বহরমপুর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা এবং তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের মধ্যে চলা ‘ঠান্ডা লড়াই’ নিয়ে এবার মুখ খুললেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রাক্কালে পুলিশ পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অধীর জানান, ভিনরাজ্যের পুলিশ আধিকারিকরা বাংলায় এসে রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছেন! যা সাধারণ মানুষ মেনে নেবেন না।
বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর মতে, তৃণমূল ও বিজেপি— উভয় পক্ষই পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “পুলিশ পর্যবেক্ষকের ব্যবহার দেখে মনে হচ্ছে তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা। আমরা এ রাজ্যের পুলিশকে নিয়ে এমন দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু, এখন বিজেপিও সেই একই পথে হাঁটছে। অন্য রাজ্য থেকে নিজেদের আজ্ঞাবহ অফিসারদের নিয়ে এসে ধমকানি-চমকানি দিচ্ছে।”
ফলতার ঘটনার উল্লেখ করে অধীর আরও বলেন, উত্তরপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস অজয়পাল শর্মা যেভাবে তৃণমূল প্রার্থীর পরিচিতদের বাড়িতে গিয়ে ‘সাবধান’ করে আসছেন, তা তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত। তৃণমূলনেত্রীর দলকে যেমন ‘আইপ্যাক’ আর পুলিশ বাঁচিয়ে রেখেছে, তেমনই বিজেপিও এখন ভিনরাজ্যের পুলিশ দিয়ে পাল্টা চাল দিচ্ছে বলে দাবি তাঁর। অধীরের সাফ কথা, “বাইরের রাজ্যের পুলিশ এসে বাংলার মানুষকে ধমকাবে, এটা বাংলার সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।”
উল্লেখ্য, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। তার আগে ফলতায় পুলিশ পর্যবেক্ষকের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ এবং অধীর চৌধুরীর এই কড়া সমালোচনা নির্বাচনী আবহে নতুন মাত্রা যোগ করল। কংগ্রেস নেতার এই আক্রমণ যেমন শাসকদল তৃণমূলকে বিঁধেছে, তেমনই পুলিশ পর্যবেক্ষকের ‘অতি-সক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপিকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন