Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চাকরি বাঁচাতে দিতেই হবে টেট? সুপ্রিম কোর্টে আজ অগ্নিপরীক্ষা কয়েক লক্ষ কর্মরত শিক্ষকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
চাকরি বাঁচাতে দিতেই হবে টেট? সুপ্রিম কোর্টে আজ অগ্নিপরীক্ষা কয়েক লক্ষ কর্মরত শিক্ষকের
প্রতীকী ছবি

প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত শিক্ষকদের ভাগ্য নির্ধারণে আজ মঙ্গলবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। কর্মরত অবস্থায় থাকাকালীন ‘টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট’ বা টেট (TET) সফল না হলে কি চাকরি ছাড়তে হবে? এই মৌলিক প্রশ্নের ফয়সালা হতে পারে আজ সুপ্রিম কোর্টে।




 এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর রায়ে শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়েছিল যে, পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতায় টেট বাধ্যতামূলক। সেই রায়ে বলা হয়েছিল, যাদের টেট নেই তাঁদের আগামী দু’বছরের মধ্যে এই পরীক্ষায় সফল হতে হবে, অন্যথায় বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরি ছাড়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে অবসরের মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছিল। আজ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর এজলাসে এই রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি বা ‘রিভিউ পিটিশন’-এর শুনানি হতে চলেছে, যার দিকে তাকিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গসহ সারা দেশের প্রায় ৩৩ লক্ষ শিক্ষক।



শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) ২০০৯ এবং এনসিটিই-র ২০১০ সালের নির্দেশিকাকে ঢাল করে টেট বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হলেও, শিক্ষক সংগঠনগুলির যুক্তি একেবারেই ভিন্ন। নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (ABPTA) মতো সংগঠনগুলি দাবি তুলেছে যে, ২০১১ সালে বাংলায় টেট চালু হওয়ার আগে যারা দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর শিক্ষকতা করছেন, এই বয়সে তাঁদের নতুন করে পরীক্ষায় বসানো অযৌক্তিক। 




বিচারপতিদের চেম্বারের বদলে খোলা আদালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারীরা। শিক্ষক নেতাদের একাংশের দাবি, ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার হলফনামা দিয়ে টেট বাধ্যতামূলক করার কথা বললেও, তার আগে নিযুক্ত শিক্ষকদের এই নিয়মের আওতা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। আজকের এই শুনানির ওপর নির্ভর করছে কয়েক লক্ষ মেহনতি শিক্ষকের ভবিষ্যৎ এবং তাঁদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা।

বিষয় : Supreme Court of India WestBengalElection lawandorder educationalnews tetexam teachernews educationsystem

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


চাকরি বাঁচাতে দিতেই হবে টেট? সুপ্রিম কোর্টে আজ অগ্নিপরীক্ষা কয়েক লক্ষ কর্মরত শিক্ষকের

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত শিক্ষকদের ভাগ্য নির্ধারণে আজ মঙ্গলবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। কর্মরত অবস্থায় থাকাকালীন ‘টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট’ বা টেট (TET) সফল না হলে কি চাকরি ছাড়তে হবে? এই মৌলিক প্রশ্নের ফয়সালা হতে পারে আজ সুপ্রিম কোর্টে। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর রায়ে শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়েছিল যে, পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতায় টেট বাধ্যতামূলক। সেই রায়ে বলা হয়েছিল, যাদের টেট নেই তাঁদের আগামী দু’বছরের মধ্যে এই পরীক্ষায় সফল হতে হবে, অন্যথায় বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরি ছাড়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে অবসরের মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছিল। আজ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর এজলাসে এই রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি বা ‘রিভিউ পিটিশন’-এর শুনানি হতে চলেছে, যার দিকে তাকিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গসহ সারা দেশের প্রায় ৩৩ লক্ষ শিক্ষক।শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) ২০০৯ এবং এনসিটিই-র ২০১০ সালের নির্দেশিকাকে ঢাল করে টেট বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হলেও, শিক্ষক সংগঠনগুলির যুক্তি একেবারেই ভিন্ন। নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (ABPTA) মতো সংগঠনগুলি দাবি তুলেছে যে, ২০১১ সালে বাংলায় টেট চালু হওয়ার আগে যারা দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর শিক্ষকতা করছেন, এই বয়সে তাঁদের নতুন করে পরীক্ষায় বসানো অযৌক্তিক। বিচারপতিদের চেম্বারের বদলে খোলা আদালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারীরা। শিক্ষক নেতাদের একাংশের দাবি, ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার হলফনামা দিয়ে টেট বাধ্যতামূলক করার কথা বললেও, তার আগে নিযুক্ত শিক্ষকদের এই নিয়মের আওতা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। আজকের এই শুনানির ওপর নির্ভর করছে কয়েক লক্ষ মেহনতি শিক্ষকের ভবিষ্যৎ এবং তাঁদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার