Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

৮৫ আসনে মুসলিম ভোটের ‘সুনামি’! ২% থেকে ২০% পর্যন্ত বাড়ল হার, ৪ মে-র আগেই কি বদলে যাচ্ছে সব হিসাব?

৮৫ আসনে মুসলিম ভোটের ‘সুনামি’! ২% থেকে ২০% পর্যন্ত বাড়ল হার, ৪ মে-র আগেই কি বদলে যাচ্ছে সব হিসাব?
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার বুথে-বুথে দেখা গিয়েছে নজিরবিহীন জনজোয়ার। সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের গণ্ডী ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সবথেকে বেশি চমক দিয়েছে রাজ্যের ৮৫টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন। আজ তক বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আসনগুলিতে ভোটদানের হার গতবারের তুলনায় ২ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত লাফিয়ে বেড়েছে! এই অভূতপূর্ব ‘ভোট-বিপ্লব’ কি শাসকদলের গড়ে ফাটল ধরাবে, নাকি সেই দুর্গ আরও মজবুত করবে - তা নিয়ে এখন ঘুম উড়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।


সংখ্যালঘু ভোটের এই জলোচ্ছ্বাস সবথেকে বেশি দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। পরিসংখ্যান বলছে, ৬৬ শতাংশের বেশি মুসলিম জনসংখ্যা থাকা এই জেলার শুধুমাত্র রঘুনাথগঞ্জ আসনেই ২০.৫ শতাংশ ভোট বেড়েছে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য কেন্দ্রগুলিও:

জঙ্গিপুর: ১৭.৯% বৃদ্ধি

সাগরদিঘি: ১৬.৪% বৃদ্ধি

সামশেরগঞ্জ: ১৬% বৃদ্ধি

সুতি: ১৪.৫% বৃদ্ধি

এছাড়াও মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, বীরভূম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও সকাল থেকেই ছিল বুথমুখী মানুষের লম্বা লাইন।


ভোটের আগে ভোটারতালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যজুড়ে। অনেক জায়গায় বিক্ষোভও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু, নির্বাচনী ফলাফল আসার আগে যে পরিসংখ্যান সামনে আসছে, তাতে স্পষ্ট যে কোনও প্রতিকূলতাই মানুষকে দমাতে পারেনি। বরং, নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্ক ভোটারদের মধ্যে জেদ বাড়িয়ে দিয়েছে। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে ইভিএমে।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে এই ৮৫টি আসনের মধ্যে ৭৫টিই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। এই আসনগুলিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরাতে অক্সিজেনের কাজ করেছিল। এবারও কি সেই সমর্থন অটুট থাকবে, নাকি এই বিপুল পরিমাণ ভোট বৃদ্ধির নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনও সমীকরণ?


রাজনৈতিক মহলের মতে, মুসলিম ভোট যখন একচেটিয়া পড়ে, তখন তা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দিকেই যায়। কিন্তু, এবার যদি সেই ভোট ভাগ হয়, তবে ৪ মে-র ফলাফল বাংলার রাজনীতিতে বড়সড় চমক দিতে পারে।

বিষয় : WestBengalElection BengalPolitics electionanalysis

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


৮৫ আসনে মুসলিম ভোটের ‘সুনামি’! ২% থেকে ২০% পর্যন্ত বাড়ল হার, ৪ মে-র আগেই কি বদলে যাচ্ছে সব হিসাব?

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার বুথে-বুথে দেখা গিয়েছে নজিরবিহীন জনজোয়ার। সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের গণ্ডী ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সবথেকে বেশি চমক দিয়েছে রাজ্যের ৮৫টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন। আজ তক বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আসনগুলিতে ভোটদানের হার গতবারের তুলনায় ২ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত লাফিয়ে বেড়েছে! এই অভূতপূর্ব ‘ভোট-বিপ্লব’ কি শাসকদলের গড়ে ফাটল ধরাবে, নাকি সেই দুর্গ আরও মজবুত করবে - তা নিয়ে এখন ঘুম উড়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।সংখ্যালঘু ভোটের এই জলোচ্ছ্বাস সবথেকে বেশি দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। পরিসংখ্যান বলছে, ৬৬ শতাংশের বেশি মুসলিম জনসংখ্যা থাকা এই জেলার শুধুমাত্র রঘুনাথগঞ্জ আসনেই ২০.৫ শতাংশ ভোট বেড়েছে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য কেন্দ্রগুলিও:জঙ্গিপুর: ১৭.৯% বৃদ্ধিসাগরদিঘি: ১৬.৪% বৃদ্ধিসামশেরগঞ্জ: ১৬% বৃদ্ধিসুতি: ১৪.৫% বৃদ্ধিএছাড়াও মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, বীরভূম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও সকাল থেকেই ছিল বুথমুখী মানুষের লম্বা লাইন।ভোটের আগে ভোটারতালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যজুড়ে। অনেক জায়গায় বিক্ষোভও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু, নির্বাচনী ফলাফল আসার আগে যে পরিসংখ্যান সামনে আসছে, তাতে স্পষ্ট যে কোনও প্রতিকূলতাই মানুষকে দমাতে পারেনি। বরং, নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্ক ভোটারদের মধ্যে জেদ বাড়িয়ে দিয়েছে। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে ইভিএমে।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে এই ৮৫টি আসনের মধ্যে ৭৫টিই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। এই আসনগুলিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরাতে অক্সিজেনের কাজ করেছিল। এবারও কি সেই সমর্থন অটুট থাকবে, নাকি এই বিপুল পরিমাণ ভোট বৃদ্ধির নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনও সমীকরণ?রাজনৈতিক মহলের মতে, মুসলিম ভোট যখন একচেটিয়া পড়ে, তখন তা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দিকেই যায়। কিন্তু, এবার যদি সেই ভোট ভাগ হয়, তবে ৪ মে-র ফলাফল বাংলার রাজনীতিতে বড়সড় চমক দিতে পারে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার