Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘মাইনে বাড়লে আমার কী লাভ?’ কালীচরণকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

‘মাইনে বাড়লে আমার কী লাভ?’ কালীচরণকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ
FILE IMAGE

তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়ের তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফের নতুন অভিযোগের মুখে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার কলকাতা পুরসভার ক্যান্টিনের কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের বেতন বৃদ্ধির ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখতেন কালীচরণ। এমনকি, বেতন বাড়লে তাঁর কী লাভ হবে—এই প্রশ্নও নাকি তুলেছিলেন তিনি।


পুরসভার ক্যান্টিনে বর্তমানে ২৭ জন কর্মী কাজ করেন। তাঁদের দাবি, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছিলেন। গত পাঁচ বছরে অন্তত ছ'বার বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও, অভিযোগ কালীচরণের দফতরে পৌঁছনোর পর সেই ফাইল আর এগোয়নি। কর্মীদের আরও অভিযোগ, বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হত। অনেক সময় অপমান করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হতো বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। পুরসভার এক আধিকারিকের কথায়, কালীচরণের ঘরে ঢোকা অনেক ফাইলই আর বাইরে বের হতো না।


উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার পরে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কালীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল কালীকে। আর কালী জানে না এমন কোনও বিল্ডিং কলকাতায় নেই। সব বিল্ডিংয়ের অনুমোদন হত ওর কথায়। ওঁকে ধরলেই সব সামনে চলে আসবে।” তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়ের তদন্তে ইতিমধ্যেই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সেই ঘটনার পর থেকেই পুরসভায় তাঁর প্রভাব ও ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। 

বিষয় : POLITICALNEWS firhadhakim KMC kalicharanbandyopadhyay

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


‘মাইনে বাড়লে আমার কী লাভ?’ কালীচরণকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image
তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়ের তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফের নতুন অভিযোগের মুখে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার কলকাতা পুরসভার ক্যান্টিনের কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের বেতন বৃদ্ধির ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখতেন কালীচরণ। এমনকি, বেতন বাড়লে তাঁর কী লাভ হবে—এই প্রশ্নও নাকি তুলেছিলেন তিনি।পুরসভার ক্যান্টিনে বর্তমানে ২৭ জন কর্মী কাজ করেন। তাঁদের দাবি, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছিলেন। গত পাঁচ বছরে অন্তত ছ'বার বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও, অভিযোগ কালীচরণের দফতরে পৌঁছনোর পর সেই ফাইল আর এগোয়নি। কর্মীদের আরও অভিযোগ, বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হত। অনেক সময় অপমান করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হতো বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। পুরসভার এক আধিকারিকের কথায়, কালীচরণের ঘরে ঢোকা অনেক ফাইলই আর বাইরে বের হতো না।উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার পরে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কালীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল কালীকে। আর কালী জানে না এমন কোনও বিল্ডিং কলকাতায় নেই। সব বিল্ডিংয়ের অনুমোদন হত ওর কথায়। ওঁকে ধরলেই সব সামনে চলে আসবে।” তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়ের তদন্তে ইতিমধ্যেই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সেই ঘটনার পর থেকেই পুরসভায় তাঁর প্রভাব ও ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার