তারাতলার গোডাউন বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি যাতে আর না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভবিষ্যতেও যেকোনও বিপর্যয় মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্যকে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নির্মাণ সংক্রান্ত গাফিলতি রুখতে বিশেষ অডিট চালানোর কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
শনিবার আলিপুর বডিগার্ড লাইনে কলকাতা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তারাতলা বিপর্যয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া কলকাতা পুলিশ, দমকল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের সংবর্ধনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালও উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকারীদের উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই ১৭ জনের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ভূমিকাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, মানুষের জীবন রক্ষা করাই প্রশাসনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, আর সেই লক্ষ্যেই আগামী দিনেও সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
'২১ জুলাই কোনও দলের একার নয়, শহিদদের সবাই সম্মান জানাক'—দিলীপ ঘোষ
বিপর্যয়ের পর প্রথম মুহূর্তে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়া তারাতলার স্থানীয় বাসিন্দা ও যুবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সুযোগ হলে নিজে তারাতলায় গিয়ে তাঁদের ধন্যবাদ জানাবেন। উল্লেখ্য, তারাতলার গোডাউন বিপর্যয়কে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁর প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি একাধিক ইঞ্জিনিয়ারের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন