Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুষ্টির সঙ্গে স্বাদের মেলবন্ধন, মিড-ডে মিলে আসতে পারে চিকেন বিরিয়ানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬
পুষ্টির সঙ্গে স্বাদের মেলবন্ধন, মিড-ডে মিলে আসতে পারে চিকেন বিরিয়ানি
ছবি সংগৃহীত

চেন্নাই: ডিমের পর এবার বিরিয়ানি! সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিলে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে তামিলনাড়ুর থলপতি বিজয় সরকার। সপ্তাহে অন্তত একটা দিন পড়ুয়াদের চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও আপাতত বিষয়টি প্রস্তাবের স্তরেই রয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী থলপতি বিজয়ের অনুমোদন মিললেই তা বাস্তবায়নের পথে এগোবে।

স্বাধীনতার পর দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল তামিলনাড়ু। পাঁচের দশকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কে. কামরাজ এই প্রকল্পের সূচনা করেন। পরে একে একে বিভিন্ন সরকার এই প্রকল্পে নতুন সংযোজন করেছে। প্রথমে ডিম, পরে পুষ্টিকর খাবারের পরিধি বাড়ানো, এমনকি আলাদা করে ব্রেকফাস্ট স্কিম চালু প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় এগিয়ে থেকেছে তামিলনাড়ু। সেই ধারাবাহিকতাই মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি সংযোজনের পরিকল্পনা করছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মধ্যে প্রথমবার কোনও রাজ্যের সরকারি স্কুলে নিয়মিত বিরিয়ানি পরিবেশনের নজির তৈরি হবে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রাজমোহন বলেন, "প্রতিটি সরকারই পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা ভেবে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। কামরাজ মিড-ডে মিল শুরু করেছিলেন। করুণানিধি ডিম যুক্ত করেন। এমজিআর প্রকল্পটিকে আরও পুষ্টিকর করেন। জয়ললিতা সপ্তাহে নিয়মিত ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমরাও চাই নতুন কিছু করতে। অন্তত সপ্তাহে একদিন পড়ুয়াদের বিরিয়ানি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি এখনও মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায়।


পূর্ববর্তী ডিএমকে সরকারের আমলে পড়ুয়া-পিছু ১৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। ফলত, একই ধরনের খাবারই রোজ পরিবেশন করা হতো। কিন্তু এবার সেই বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, বরাদ্দ বাড়লে প্রতিদিন আরও বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া সম্ভব হবে। মিড-ডে মিল নিয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যখন খাবারের মান ও মেনু নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত, তখন পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে তামিলনাড়ুর এই নতুন পরিকল্পনা বেশ প্রশংসনীয়। 

বিষয় : BJP Congress Mid-Day Meal Thalapathy Vijay

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


পুষ্টির সঙ্গে স্বাদের মেলবন্ধন, মিড-ডে মিলে আসতে পারে চিকেন বিরিয়ানি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image
চেন্নাই: ডিমের পর এবার বিরিয়ানি! সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিলে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে তামিলনাড়ুর থলপতি বিজয় সরকার। সপ্তাহে অন্তত একটা দিন পড়ুয়াদের চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও আপাতত বিষয়টি প্রস্তাবের স্তরেই রয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী থলপতি বিজয়ের অনুমোদন মিললেই তা বাস্তবায়নের পথে এগোবে।স্বাধীনতার পর দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল তামিলনাড়ু। পাঁচের দশকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কে. কামরাজ এই প্রকল্পের সূচনা করেন। পরে একে একে বিভিন্ন সরকার এই প্রকল্পে নতুন সংযোজন করেছে। প্রথমে ডিম, পরে পুষ্টিকর খাবারের পরিধি বাড়ানো, এমনকি আলাদা করে ব্রেকফাস্ট স্কিম চালু প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় এগিয়ে থেকেছে তামিলনাড়ু। সেই ধারাবাহিকতাই মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি সংযোজনের পরিকল্পনা করছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মধ্যে প্রথমবার কোনও রাজ্যের সরকারি স্কুলে নিয়মিত বিরিয়ানি পরিবেশনের নজির তৈরি হবে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রাজমোহন বলেন, "প্রতিটি সরকারই পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা ভেবে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। কামরাজ মিড-ডে মিল শুরু করেছিলেন। করুণানিধি ডিম যুক্ত করেন। এমজিআর প্রকল্পটিকে আরও পুষ্টিকর করেন। জয়ললিতা সপ্তাহে নিয়মিত ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমরাও চাই নতুন কিছু করতে। অন্তত সপ্তাহে একদিন পড়ুয়াদের বিরিয়ানি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি এখনও মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায়।পূর্ববর্তী ডিএমকে সরকারের আমলে পড়ুয়া-পিছু ১৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। ফলত, একই ধরনের খাবারই রোজ পরিবেশন করা হতো। কিন্তু এবার সেই বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, বরাদ্দ বাড়লে প্রতিদিন আরও বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া সম্ভব হবে। মিড-ডে মিল নিয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যখন খাবারের মান ও মেনু নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত, তখন পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে তামিলনাড়ুর এই নতুন পরিকল্পনা বেশ প্রশংসনীয়। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত