কলকাতা: ২৬-এর প্রথম দফার লড়াইয়ে বাংলার ভোটদানের হার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালকে ফোন করেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁদের মধ্য়ে ফোনালাপের সময় ভোটগ্রহণের হার এবং সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন অশান্তি রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সিইও-র কাছে জানতে চান, সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে সব বিচ্ছিন্ন গোলমালের অভিযোগ এসেছে, সেই বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিয়েছে? কমিশনারের নির্দেশ পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে সিইও দফতর। আলোচনায় উঠে এসেছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কেবল বুথের ১০০ মিটারের ভিতরে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না। এলাকা শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজনে বুথের ১০০ মিটার এলাকার বাইরে গিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এবার কমিশন নজিরবিহীন নিরাপত্তারব্যবস্থা করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ বা ক্রিটিকাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বিশেষ বুথগুলিতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি ওয়েবকাস্টিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
সকাল থেকেই বাংলার প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন এবং উচ্চ শতাংশে ভোটদান দেখে খুশি নির্বাচন কমিশন। সবকটি বুথেই ভোট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মী ও সরঞ্জাম সময় মতো পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী দফার রণকৌশল স্থির হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আপাতত বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না থাকলেও, বিক্ষিপ্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখছে কমিশন ও প্রশাসন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন