তিরুবনন্তপুরম: ফলপ্রকাশের ছ-দিন পেরিয়ে গেলেও কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জট কাটল না। দক্ষিণের এই রাজ্যে কংগ্রেসের জয়জয়কার হলেও মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করা নিয়ে এখন কার্যত হিমশিম খাচ্ছে এআইসিসি। দৌড়ে রয়েছেন তিন বর্ষীয়ান নেতা — কেসি বেণুগোপাল, ভিডি সতীশন এবং রমেশ চেন্নিথালা। তবে কর্নাটকের মতো পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
কেরল কংগ্রেসের ইনচার্জ দীপা দাসমুন্সি জানিয়েছেন, দ্রুতই নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী ২৩ মে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাই হাতে আরও দু’সপ্তাহ সময় আছে ধরে নিয়ে মেপে পা ফেলছে দল। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আপাতত সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ তথা এআইসিসি-র সাংগঠনিক সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। শোনা যাচ্ছে, নবনির্বাচিত ৬৩ জন বিধায়কের মধ্যে ৪৭ জনই বেণুগোপালের পক্ষে সওয়াল করেছেন। তবে তিনি লোকসভার সাংসদ হওয়ায় এবং এবারের বিধানসভা ভোটে না লড়ায়, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হলে কোনও একটি আসন থেকে উপ-নির্বাচনে জিতে আসতে হবে।
অন্যদিকে, বিদায়ী বিরোধী দলনেতা ভিডি সতীশন এবং প্রবীণ নেতা রমেশ চেন্নিথালাকেও ঘিরে রয়েছে প্রবল জনমত। সতীশনকে ইতিমধ্যেই প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছে জোটসঙ্গী ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ। আবার চেন্নিথালার অনুগামীদের দাবি, বর্ষীয়ান এই নেতা এর আগে উম্মেন চাণ্ডির খাতিরে নিজের দাবি ত্যাগ করেছিলেন, তাই এবার তাঁরই সুযোগ পাওয়া উচিত।
তবে দলের অন্দরে একটি কাঁটা এখনও বিঁধে রয়েছে। নির্বাচনের আগে হাইকমান্ডের নীতি ছিল যে কোনও সাংসদ বিধানসভা ভোটে লড়তে পারবেন না। যদি দল সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, তবে বেণুগোপালের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে নৈতিক বাধা আসতে পারে। সব মিলিয়ে কেরলের পরবর্তী কাপ্তান কে হবেন, তার চাবিকাঠি এখন সনিয়া ও রাহুল গান্ধীর হাতে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন