Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ছাগল বিক্রি থেকে ৬৪ বিঘার সাম্রাজ্য! সুবিদ আলিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

ছাগল বিক্রি থেকে ৬৪ বিঘার সাম্রাজ্য! সুবিদ আলিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ
FILE IMAGE

গোসাবার তৃণমূল নেতা সুবিদ আলি ঢালি ওরফে ঝড়োকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসছে। বিপুল সম্পত্তি, ভেড়ি দখল, দুর্নীতি থেকে শুরু করে হিন্দু মহিলাদের জোর করে বিয়ের অভিযোগ সব মিলিয়ে সুন্দরবনের এই প্রভাবশালী নেতাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সুবিদ আলি ঢালির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।


স্থানীয় সূত্রের দাবি, গোসাবার পাঠানখালিতে প্রায় ৬৪ বিঘা জমির উপর বিস্তীর্ণ সম্পত্তির মালিক তিনি। অভিযোগ, তার মধ্যে প্রায় ২৪ বিঘা জমিতে রয়েছে বাগানবাড়ি এবং প্রায় ৪০ বিঘা জমি জুড়ে মাছের ভেড়ি। এছাড়াও গোসাবা, কলকাতা ও শহরতলিতে তাঁর একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। এমনকি এলাকার দলীয় কার্যালয়ও বিলাসবহুল প্রাসাদের মতো বলেই অভিযোগ।


 স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একসময় গৃহপালিত পশু বিক্রি করেই সংসার চলত সুবিদ আলি ঢালির। পরে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তাঁর আর্থিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হয়। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, তোলাবাজি, ১০০ দিনের কাজের টাকায় কাটমানি এবং মাছের ভেড়ি দখলের মতো একাধিক অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।


সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হিন্দু মহিলাদের জোর করে বিয়ে এবং তাঁদের সম্পত্তি দখলকে ঘিরে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, ভয় ও প্রভাবের পরিবেশ থাকায় এতদিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। তবে এই অভিযোগগুলিও এখনও তদন্তসাপেক্ষ এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। এদিকে ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই সুবিদ আলি ঢালি পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে। গোসাবাজুড়ে তাঁর সম্পত্তি এবং বিভিন্ন অভিযোগকে ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

বিষয় : CORRUPTION BengalPolitics TrinamoolCongress tmcleader gosabapolitics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


ছাগল বিক্রি থেকে ৬৪ বিঘার সাম্রাজ্য! সুবিদ আলিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image
গোসাবার তৃণমূল নেতা সুবিদ আলি ঢালি ওরফে ঝড়োকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসছে। বিপুল সম্পত্তি, ভেড়ি দখল, দুর্নীতি থেকে শুরু করে হিন্দু মহিলাদের জোর করে বিয়ের অভিযোগ সব মিলিয়ে সুন্দরবনের এই প্রভাবশালী নেতাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সুবিদ আলি ঢালির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, গোসাবার পাঠানখালিতে প্রায় ৬৪ বিঘা জমির উপর বিস্তীর্ণ সম্পত্তির মালিক তিনি। অভিযোগ, তার মধ্যে প্রায় ২৪ বিঘা জমিতে রয়েছে বাগানবাড়ি এবং প্রায় ৪০ বিঘা জমি জুড়ে মাছের ভেড়ি। এছাড়াও গোসাবা, কলকাতা ও শহরতলিতে তাঁর একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। এমনকি এলাকার দলীয় কার্যালয়ও বিলাসবহুল প্রাসাদের মতো বলেই অভিযোগ। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একসময় গৃহপালিত পশু বিক্রি করেই সংসার চলত সুবিদ আলি ঢালির। পরে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তাঁর আর্থিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হয়। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, তোলাবাজি, ১০০ দিনের কাজের টাকায় কাটমানি এবং মাছের ভেড়ি দখলের মতো একাধিক অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হিন্দু মহিলাদের জোর করে বিয়ে এবং তাঁদের সম্পত্তি দখলকে ঘিরে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, ভয় ও প্রভাবের পরিবেশ থাকায় এতদিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। তবে এই অভিযোগগুলিও এখনও তদন্তসাপেক্ষ এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। এদিকে ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই সুবিদ আলি ঢালি পলাতক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে। গোসাবাজুড়ে তাঁর সম্পত্তি এবং বিভিন্ন অভিযোগকে ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার