ফলতা: শনিবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা। বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কারণে দলীয় কর্মীদের মারধর এবং বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় হাশিমনগর এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীর একাংশ। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে এলাকায় সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে মারধর করার পাশাপাশি তাঁদের এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ফলতার বিতর্কিত বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা। তৃণমূল অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিনের এই বিক্ষোভের জেরে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা এবং পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজ্য পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সবরকম চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ফলতার একাধিক বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব দিল্লিতে পাঠিয়েছেন। মগরাহাট ও ডায়মন্ড হারবারে শনিবার পুনর্নির্বাচন হলেও ফলতা নিয়ে কমিশন এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মধ্যেই নতুন করে অশান্তি শুরু হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন