কলকাতা: বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের সাতটি কেন্দ্রে হাইভোল্টেজ প্রচারে নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সবার নজর আজ হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে, যেখানে দলের প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুর সমর্থনে জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। জ্যোতিপ্রিয়র প্রার্থীপদ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘ টানাপড়েন ও জল্পনা চললেও, শেষ পর্যন্ত তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছে দল। দীর্ঘদিনের বিধায়ক বালুকে নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্ত বিতর্ক ও জল্পনার মাঝেই আজ হাবড়ার মঞ্চ থেকে নেত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার শেষ পর্যায়ে তাঁর মন্ত্রিত্ব না থাকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, হাবড়ার সভার আগে সোমবার নদিয়ার বেথুয়াডহড়ির সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর সপ্তমে চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের ‘কলকাতা হামলা’ সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, বাংলার রাজধানীকে নিয়ে বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে এমন হুমকির পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী মৌনব্রত পালন করছেন? তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের আগে কি ফের কোনো ‘পহেলগাম’ বা পুলওয়ামার মতো ঘটনার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হচ্ছে? প্রধানমন্ত্রীর নীরবতাকে ‘লোক দেখানো ছলনা’ বলে কটাক্ষ করার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি তুলেছেন যে, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দিয়ে এই কথা কে বলিয়েছে তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বাংলার মানুষকে লক্ষ্য বানালে বাংলাও যে দিল্লিকে টার্গেট করবে, সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন তিনি।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন