কলকাতা: বাংলায় বিজেপির জয় নিশ্চিত হতেই কি শুরু হল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়া ভোট-পরবর্তী হিংসার আবহে এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বুধবার বিকেলে নবান্নে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ লাগানোর চেষ্টা করছেন বিদায়ী শাসকদলের কর্মীরাই। শমীকের অভিযোগ, "কিছু তৃণমূলী এখন গেরুয়া আবির মেখে ভাঙচুর চালাচ্ছে এবং তৃণমূলের অফিস দখল করছে যাতে বিজেপির বদনাম হয়।"
হিংসা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, দলে কোনওভাবেই ‘তৃণমূলীকরণ’ বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, “আমাদের ইতিমধ্যেই দুই কর্মী খুন হয়েছেন। আজ যদি ফল উল্টো হত, তবে ২০০ জন খুন হয়ে যেতেন। আমরা আমাদের দলে বলে দিয়েছি যে এই সব গুন্ডামি চলবে না। যে করবে তাকে সরাসরি দলের বাইরে বের করে দেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান যে স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে।
এদিন নবান্নে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে বৈঠকের পর শমীক ঘোষণা করেন, আগামী ৯ মে - অর্থাৎ - পঁচিশে বৈশাখ শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। এই মেগা ইভেন্টে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন? নানা নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও দৌড়ে এগিয়ে আছেন শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় রয়েছে শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্ত এবং উৎপল মহারাজের নামও।
প্রশাসনিক কাজ কোথা থেকে চলবে - নবান্ন না কি রাইটার্স বিল্ডিং? এই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, “২০২১ সালেই আমরা ঘোষণা করেছিলাম রাইটার্স থেকে সরকার চলবে। তবে, বর্তমান অবস্থা কী তা জানি না। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।” প্রধানমন্ত্রী ভয়ের বাতাবরণ থেকে মানুষকে বের করে আনার যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, তা পূর্ণ করতে বিজেপি দায়বদ্ধ বলেও এদিন জানান শমীক।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন