Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মৃত্যুর পর ৪ মাসের ‘অদৃশ্য অধ্যায়’! কেন খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টি এত দেরিতে, কোথায় লুকোনো ছিল তাঁর দেহ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬
 মৃত্যুর পর ৪ মাসের ‘অদৃশ্য অধ্যায়’! কেন খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টি এত দেরিতে, কোথায় লুকোনো ছিল তাঁর দেহ?
ছবি সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর ১২৬ দিন পর অবশেষে তেহরানে শুরু হল তাঁর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টি ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন। ইতিমধ্যেই তাঁর দেহাবশেষ পৌঁছে গিয়েছে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে।


সূত্রের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে খামেনেই নিহত হন। দীর্ঘ চার মাস পর তাঁর অন্ত্যেষ্টি ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে - মৃত্যুর এতদিন পর কেন সমাহিত করা হয়নি তাঁকে? কোথায় রাখা ছিল তাঁর দেহ? ইসলামিক রীতি অনুযায়ী এত দীর্ঘ বিলম্ব অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ইরান প্রশাসনের দাবি, ধর্মীয় নিয়ম মেনেই মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। 


জানা গিয়েছে, দেহটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া নয়, বরং হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইসলামে এমবামিং নিষিদ্ধ হওয়ায় ধর্মীয় নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি শিয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের। রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও। ভারত সরকারের দুই প্রতিনিধি ছাড়াও একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলও সেখানে উপস্থিত রয়েছে। ইমাম খোমেনি কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব, যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

বিষয় : IRAN TEHRAN KHAMENEI GEOPOLITICS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


মৃত্যুর পর ৪ মাসের ‘অদৃশ্য অধ্যায়’! কেন খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টি এত দেরিতে, কোথায় লুকোনো ছিল তাঁর দেহ?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর ১২৬ দিন পর অবশেষে তেহরানে শুরু হল তাঁর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টি ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন। ইতিমধ্যেই তাঁর দেহাবশেষ পৌঁছে গিয়েছে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে।সূত্রের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে খামেনেই নিহত হন। দীর্ঘ চার মাস পর তাঁর অন্ত্যেষ্টি ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে - মৃত্যুর এতদিন পর কেন সমাহিত করা হয়নি তাঁকে? কোথায় রাখা ছিল তাঁর দেহ? ইসলামিক রীতি অনুযায়ী এত দীর্ঘ বিলম্ব অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ইরান প্রশাসনের দাবি, ধর্মীয় নিয়ম মেনেই মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, দেহটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া নয়, বরং হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইসলামে এমবামিং নিষিদ্ধ হওয়ায় ধর্মীয় নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি শিয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের। রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও। ভারত সরকারের দুই প্রতিনিধি ছাড়াও একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলও সেখানে উপস্থিত রয়েছে। ইমাম খোমেনি কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব, যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার