সন্ত্রাসবাদ দমনে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জৈশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈবার ২৩ জন সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জঙ্গি’ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভাঙা এবং ভারতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ রুখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
'বিশ্বকাপে অঘটনের আশায় আছি'— আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দাবি, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি নিয়োগ, ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য, প্রশিক্ষণ দেওয়া, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার এবং জম্মু-কাশ্মীরে একাধিক হামলার ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তালিকায় থাকা ২৩ জনের মধ্যে তিনজনকে লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ মহম্মদ সইদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে দাবি করেছে কেন্দ্র। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল রউফ, হাফিজ খালিদ ওয়ালিদ এবং রানা ইফতিখার। অভিযোগ, এঁরা জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে সমন্বয়, অর্থ জোগাড় এবং যুবকদের জঙ্গিবাদে প্ররোচিত করার কাজে যুক্ত ছিলেন।
এ ছাড়া জৈশ-ই-মহম্মদের নেতা মুফতি মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরির নামও তালিকায় রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, ভারতে অনুপ্রবেশে সহায়তা এবং ২০২২ সালের সুনজওয়ান হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছে কেন্দ্র। অভিযুক্তদের মধ্যে মহম্মদ মুসাদ্দিক ওরফে হামজার বিরুদ্ধে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভারতে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি ২০১৬ সালের নাগরোটা সেনা শিবিরে হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও কয়েকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক, ড্রোনে অস্ত্র পাচার, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অনলাইনে জঙ্গি নিয়োগের চক্র ভেঙে দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন