান যে কিরণ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। বুধবার সকালেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে এবং সারাদিন কিরণের কোনো খোঁজ না মেলায় সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁরা সরাসরি ওই ফ্ল্যাটে পৌঁছাতেই ঘরের ভেতরের দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন। কিরণকে নিথর অবস্থায় বিছানায় এবং সন্তানকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলেও, প্রিয়ঙ্কাকে অত্যন্ত নির্বিকারভাবে মোবাইল ঘেঁটে যেতে দেখেন তাঁরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশে।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিরণের মৃতদেহ উদ্ধার করার পাশাপাশি গুরুতর জখম শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভরতি করে, যেখানে সে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত চিকিৎসক স্ত্রী প্রিয়ঙ্কাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হুব্বলি-ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন শশীকুমার জানিয়েছেন, ধৃত প্রিয়ঙ্কাকে হেফাজতে নিয়ে ম্যারাথন জেরা করা হবে। ঠিক কী কারণে নিজের স্বামীকে এভাবে খুন হতে হলো, কেনই বা আট বছরের নিজের সন্তানকে কুপিয়ে মারার চেষ্টা করলেন এই মহিলা চিকিৎসক, তার নেপথ্যে কোনো গভীর পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনো মানসিক বিকার বা রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে সবদিক থেকে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার