Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! আবেদন খারিজ, তদন্তে হস্তক্ষেপ নয় আদালতের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬
 রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! আবেদন খারিজ, তদন্তে হস্তক্ষেপ নয় আদালতের
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। পুলিশি তদন্তে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। টুলুর বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছে, তা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে পুলিশ।


শুনানিতে টুলুর আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে যুক্তি দেন, বাড়িতে নগদ টাকা বা সোনা রাখা নিজে কোনও অপরাধ নয়। তাঁর দাবি, এ নিয়ে আয়কর আইনে ব্যবস্থা হতে পারে। তবে আদালত জানায়, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। এরপরই তদন্তে হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত জানায় আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন এবং তদন্তকারীদের কাজে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। শুনানিতে টুলুকে নিয়ে রামায়ণের প্রসঙ্গও টানেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “টুলু মণ্ডল ইন্দ্রজিৎ। রামায়ণের মতো। মেঘের আড়াল থেকে সবকিছু নজরে রাখছেন।” বিচারপতির এই মন্তব্যই শুনানিতে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে।


এর আগে বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা এবং সোনা উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় মিনারকে গ্রেফতার করা হলেও টুলুর সন্ধান মেলেনি। গ্রেফতারির আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন টুলু। পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া নিয়েও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আইনি সুরক্ষাও মিলল না। টুলুর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। সিউড়ির অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতেও তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে হাজিরা না দিলে তাঁকে ঘোষিত অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছিল।

বিষয় : West Bengal Politics Tulu Mondal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! আবেদন খারিজ, তদন্তে হস্তক্ষেপ নয় আদালতের

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। পুলিশি তদন্তে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। টুলুর বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছে, তা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে পুলিশ।শুনানিতে টুলুর আইনজীবী দুষ্মন্ত দাভে যুক্তি দেন, বাড়িতে নগদ টাকা বা সোনা রাখা নিজে কোনও অপরাধ নয়। তাঁর দাবি, এ নিয়ে আয়কর আইনে ব্যবস্থা হতে পারে। তবে আদালত জানায়, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। এরপরই তদন্তে হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত জানায় আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন এবং তদন্তকারীদের কাজে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। শুনানিতে টুলুকে নিয়ে রামায়ণের প্রসঙ্গও টানেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “টুলু মণ্ডল ইন্দ্রজিৎ। রামায়ণের মতো। মেঘের আড়াল থেকে সবকিছু নজরে রাখছেন।” বিচারপতির এই মন্তব্যই শুনানিতে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে।এর আগে বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা এবং সোনা উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় মিনারকে গ্রেফতার করা হলেও টুলুর সন্ধান মেলেনি। গ্রেফতারির আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন টুলু। পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া নিয়েও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আইনি সুরক্ষাও মিলল না। টুলুর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। সিউড়ির অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতেও তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে হাজিরা না দিলে তাঁকে ঘোষিত অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছিল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত