Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপা অফিসের শুদ্ধিকরণ! পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগ চেয়ে উত্তাল টলি-পাড়া

গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপা অফিসের শুদ্ধিকরণ! পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগ চেয়ে উত্তাল টলি-পাড়া
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের আঁচ এবার টলিউডের ক্ষমতার অলিন্দেও। দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই বদলে গেল প্রযোজকদের সংগঠন ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (ইমপা)-র সদর দফতরের ছবি। মঙ্গলবার একদল প্রযোজক সংগঠনের অফিসে পৌঁছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেন এবং গঙ্গাজল ছিটিয়ে পুরো অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন! তাঁদের সাফ দাবি, বিদায় নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ইমপা-র সভাপতি পদ ছাড়তে হবে পিয়া সেনগুপ্তকেও।


টালিগঞ্জ স্টুডিয়োপাড়ায় দীর্ঘ প্রায় দু’দশক ধরে অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল বলে অভিযোগ। ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ আর বাড়তি টেকনিশিয়ান নেওয়ার বাধ্যবাধকতায় অতিষ্ট ছিলেন ছোট প্রযোজকরা। এদিন পীযূষ সাহা, শতদীপ সাহা, কৃষ্ণা দাগা ও রতন সাহার মতো প্রযোজক-পরিবেশকেরা ইমপা অফিসে চড়াও হয়ে অবিলম্বে নির্বাচনের দাবি তোলেন। প্রযোজক প্রবীর ভৌমিকের বিস্ফোরক অভিযোগ, “এতদিন এখানে পার্টির রাজত্ব চলছিল। এনওসি-র জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে!”


ইমপা-র বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত এই পরিস্থিতিতে নিজেকে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, সংগঠনের সদস্যদের উপর হাত তোলা হয়েছে এবং গেরুয়া আবির খেলে তাঁকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। পিয়ার পাল্টা দাবি, “ইমপা কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনে তাদের সাহায্য চাইতে হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।”


পরিবেশক শতদীপ সাহা এবং ইমপা-র চেয়ারম্যান ঋতব্রত ভট্টাচার্যের মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ‘সিন্ডিকেটমুক্ত’ পরিবেশ প্রয়োজন। জোর করে টেকনিশিয়ান চাপিয়ে দেওয়া বা পরিবেশনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টির দিন শেষ হতে চলেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ প্রযোজকরা।


অরূপ বিশ্বাসের নির্বাচনী পরাজয়ের পর ফেডারেশন এবং ইমপা-র মধ্যেকার যে ‘ঘনিষ্ঠতা’ ছিল, তার মূলে কুঠারাঘাত করতে মরিয়া টলিউডের একাংশ। এখন দেখার, নবান্নের পর টলিপাড়ার এই মসনদেও বড় কোনও বদল আসে কিনা!

বিষয় : West Bengal Election 2026 tollywoodupdate EIMPA PIYASENGUPTA STUDIOPARA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপা অফিসের শুদ্ধিকরণ! পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগ চেয়ে উত্তাল টলি-পাড়া

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের আঁচ এবার টলিউডের ক্ষমতার অলিন্দেও। দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই বদলে গেল প্রযোজকদের সংগঠন ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (ইমপা)-র সদর দফতরের ছবি। মঙ্গলবার একদল প্রযোজক সংগঠনের অফিসে পৌঁছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেন এবং গঙ্গাজল ছিটিয়ে পুরো অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন! তাঁদের সাফ দাবি, বিদায় নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ইমপা-র সভাপতি পদ ছাড়তে হবে পিয়া সেনগুপ্তকেও।টালিগঞ্জ স্টুডিয়োপাড়ায় দীর্ঘ প্রায় দু’দশক ধরে অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল বলে অভিযোগ। ফেডারেশনের ‘দাদাগিরি’ আর বাড়তি টেকনিশিয়ান নেওয়ার বাধ্যবাধকতায় অতিষ্ট ছিলেন ছোট প্রযোজকরা। এদিন পীযূষ সাহা, শতদীপ সাহা, কৃষ্ণা দাগা ও রতন সাহার মতো প্রযোজক-পরিবেশকেরা ইমপা অফিসে চড়াও হয়ে অবিলম্বে নির্বাচনের দাবি তোলেন। প্রযোজক প্রবীর ভৌমিকের বিস্ফোরক অভিযোগ, “এতদিন এখানে পার্টির রাজত্ব চলছিল। এনওসি-র জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে!”ইমপা-র বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত এই পরিস্থিতিতে নিজেকে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, সংগঠনের সদস্যদের উপর হাত তোলা হয়েছে এবং গেরুয়া আবির খেলে তাঁকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। পিয়ার পাল্টা দাবি, “ইমপা কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনে তাদের সাহায্য চাইতে হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।”পরিবেশক শতদীপ সাহা এবং ইমপা-র চেয়ারম্যান ঋতব্রত ভট্টাচার্যের মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ‘সিন্ডিকেটমুক্ত’ পরিবেশ প্রয়োজন। জোর করে টেকনিশিয়ান চাপিয়ে দেওয়া বা পরিবেশনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টির দিন শেষ হতে চলেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ প্রযোজকরা।অরূপ বিশ্বাসের নির্বাচনী পরাজয়ের পর ফেডারেশন এবং ইমপা-র মধ্যেকার যে ‘ঘনিষ্ঠতা’ ছিল, তার মূলে কুঠারাঘাত করতে মরিয়া টলিউডের একাংশ। এখন দেখার, নবান্নের পর টলিপাড়ার এই মসনদেও বড় কোনও বদল আসে কিনা!

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার