পশ্চিম এশিয়ার রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে ইরানের দেওয়া তিন দফার ‘পর্যায়ক্রমিক শান্তি প্রস্তাব’ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। [TECHTARANGA-POST:8463]তেহরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বিরতি ও নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার শর্ত আগে রাখা হলেও, ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আগে রফাসূত্র বের করতে হবে, তার আগে কোনও আলোচনা নয়। মার্কিন বিদেশ সচিব মারকো রুবিও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইরান যাতে কোনওভাবেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত না করে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থানের জেরে ভেস্তে গিয়েছে ইসলামাবাদে নির্ধারিত শান্তি বৈঠকও। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তড়িঘড়ি রাশিয়ার দ্বারস্থ হয়েছেন এবং ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর।[TECHTARANGA-POST:8465]আমেরিকা ও ইরানের এই কূটনৈতিক লড়াইয়ের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে, যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের (Brent Crude) দাম আকাশ ছুঁয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারের তেলের জোগান কার্যত সংকটের মুখে। ইরান একে আমেরিকার ‘জলদস্যুবৃত্তি’ বলে তোপ দেগেছে। [TECHTARANGA-POST:8457]আগে যেখানে প্রতিদিন ১০০-র বেশি জাহাজ যাতায়াত করত, এখন সেখানে পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। আমেরিকা যেভাবে সমুদ্রপথে ইরানের তেলবাহী জাহাজ আটকে দিচ্ছে, তাতে দুই দেশের সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ট্রাম্পের কড়া অবস্থান এবং পরমাণু ইস্যুতে আমেরিকার অনড় মনোভাব পশ্চিম এশিয়াকে এক অনিশ্চিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার