Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

একুশের মঞ্চে আর সেলেব্রিটির ভিড় নয়! শহিদ পরিবারকে সামনে রেখেই নতুন বার্তা ঋতব্রত শিবিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬
একুশের মঞ্চে আর সেলেব্রিটির ভিড় নয়! শহিদ পরিবারকে সামনে রেখেই নতুন বার্তা ঋতব্রত শিবিরের
ছবি সংগৃহীত

একুশের মঞ্চে এবার তারকারা নন, থাকবেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। প্রস্তুতি বৈঠক থেকে এমনই ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “একুশের মঞ্চ নাচ-গান বা সেলেব্রিটিদের জন্য নয়। এই মঞ্চ তাঁদের, যাঁরা রক্ত দিয়ে লড়াই করেছেন।” 


দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে আয়োজিত প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের বিভিন্ন জেলার নেতৃত্ব। সেখান থেকেই ঋতব্রত জানান, ২১ জুলাই শুধুমাত্র রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের দিন নয়, এটি দলের ইতিহাস, আবেগ এবং আত্মত্যাগের দিন। তাই যে মানুষগুলোর পরিবারের সদস্যরা আন্দোলনের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন, তাঁদেরই এবার মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হবে। বাংলার রাজনীতিতে ২১ জুলাই একটি বিশেষ দিন। ১৯৯৩ সালে যুব কংগ্রেসের ‘নো ভোটার আইডি, নো ভোট’ আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর শহিদ দিবস পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর এই দিনটি দলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পরিণত হয়।

তবে গত কয়েক বছরে এই সমাবেশকে ঘিরে নানা সমালোচনা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠানের চেয়ে এটি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ‘মেগা শো’-তে পরিণত হয়েছিল। বিশাল মঞ্চ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, টলিউড তারকাদের উপস্থিতি এবং বিপুল আয়োজনের ভিড়ে শহিদ পরিবারগুলি কার্যত আড়ালেই থেকে গিয়েছিল। এবার সেই ধারণা বদলানোরই চেষ্টা করছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। তাঁর কথায়, “এই মঞ্চ তৃণমূল স্তরের কর্মীদের, যাঁরা রক্ত দিয়ে দলকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। কোনও নাচ-গান হবে না। শহিদদের স্মরণই হবে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।” এদিন তিনি আরও জানান, পাহাড় থেকে সাগর পর্যন্ত দলের নিচুতলার কর্মীদের জন্য বরাদ্দ অর্থ কোথায় এবং কীভাবে খরচ হয়েছে, সেই প্রশ্নও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে তোলা হবে। পাশাপাশি তাঁর দাবি, এবারের সমাবেশই প্রমাণ করে দেবে কারা এখনও দলের সঙ্গে রয়েছেন।


২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে সফল করতে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে ঋতব্রত শিবির। এবারের সমাবেশ হবে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেতৃত্বকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুথ স্তর থেকে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : Shahid Diwas Bengal Politics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


একুশের মঞ্চে আর সেলেব্রিটির ভিড় নয়! শহিদ পরিবারকে সামনে রেখেই নতুন বার্তা ঋতব্রত শিবিরের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image
একুশের মঞ্চে এবার তারকারা নন, থাকবেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। প্রস্তুতি বৈঠক থেকে এমনই ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “একুশের মঞ্চ নাচ-গান বা সেলেব্রিটিদের জন্য নয়। এই মঞ্চ তাঁদের, যাঁরা রক্ত দিয়ে লড়াই করেছেন।” দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে আয়োজিত প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের বিভিন্ন জেলার নেতৃত্ব। সেখান থেকেই ঋতব্রত জানান, ২১ জুলাই শুধুমাত্র রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের দিন নয়, এটি দলের ইতিহাস, আবেগ এবং আত্মত্যাগের দিন। তাই যে মানুষগুলোর পরিবারের সদস্যরা আন্দোলনের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন, তাঁদেরই এবার মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হবে। বাংলার রাজনীতিতে ২১ জুলাই একটি বিশেষ দিন। ১৯৯৩ সালে যুব কংগ্রেসের ‘নো ভোটার আইডি, নো ভোট’ আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর শহিদ দিবস পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর এই দিনটি দলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পরিণত হয়।তবে গত কয়েক বছরে এই সমাবেশকে ঘিরে নানা সমালোচনা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠানের চেয়ে এটি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ‘মেগা শো’-তে পরিণত হয়েছিল। বিশাল মঞ্চ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, টলিউড তারকাদের উপস্থিতি এবং বিপুল আয়োজনের ভিড়ে শহিদ পরিবারগুলি কার্যত আড়ালেই থেকে গিয়েছিল। এবার সেই ধারণা বদলানোরই চেষ্টা করছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। তাঁর কথায়, “এই মঞ্চ তৃণমূল স্তরের কর্মীদের, যাঁরা রক্ত দিয়ে দলকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। কোনও নাচ-গান হবে না। শহিদদের স্মরণই হবে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।” এদিন তিনি আরও জানান, পাহাড় থেকে সাগর পর্যন্ত দলের নিচুতলার কর্মীদের জন্য বরাদ্দ অর্থ কোথায় এবং কীভাবে খরচ হয়েছে, সেই প্রশ্নও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে তোলা হবে। পাশাপাশি তাঁর দাবি, এবারের সমাবেশই প্রমাণ করে দেবে কারা এখনও দলের সঙ্গে রয়েছেন।২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে সফল করতে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে ঋতব্রত শিবির। এবারের সমাবেশ হবে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেতৃত্বকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুথ স্তর থেকে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার