নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগর। সোমবার রাতে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নির্বাচনী সভা সেরে ফেরার পথে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে গালিগালাজ ও পরে বন্দুকের বাট দিয়ে মারধর করা হয়। এই ঘটনায় ৩-৪ জন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে বরাহনগর থানার সামনে অনুগামীদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।
বিক্ষোভ চলাকালীনই ঘটে এক নাটকীয় ঘটনা। থানার সামনে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখনই সজল ঘোষের মোবাইলে সরাসরি ফোন করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল। ফোনে সজল ঘোষ রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাংলাকে বাঁচান’। পাল্টা মনোজ আগরওয়ালও তাঁকে আশ্বস্ত করে জানান, গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে ভোট করানোর বিষয়ে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে অভিযুক্ত অজয় গুপ্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
সজল ঘোষের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা হয়েছে। এমনকি কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে থাকলেও তারা কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিল। এই প্রসঙ্গে সিইও সজলকে জানান, পুলিশি নির্দেশ ছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি পদক্ষেপ করতে পারে না, তাই পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকলে তাও কমিশন গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। দীর্ঘ সময় বিক্ষোভ চলার পর পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মেলায় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে। ভোটের মুখে বরাহনগরের এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ যে এলাকার রাজনৈতিক পারদকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন