Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ইতিহাসের অবসান! ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার, ২০ বছর পর কোন পথে বিহারের রাজনীতি?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইতিহাসের অবসান! ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার, ২০ বছর পর কোন পথে বিহারের রাজনীতি?
FILE IMAGE

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান। বিহারের রাজনীতিতে শেষ হলো নীতীশ কুমারের ২০ বছরের দীর্ঘ ‘মুখ্যমন্ত্রী অধ্যায়’। মঙ্গলবার পাটনায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইনের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিলেন জেডিইউ প্রধান। রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার আগেই তিনি মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেন বলে জানা গিয়েছে। বিহারের এই প্রভাবশালী নেতার ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা হলো।


মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লেও সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন না ‘সুশাসন বাবু’। তিনি ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিহারের মসনদ ছেড়ে এবার দিল্লি বা জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা আরও জোরালো হতে চলেছে। তাঁর এই সিদ্ধান্ত বিহারের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।


নীতীশ কুমারের ইস্তফার পর এখন সবার নজর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। বর্তমানে ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ৮৯ জন বিধায়ক নিয়ে বিজেপিই একক বৃহত্তম দল। এনডিএ জোটে জেডিইউ (৮৫), লোক জনশক্তি পার্টি (১৯), হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (৫) এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার (৫) সমর্থনে জোটের শক্তি ২০২-এ পৌঁছেছে। ফলে এনডিএ সরকার যে বহাল থাকছে, তা স্পষ্ট। বিজেপি এখন তাদের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের জন্য বৈঠকে বসতে চলেছে। নীতীশের উত্তরসূরি হিসেবে কোনো বিজেপি মুখ নাকি অন্য কেউ আসবে, তা নিয়েই এখন তুঙ্গে জল্পনা।


দীর্ঘ দুই দশক ধরে বিহারের ক্ষমতার অলিন্দ সামলানোর পর নীতীশের এই প্রস্থান এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর শাসনামলে বিহারের উন্নয়ন এবং বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে কতটা এগিয়ে যাবে, এখন সেটাই দেখার। ২০২৬-এর এই পট পরিবর্তন বিহার তথা দিল্লির রাজনীতিতে যে বড় প্রভাব ফেলবে, তা নিশ্চিত।



বিষয় : BJP nitishkumar biharpolitics NDA JDU BIHARCHIEFMINISTER POLITICALTENSION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ইতিহাসের অবসান! ইস্তফা দিলেন নীতীশ কুমার, ২০ বছর পর কোন পথে বিহারের রাজনীতি?

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান। বিহারের রাজনীতিতে শেষ হলো নীতীশ কুমারের ২০ বছরের দীর্ঘ ‘মুখ্যমন্ত্রী অধ্যায়’। মঙ্গলবার পাটনায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইনের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিলেন জেডিইউ প্রধান। রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার আগেই তিনি মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেন বলে জানা গিয়েছে। বিহারের এই প্রভাবশালী নেতার ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা হলো।মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়লেও সক্রিয় রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন না ‘সুশাসন বাবু’। তিনি ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিহারের মসনদ ছেড়ে এবার দিল্লি বা জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা আরও জোরালো হতে চলেছে। তাঁর এই সিদ্ধান্ত বিহারের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।নীতীশ কুমারের ইস্তফার পর এখন সবার নজর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। বর্তমানে ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ৮৯ জন বিধায়ক নিয়ে বিজেপিই একক বৃহত্তম দল। এনডিএ জোটে জেডিইউ (৮৫), লোক জনশক্তি পার্টি (১৯), হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (৫) এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার (৫) সমর্থনে জোটের শক্তি ২০২-এ পৌঁছেছে। ফলে এনডিএ সরকার যে বহাল থাকছে, তা স্পষ্ট। বিজেপি এখন তাদের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের জন্য বৈঠকে বসতে চলেছে। নীতীশের উত্তরসূরি হিসেবে কোনো বিজেপি মুখ নাকি অন্য কেউ আসবে, তা নিয়েই এখন তুঙ্গে জল্পনা।দীর্ঘ দুই দশক ধরে বিহারের ক্ষমতার অলিন্দ সামলানোর পর নীতীশের এই প্রস্থান এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর শাসনামলে বিহারের উন্নয়ন এবং বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে কতটা এগিয়ে যাবে, এখন সেটাই দেখার। ২০২৬-এর এই পট পরিবর্তন বিহার তথা দিল্লির রাজনীতিতে যে বড় প্রভাব ফেলবে, তা নিশ্চিত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার