Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিধানসভায় কাটছে ঘর জট, মঙ্গলবারের মধ্যেই ঘর পেতে পারেন বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল বিধায়করা

বিধানসভায় কাটছে ঘর জট, মঙ্গলবারের মধ্যেই ঘর পেতে পারেন বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল বিধায়করা
FILE IMAGE

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের বিধায়কদের ঘর বণ্টন সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা অবশেষে কাটতে চলেছে। বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কদের জন্য ঘর চেয়ে বিধানসভার সচিবালয়ের কাছে যে আবেদন পাঠানো হয়েছিল, ইতিবাচকভাবে তার জবাব দেওয়া হয়েছে।


 সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের তরফ থেকে আসা সেই আর্জি আজই স্পিকার বা অধ্যক্ষের কাছে পেশ করা হবে। তৃণমূল পরিষদীয় দলের জমা দেওয়া রেজোলিউশন খতিয়ে দেখার পর বিরোধী দলের বিধায়কদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরের চাবি হস্তান্তরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন অধ্যক্ষ। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক চললে, আগামিকালের (মঙ্গলবার) মধ্যেই বিরোধী দলনেতা এবং তৃণমূলের বিধায়করা তাঁদের জন্য বরাদ্দ ঘর পেয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।


বিধানসভা সূত্রে খবর, আজই (সোমবার) বিধানসভায় আসছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। তাঁর টেবিলেই তৃণমূলের এই সাম্প্রতিক আবেদনটি পেশ করা হবে। সংসদীয় ও পরিষদীয় নিয়মকানুন খতিয়ে দেখে সব ঠিক থাকলে, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই জট কেটে যাবে এবং তৃণমূলের পরিষদীয় দল তাদের ঘর পাবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া এবং তাদের জন্য ঘর বরাদ্দ করা নিয়ে দফায় দফায় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বালিগঞ্জের প্রবীণ তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, তৎকালীন সময়ে বিধানসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, এই চিঠি প্রচলিত পরিষদীয় রীতি মেনে পাঠানো হয়নি।


এই প্রসঙ্গে স্পিকার স্পষ্ট করেছিলেন, অভিষেকের পাঠানো ওই চিঠিতে দলের সাধারণ সম্পাদকের সই থাকলেও, দলের বিধায়কদের সম্মিলিত স্বাক্ষর বা রেজোলিউশন ছিল না। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, দলের সমস্ত বিধায়কদের সই সম্বলিত আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিলেই তৃণমূলকে সরকারিভাবে বিরোধী দলের মর্যাদা এবং পরিকাঠামো দেওয়া সম্ভব।


 সেই নির্দেশ মেনে পরবর্তীতে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে সমস্ত নিয়ম মেনে নতুন করে চিঠি জমা দেওয়া হয়। কিন্তু, তা সত্ত্বেও ঘর ছাড়ার বা চাবি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি ঢিলেমির অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বিধানসভায় স্পিকারের ঘরের সামনে ধরনায় বসেছিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়করা। তবে, সোমবার সচিবালয়ের এই নতুন তৎপরতার পর অবশেষে বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল বিধায়কদের ঘর নিয়ে জট কাটার ইঙ্গিত মেলায় স্বস্তির হাওয়া রাজনৈতিক মহলে।

বিষয় : WestBengalPolitics bengalassembly rathindranathbasu assemblydeadlock sovandebchattopadhyay

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বিধানসভায় কাটছে ঘর জট, মঙ্গলবারের মধ্যেই ঘর পেতে পারেন বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল বিধায়করা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের বিধায়কদের ঘর বণ্টন সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা অবশেষে কাটতে চলেছে। বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কদের জন্য ঘর চেয়ে বিধানসভার সচিবালয়ের কাছে যে আবেদন পাঠানো হয়েছিল, ইতিবাচকভাবে তার জবাব দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের তরফ থেকে আসা সেই আর্জি আজই স্পিকার বা অধ্যক্ষের কাছে পেশ করা হবে। তৃণমূল পরিষদীয় দলের জমা দেওয়া রেজোলিউশন খতিয়ে দেখার পর বিরোধী দলের বিধায়কদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরের চাবি হস্তান্তরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন অধ্যক্ষ। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক চললে, আগামিকালের (মঙ্গলবার) মধ্যেই বিরোধী দলনেতা এবং তৃণমূলের বিধায়করা তাঁদের জন্য বরাদ্দ ঘর পেয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।বিধানসভা সূত্রে খবর, আজই (সোমবার) বিধানসভায় আসছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। তাঁর টেবিলেই তৃণমূলের এই সাম্প্রতিক আবেদনটি পেশ করা হবে। সংসদীয় ও পরিষদীয় নিয়মকানুন খতিয়ে দেখে সব ঠিক থাকলে, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই জট কেটে যাবে এবং তৃণমূলের পরিষদীয় দল তাদের ঘর পাবে।উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া এবং তাদের জন্য ঘর বরাদ্দ করা নিয়ে দফায় দফায় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বালিগঞ্জের প্রবীণ তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, তৎকালীন সময়ে বিধানসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, এই চিঠি প্রচলিত পরিষদীয় রীতি মেনে পাঠানো হয়নি।এই প্রসঙ্গে স্পিকার স্পষ্ট করেছিলেন, অভিষেকের পাঠানো ওই চিঠিতে দলের সাধারণ সম্পাদকের সই থাকলেও, দলের বিধায়কদের সম্মিলিত স্বাক্ষর বা রেজোলিউশন ছিল না। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, দলের সমস্ত বিধায়কদের সই সম্বলিত আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিলেই তৃণমূলকে সরকারিভাবে বিরোধী দলের মর্যাদা এবং পরিকাঠামো দেওয়া সম্ভব। সেই নির্দেশ মেনে পরবর্তীতে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে সমস্ত নিয়ম মেনে নতুন করে চিঠি জমা দেওয়া হয়। কিন্তু, তা সত্ত্বেও ঘর ছাড়ার বা চাবি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি ঢিলেমির অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বিধানসভায় স্পিকারের ঘরের সামনে ধরনায় বসেছিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়করা। তবে, সোমবার সচিবালয়ের এই নতুন তৎপরতার পর অবশেষে বিরোধী দলনেতা-সহ তৃণমূল বিধায়কদের ঘর নিয়ে জট কাটার ইঙ্গিত মেলায় স্বস্তির হাওয়া রাজনৈতিক মহলে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার